Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৪ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ২ : ২৪ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রংপুর-৩ আসনে রেজাউল করিম রাজুকে আ’লীগের প্রার্থী করার দাবি

রংপুর-৩ আসনে রেজাউল করিম রাজুকে আ’লীগের প্রার্থী করার দাবি

হাসান আল সাকিব, নিজস্ব প্রতিবেদক: এরশাদের মৃত্যুতে রংপুর সদর আসনে (রংপুর-৩) ২৮ বছরের রাজত্বের অবসান ঘটেছে জাতীয় পার্টির।তবে এরশাদের আসন জাতীয় পার্টিরই থাকবে, নাকি চলে যাবে আওয়ামী লীগের দখলে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা তাদের মতামত তুলে ধরে স্ট্যাটাস দিচ্ছেন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে রংপুর-৩ সদর আসনে প্রথম নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন আওয়ামী লীগের সিদ্দিক হোসেন। এরপর ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে বিএনপির রেজাউল হক সরকার রানা, ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির শফিকুল গণি স্বপন, ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির মোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, ১৯৯১, ১৯৯৬ সালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ২০০১ সালে গোলাম মোহাম্মদ কাদের, ২০০৮ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, ২০০৯ সালের উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির রওশন এরশাদ, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন।

তবে এবার স্থানীয় আওয়ামী লীগ মনে করছে, এরশাদের অবর্তমানে সদর আসন আর জাতীয় পার্টিকে ছাড় দেওয়া হবে না। দীর্ঘদিন থেকে রংপুর সদর আসনটি এরশাদ দখল করে রেখেছিলেন। তিনি এলাকায় না থাকার কারণে এখানকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। আগামীতে এখানে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই।

সদর উপজেলার সদ্যপুষ্করিনী ইউনিয়নের বাসিন্দা সাবেক সমবায় কর্মকর্তা মফিজার রহমান রাজু বলেন, দীর্ঘদিন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ সাহেব এই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।কিন্তু আমরা সঠিক উন্নয়ন তার কাছে বুঝে পাই নি।এলাকার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাটের এখনও অনেক বাজে অবস্থা। অন্যদিকে সদর আসনের আশেপাশের আসন গুলোতে একটু চোখ ফিরালেই দেখা যাচ্ছে কি পরিমাণ উন্নয়ন হয়েছে।প্রকৃত পক্ষে এরশাদ সাহেব এর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা থাকায় এবং আ’লীগের প্রার্থী না দেওয়ায় তিনি এই আসন থেকে এবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।যেহেতু সদর আসনটি এখন শূন্য তাই আমরা চাই সরকার দলীয় একজন প্রার্থী কে।

তবে সরকার দলীয় প্রার্থী’র মধ্যে সদর আসনে কাকে চান? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রংপুর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড: রেজাউল করিম রাজু সাহেব আ’লীগের একজন প্রভাবশালী নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন ব্যক্তি। সেই ক্ষেত্রে আ’লীগ থেকে যদি তাকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয় তবে একদিকে তিনি যেমন বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন ঠিক অপরদিকে সদর আসন বাসী তাদের উন্নয়ন সঠিক ভাবে বুঝে পাবে।

খলেয়া ইউনিয়ন আ’লীগ নেতা মোজাফ্ফর হসেন বলেন,সদর আসনে আ’লীগের দলীয় এমপি না থাকায় তার অভাবটা আমাদের মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিতেও পড়েছে দীর্ঘ দিন।তাই এবার আমরা রংপুর সদর আসনে রংপুর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড: রেজাউল করিম রাজুকে প্রার্থী চাই।

রসিক এর ২৮ নং ওয়ার্ডের এক প্রবীণ আ’লীগ নেতার সঙ্গে কথা হলে তিনি উত্তর বাংলাকে বলেন, আ’লীগের লোক না থাকলে বাহে উন্নয়ন হয়ে না।যার প্রমাণ হামার (আমাদের) সিটি কর্পোরেশন এ দেখেন।নগরীর কোনো উন্নয়ন এই হওছে (হচ্ছে) না।তাই এবার হামরা সদরোত (সদর আসনে) জেলা আ’লীগের ত্যাগী নেতা রাজু ভাইয়ক এমপি দেখপার (দেখতে) চাই।

এদিকে রংপুর সফরে এসে আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এলজিইডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, অংশগ্রহনমুলক নির্বাচন নিশ্চিত করতেই জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া রংপুর-৩ আসনের উপ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ একক প্রার্থী দিবে। এখানে মহাজোটবদ্ধভাবে নির্বাচন হবে না।

উল্লেখ্য এ্যাড:রেজাউল করিম রাজু আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থা-ভাজন ব্যক্তি। ।ছাত্র জীবনে তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অন্যতম একজন সদস্য ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি রংপুর জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful