Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ :: ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ৫ : ৫৬ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পের খরিপ-২ মৌসুমে এলাকা পরিদর্শন পানি সম্পদ সচিবের

তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্পের খরিপ-২ মৌসুমে এলাকা পরিদর্শন পানি সম্পদ সচিবের

ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,নীলফামারী ২৩ আগস্ট॥ উত্তরাঞ্চলের খরাপিড়িত এলাকায় আমন ধান আবাদে দেশের সর্ব বৃহৎ তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের (খরিপ ২) মাধ্যমে ৬৫ হাজার হেক্টর জমি সেচ সুবিধা পাচ্ছে। এতে চলতি আমন মৌসুমে বৃষ্টির অভাবে খরা মোকাবেলায় তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্প কৃষককুলের মাঝে আর্শিবাদে পরিনত হয়েছে।
আজ শুক্রবার তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকা পরিদর্শন করছেন পানি স¤পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব কবির বিন আনোয়ার। পরিদর্শন কালে তিনি সাংবাদিকদের জানান তিস্তা সেচ প্রকল্পের উন্নয়ন ঘিরে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আশা করছি বর্তমান সরকারের সময়েই তিস্তা নদীর পানি চ্যুক্তি হবে। আগামী সেপ্টেম্বরে টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠকের পর চূড়ান্ত পর্যায়ে আমরা উপনীত হতে পারবো। ইতো মধ্যে গত ৮ আগস্ট ভারত-বাংলাদেশের সচির পর্যায়ে বৈঠক শেষ হয়েছে।
পরিদর্শন শেষে তিনি কমান্ড এলাকায় বৃক্ষরোপন কর্মসুচির উদ্ধোধন করেন।
এদিকে তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকা ঘুরে দেখা যায় ৭১০ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার ক্যানেল জুড়ে তিস্তার সেচের পানি। বর্তমানে প্রতিদিন ৩৩ দশমিক ৬৭ কিলোমিটার প্রধান ক্যানেল, ৭৪ দশমিক ৪৩ কিলোমিটার মেজর সেকেন্ডারী সেচ ক্যানেল, ২১৪ দশমিক ৭০ কিলোমিটার সেকেন্ডারী ক্যানেল ও ৩৮৭ দশমিক ৬৫ কিলোমিটার টারশিয়ারী ক্যানেলে ১২ ঘন্টা অন্তর অন্তর ৫ হাজার কিউসেক করে সেচ পাচ্ছে কৃষক।
দুই দফা বন্যার পর হঠাৎ করে বৃষ্টির অভাব এবং কোথাও কোথাও অনাবৃষ্টির কারনে কৃষকরা আমন ধানের চারা রোপন করতে পারছেনা। পাশাপাশি রোপন কৃত আমনের চারা গুলো পানির অভাবে বিনষ্ট হতে বসেছে। সেখানে তিস্তা সেচ প্রকল্পের সেচ পেয়ে মহাখুশী কৃষকরা।
তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্প সুত্র বলছেন অভুতভাবে উজান থেকে পানি আসছে। ব্যারাজ পয়েন্টে পানির উথাল ঢেউ। পানিতে যেমন ভরে উঠছে নদী, তেমনি ৭১০ কিলোমিটার জুড়ে তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের সকল সেচ ক্যানেল পানিতে টুইটুম্বল।তাই রোপা আমন ধান আবাদে দেশের বৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ থেকে স¤পূরক সেচ প্রদান করা হচ্ছে।
উল্লেখ যে এবার শুস্ক মৌসুমে সেচ নির্ভর বোরো আবাদে তিস্তা নদীতে পানি সংকটের কারনে খরিপ ১ মৌসুমে (বোরো) কৃষকরা রেশনিং সিষ্টেমে ৪০ হাজার হেক্টরে সেচ সুবিধা পেয়েছিল। এবার খরিপ ২ মৌসুমে কৃষকরা সেচ সুবিধা পাচ্ছেন ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে।
তিস্তা সেচ ক্যানেল এসওয়ানটি পানি ব্যবস্থাপনা সমিতির সভাপতি আমিনুর রহমান বলেন, প্রচন্ড তাপদহে উত্তরাঞ্চল মরুভুমিতে পরিচয় হতে বসেছে এ সময় তিস্তার সেচ ক্যানেলের পানি কারনে আমন ধানের ব্যাপক সাফল্য বয়ে আনবে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের সম্প্রসারন কর্মকর্তা রাফিউল বারী বলেন, চলতি মৌসুমে তিস্তা সেচ প্রকল্পের আওয়ার ৬৫হাজার হেক্টর জমিতে সেচ প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন সম্পুরক সেচের মাধ্যমে আমন মৌসুমে তিস্তা ব্যারেজ কৃষি অর্থনিতীতে বিশেষ ভুমিকা পালন করছে।
তিস্তা ব্যারাজের পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিবিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ প্রধানত খরিপ ২ মৌসুমের জন্য নির্মিত। অর্থাৎ বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির অভাবে খরা দেখা দিলে কৃষকরা এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেচ পাবেন। যাতে আমন ধান তারা পরিপূর্ণভাবে আবাদ করতে পারেন। বর্তমানে অনাবৃষ্টির কবলে পড়েছে কৃষক। তাই এই মৌসুমে ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ প্রদান করা হচ্ছে। তিনি বলেন তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্প যে এ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য আর্শীবাদ তা খরিপ ২ মৌসুমে কৃষকরা বুঝতে পারছেন।
এ দিকে জানা যায় রংপুর কৃষি অঞ্চলের ৫ জেলায় চলতি মৌসুমে ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৪০৪ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান আবাদের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে বুধবার পর্যন্ত পাঁচ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে আমন চারা রোপন শেষ করেছে কৃষক। পাশাপাশি কৃষককুল আমনের চারা রোপন অব্যাহত রেখেছে।
জেলা ভিত্ত্বিক আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা হলো নীলফামারীতে এক লাখ ২৩ হাজার ৩৭ হেক্টর, রংপুরে এক লাখ ৭৬ হাজার ৭৪১ হেক্টর, লালমনিরহাটে ৯০ হাজার ৪০০ হেক্টর, গাইবান্ধায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৬৭ হেক্টর ও কুড়িগ্রামে ১ লাখ ২২হাজার ১৫৯ হেক্টর।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful