Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ১৯ অগাস্ট, ২০১৯ :: ৪ ভাদ্র ১৪২৬ :: সময়- ৩ : ৪৮ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / নীলফামারীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

নীলফামারীতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,নীলফামারী ১৬ জুলাই॥ বৃষ্টির ভ্রূকুটি রয়েইছে। এখনও বন্যার পানি জমে আছে। এরই মধ্যে নীলফামারীর তিস্তা নদী কিছুটা স্বাভাবিক হলেও বেলা তিনটা হতে পুনরায় বিপদসীমা দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। এতে ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলায় নদী চর গ্রাম ও তীরবর্তী এলাকাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি ঘটে।

আজ মঙ্গলবার(১৬ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে নীলফামারীর ডালিয়ার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপতসীমার দশ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকতেও বেলা তিনটা হতে বিকাল ৬টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিপৎসীমা বরাবর (৫২ দশমিক ৬০) দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। । এর আগে তিস্তা নদীর পানি গত বৃহস্পতিবার(১১ জুলাই) হতে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডর বন্যা পুর্বাভাস ও সর্তকীকরন কেন্দ্র সুত্র জানায় উজানের ঢল ও বৃস্টিপাত কমে আসায় তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাচ্ছিল। যা আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় নদীর পানি বিপৎসীমার (৫২দশমিক ৬০) ১০ সেন্টিমিটার নিচে নেমে এসেছিল। কিন্তু বিকালে পুনরায় বিপতসীমা বরাবর প্রবাহিত হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার তিস্তা নদীর ডিমলা উপজেলার ফরেস্টের চর, বাইশপুর,ছোটখাতা, ঝাড়শিঙ্গেরশ্বর এলাকায় দেখা যায় সেখানকার পরিবারের বসতভিটায় এখনও হাটু সমান বন্যার পানি রয়েছে। তবে উজানের ঢল কমে আসায় সেই বানের পানি ধীরে ধীরে কমছে। তবে যে কোন সময় উজান থেকে ফের ঢল নেমে এলে তিস্তার বন্যা পুনরায় গর্জে উঠবে।

এদিকে সরকারি হিসাবে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ৭ ইউনিয়নে ৬ হাজার ৬৩০ পরিবার ও জলঢাকা উপজেলায় ৪ ইউনিয়নে ৫১০ সহ মোট ৭ হাজার ১৪০ পরিবারের ৩০ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া ভাঙনের কবলে পড়ে ডিমলা উপজেলার ৮৬টি পরিবার বসতঘর ভেঙে অন্যত্র সরে গেছে। এর মধ্যে ঝুনাগাছচাঁপানীতে ৭০ পরিবার, খালিশাচাঁপানী ও টেপাখড়িতে ৫ পরিবার করে ১০ পরিবার, খগাখড়িবাড়িতে ৪ ও পূর্বছাতনাইয়ে ২ পরিবার রয়েছে। এ সকল পরিবারকে সরকারিভাবে দেয়া নৌকায় নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়। তবে ডিমলার ১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার কারনে বন্ধ রাখা হয়েছে।

নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শাহীনুর আলম জানান , বন্যাক্রান্ত লোকজনের জন্য এ পর্যন্ত ১৭০ মেট্রিক টন চাল, শুকনো খাবারের ২ হাজার ২শত প্যাকেট ও দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিতরন করা হয় ৮৬ মেট্রিক চাল ও ১ হাজার ৬৮০ প্যাকেট শুকনা খাবার।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful