Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ :: ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ৩ : ৪৫ অপরাহ্ন
Home / নীলফামারী / শোক দিবস পালনে জলঢাকায় সংঘর্ষ ৫ পুলিশ সহ আহত ২২

শোক দিবস পালনে জলঢাকায় সংঘর্ষ ৫ পুলিশ সহ আহত ২২

বিশেষ প্রতিনিধি॥ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের পাশাপাশি সমাবেশ করাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের বিবদমান দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ইটপাটকেলে ৫ পুলিশ সদস্য সহ উভয় গ্রুপের কমপে ২২ জন আহত হয়েছে। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সার্কেল) রুহুল আমিনের নেতৃত্বে জেলা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে ১৩ রাউন্ট টিয়ালসেল ও ১৩ রাউন্ট রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এই ঘটনার জন্য এলাকাবাসী সহ অনেকেই জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনছার আলী মিন্টুকে দায়ি করেছে। আহতদের মধ্যে রয়েছে নীলফামারী ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নান বিএ, জলঢাকা থানার এসআই মামুনুর রশীদ, একই থানার কনস্টবেল মেহেদী হাসান,রুবেল হোসেন,নাছির উদ্দিন,সাইফুল ইসলাম, পথচারী শাহিনুর রহমান(৪২),দুলাল হোসেন, সাংবাদিক সেফাউল ইসলাম সহ ২২ জন। আহত জলঢাকা থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। অন্যান্যদের স্থানীয় হাসপাতালে ও বিভিন্ন কিনিকে চিকিৎসা চলছে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে দুইটি গ্রুপ পৃথকভাবে ১৫ আগস্ট পালন করে আসছে। জাতীয় শোক দিবসের আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে একটি গ্রুপ পৃথকভাবে শোক র‌্যালী শেষে উপজেলার জিরো পয়েন্টে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন শেষে সেখানে সমাবেশ করছিল।
সেখানে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নলনি বিশ্বাস,সাধারন সম্পাদক শফিকুল গনি স্বপন, আওয়ামী লীগ নেতা একে আজাদ, জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র ইলিয়াস হোসেন বাবলুর বক্তব্যে শেষে বক্তব্য রাখছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুল মান্নান বিএ। মঞ্চে ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা। এমন সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনছার আলীর মিন্টুর নেতৃত্বে শোক র‌্যালী উক্ত সমাবেশ স্থলে এসে বক্তব্যরত আব্দুল মান্নানকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে কিলঘুষি মারতে থাকে। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনছার আলীর হাতে লাঞ্চিত হন সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা। এ সময় হামলাকারীরা সমাবেশের চেয়ার টেবিল ভাঙ্গচুর করতে থাকে। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ হতে থাকে। এ সময় ৫ পুলিশ সহ উভয় গ্রুপের ও পথচারীরা আহত হয়। পরে জেলা শহর হতে পুলিশ গিয়ে রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করে বলেন, বঙ্গবন্ধু চত্বরে জাতির জনকের জীবনী নিয়ে আলোচনা করছিলেন দলের সাবেক উপজেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান বিএ। এ সময় বর্তমান উপজেলা সভাপতি আনসার আলীর মিন্টুর নেতৃত্বে জামায়াত শিবিরসহ লাঠি সোডা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয় আমাদের উপর। তাদের হামলায় পুলিশসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। আমরা এ ঘটনায় মামলা দায়ের করবো।
তবে পাল্টা অভিযোগ করে উপজেলা আঃলীগ সভাপতি আনসার আলী মিন্টু বলেন, আগে থেকে নির্ধারিত দলীয় কর্মসুচীর আলোকে শোক র‌্যালি নিয়ে যখন আমরা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাই ঠিক সে মুহুর্ত্বে সাবেক এমপি মোস্তফা, সাবেক সভাপতি আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে আমাদের উপর অতর্তিক হামলা চালানো হয়।তিনি বলেন, তারা জামায়াত শিবিরকে সাথে নিয়ে আমাদের উপর আক্রমন চালায়। আমি এ ঘটনায় মামলা দায়ের করবো।এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমিন(নীলফামারী সার্কেল) বলেন, দুপরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ইট পাটকেল নিেেপর ফলে আমাদের ৫ পুলিশ সদস্য আহত হন।এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা ১৩ রাউন্ড টিয়ার সেল ও ১৩ রাউন্ড রাবাল বুলেট নিপে করি। এতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful