Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ১৭ অগাস্ট, ২০১৯ :: ২ ভাদ্র ১৪২৬ :: সময়- ১১ : ৪৩ অপরাহ্ন
Home / জাতীয় / কে হচ্ছেন বিরোধীদলীয় নেতা?

কে হচ্ছেন বিরোধীদলীয় নেতা?

ডেস্ক: হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আসনটি শূন্য হওয়ায় এই পদে কে বসবেন, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে জাতীয় পার্টি (জাপা)-তে। কয়েকদিনের মধ্যে পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

তবে, দলটির একাধিক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, পার্টিতে আলোচনা হলেও চূড়ান্ত-অর্থে সরকারের মনোভাব জানার পরই বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রওশনপন্থী একাধিক প্রভাবশালী নেতা এও দাবি করেন, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত জিএম কাদের মহাজোটের মন্ত্রিসভায় থাকলেও ২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে হঠাৎই অবস্থান পরিবর্তন করেন। বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে এখনও আপত্তি থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে রওশন এরশাদকেই নিরাপদ মনে করা হতে পারে।

প্রেসিডিয়ামের আরেক সদস্য দাবি করেন, ‘এরশাদের মৃত্যুর পর জাপার একতা, ঐক্য একমাত্র রওশন এরশাদের দ্বারাই সম্ভব। পার্টি কে চালাবে, সেটা বড় কথা নয়। অনেক দলেই এটা হচ্ছে, যিনি প্রবীণ তাকে সামনে রেখেই দল পরিচালিত হয়। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গত দুই বছরে পার্টিকে সময় দেননি, কিন্তু দল কিন্তু তার নামেই চলেছে। সেক্ষেত্রে রওশন এরশাদ দলে সিনিয়র। দলকে একত্রিত রাখতে চাইলে রওশনের কোনও বিকল্প নেই। এছাড়া, পারিবারিক ধারাবাহিকতার দিক থেকেও রওশনই পাওয়ার যোগ্য।’

পার্টিতে রওশনপন্থী হিসেবে পরিচিত জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা কে হবেন, এ নিয়ে পার্টির প্রেসিডিয়ামে আলোচনা হবে। রওশন এরশাদ জাপার শুরু থেকেই আছেন। এরশাদ তাকে বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে সবসময় দলে জায়গা দিয়েছেন। তিনি দলে প্রাজ্ঞ। রাজনৈতিক ও পারিবারিক জীবনের শুরু থেকেই হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সঙ্গে ছিলেন রওশন। এছাড়া, তিনি তো বিগত একটি সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনও করেছেন। এরপরও আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত হবে।’

রওশনপন্থী নেতাদের যুক্তি ও অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে জাপার প্রেসিডিয়ামের সিনিয়র পর্যায়ের দুই নেতা। তারা জানান, মৃত্যুর আগেই এরশাদ তার ছোট ভাই জিএম কাদেরকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করার পাশাপাশি তার অবর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করেন। একইসঙ্গে গত ২৩ মার্চ জিএম কাদেরকে সরিয়ে জাপার সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদকে সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে মনোনীতও করেন। এই পরিবর্তনের কোনও লক্ষ্য-উদ্দেশ্য প্রভাবশালী এই নেতা না বললেও তারা মনে করেন, যেভাবে এরশাদের অবর্তমানে জিএম কাদের দলের নেতৃত্ব পেয়েছেন। একই কারণে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তিনিই থাকবেন।

জাপা চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক সচিব ও প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়ের দাবি, ‘জাপায় কোনও দ্বন্দ্ব নেই। যে বিষয়গুলোয় মতবিরোধ আছে, তাও প্রেসিডিয়ামের বৈঠকে আলোচনা সাপেক্ষে ঠিক হয়ে যাবে।’

জানতে চাইলে জাপার মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘বিরোধীদলীয় উপনেতা হিসেবে রওশন এরশাদ তো আছেনই। তিনি উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের মিটিং করে এই বিষয়টির সমাধান করবো।’

বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে রওশন এরশাদের অভিজ্ঞতা আছে, এ প্রসঙ্গে মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, ‘তার অভিজ্ঞতা তো আছেই। তবে তিনি হবেন কিনা, সে বিষয়ে আমি কিছু জানি না। কারণ, এ বিষয়ে পার্টির কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।’

সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আসনে কে বসবেন, এ নিয়ে জাপার অভ্যন্তরে দুই পক্ষ থাকলেও উভয় অংশের নেতারাই জানিয়েছেন, শেষপর্যন্ত সরকারের সবুজ সংকেত যার দিকে থাকবে, তাকে অপজিশনের সিটে বসার অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর করতে হবে পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদেরকে।

জাপার নীতিনির্ধারণী ফোরামের এক সদস্য বলেন, ‘যেহেতু আমরা জোটে আছি, আওয়ামী লীগের অনেক কথা শুনতে হয়, শুনেছিও। সেক্ষেত্রে এখন তো জোটের নেতা নেই। তবে ক্ষমতাসীনদের দিকনির্দেশনা তো থাকবে, আশা করি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেন, আমরা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করে নেবো।দলের গঠনতন্ত্র মোতাবেক বিরোধীদলীয় নেতা ঠিক করা হবে ।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful