Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ :: ৯ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ৪৭ অপরাহ্ন
Home / বিনোদন / দেব আমার প্রথম ভালোবাসা – শুভশ্রী

দেব আমার প্রথম ভালোবাসা – শুভশ্রী

shuvosriশুভশ্রী! ভারতীয় বাংলা ছবির নির্ভরযোগ্য নায়িকা। হিরো দেবকে জড়িয়ে বাতাসে উড়েছে অনেক গল্প। শেষটায় হয়েছে ছাড়াছাড়ি। এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন অনেক কথা।

প্রশ্ন: শেষ ছবিতে দেখা যাচ্ছে আপনি সুইমিং পুলে শাড়ি পরেছেন?

হ্যাঁ, আনইউজুয়াল হল। সুইমিং পুল মানেই বিকিনি হতে হবে কে বলল? আমি একটু আলাদা ভাবে ভাবতে চেয়েছি এই শ্যুটটা নিয়ে। সেজন্যই লাল শাড়িটা পরলাম। আর এক্সপোজারের কথা উঠলে বলতে হয়, রিজার্ভেশন আছে। বিকিনি পরা নিয়েও রিজার্ভেশন আছে।

মানে বিকিনি পরবেন না কখনও?
ধুর্, সে রকম করে কি বলা যায়? কালকে যশরাজ থেকে ফিল্মের অফার পেলে বিকিনি পরে আমি রাস্তায় ছুটতেও রাজি। তবে হ্যাঁ, বিকিনি টপ নিয়ে আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু সারঙ্গটা মাস্ট। তবে ভবিষ্যতে সারঙ্গটা মাস্ট না-ও হতে পারে।

আপনিও তো জয়েন্ট ফ্যামিলিতে বড় হয়েছেন?
হ্যাঁ, আজও আমরা জয়েন্ট ফ্যামিলি। আমার বাবা বর্ধমানে চাকরি করেন কিন্তু প্রত্যেক উইকএন্ডেই কলকাতায় আসেন। বাবা লাভস্ কলকাতা। কিন্তু আমার মা আসতে চান না। আর জয়েন্ট ফ্যামিলি বলে আমার আর একটা জিনিসও হয়েছে।

কী?
আমার কোনও বন্ধু নেই। এই যে আমার পাশে বসে আছে রিমা। ওই আমার একমাত্র বন্ধু। বাকি আরও জ্যাঠতুতো খুড়তুতো ভাই-বোন আছে আমার। তাদের নিয়েই দিব্যি সময় কেটে যায়।

মানে ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও বন্ধু নেই আপনার?
না, কোনও বন্ধু নেই। আই হ্যাভ নো ফ্রেন্ডস। এখানে বন্ধুত্ব হয় না, সেটা তো ভাল করে জানেন। এটা অন্য জগৎ …এখানে শুধু নিড বেসড্ সম্পর্ক তৈরি হয়।

দেব তো আপনার বন্ধু ছিল?
ছিল… দেব আমার বন্ধু ছিল। হি ওয়াজ মাই ফার্স্ট লাভ। ওকে আমি আনকন্ডিশনালি ভালবেসেছি পাঁচ বছর ধরে। কখনও কখনও মনে হয়, আজও বোধহয় ওকে ভালবাসি।

দেব কলকাতার ছেলে নন, আপনি কলকাতার মেয়ে নন। দু’জনেই কলকাতায় এসে সাকসেসফুল কেরিয়ার তৈরি করেছেন। এই থেকেই কি বন্ডিংটা…
আমার মনে হয় না। আমার ওকে ভাল লেগেছিল। ওর আমাকে। তার পর আমরা দু’টো সুপারহিট ছবি করি। ‘চ্যালেঞ্জ’ এবং ‘পরান যায় জ্বলিয়া রে’। তার পর থেকেই তো বন্ডিং…

কী দেখে দেবের প্রেমে পড়েছিলেন?
দেবের মধ্যে একটা অদ্ভুত ছেলেমানুষি আছে। ও সব সময় খুনসুটি করত, আশেপাশের মানুষজনদের হাসাতো। এই ব্যাপারগুলো দেখেই ওর প্রেমে পড়েছিলাম।

দেব তো আপনাকে নিয়ে সাঙ্ঘাতিক পোজেসিভও ছিলেন।
মেয়ে হিসেবে সেটা কিন্তু আমার অসাধারণ লাগত। আমাকে নিয়ে ও যত পোজেসিভ হত, তত বেশি করে আমি ওর প্রেমে পড়তাম।

এটা কি জানেন, আপনাদের ব্রেক আপের পরেও দেব আপনাকে নিয়ে খুব প্রোটেকটিভ ছিলেন?
…আর ও সব কথা বলে কী হবে?

এটা আমি জানি, দেব কতটা দুঃখ পেয়েছিলেন যখন ওর ব্যাপারে আপনি প্রথম মুখ খোলেন।

কিছুই বলিনি জানেন (নীরবতা)। আমি পাঁচ বছর যা সহ্য করেছি, যা কষ্ট পেয়েছি, তা যদি বলতে শুরু করি শেষ করা যাবে না। নিজের চোখে এমন কিছু অপমানকর দৃশ্য আমি দেখেছি এই পাঁচ বছরে, শুনলে আপনি আমাকে বলবেন, এ সব জেনেও কী করে আমি পাঁচ বছর সম্পর্কটায় রইলাম।

ব্রেক আপটা নিশ্চয়ই খুব কঠিন হয়েছিল?
হ্যাঁ, ইট ওয়াজ ভেরি ভেরি ডিফিকাল্ট। আই লাভড্ হিম, আই স্টিল লাভ হিম। আমি সব সময় ওর ভাল চাই। আমি যে দেবকে চিনতাম সেই মানুষটা কোথায় হারিয়ে গেল! এটা ভেবেই খারাপ লাগে আমার।

তা একদিন হঠাৎ কি নিজেই বেরিয়ে এলেন সম্পর্ক থেকে?
দেব আর পূজা দেখছিলাম আমাকে নিয়ে নানা কথাবার্তা বলছে এ-দিক ও-দিক। সেগুলো যে দিন জানতে পারি, সে দিনই আই ওয়াকড্ আউট।

আপনাদের সম্পর্কটা কি খুব স্মুদ ছিল?
নেভার। আমি সব কিছু জেনেও চুপ করে থাকতাম। আর আমার খালি মনে হত এত ইনসিকিওরিটি নিয়ে আমি বাঁচব কী করে! তার ওপর তখন কাজ ছিল না আমার, ভীষণ খিটখিটে হয়ে গিয়েছিলাম। ভাবতাম এখান থেকে বেরোব কী করে? ভাবতাম যার জন্য এত স্যাক্রিফাইস করছি, সে সত্যি আমাকে ভালবাসে তো! কত রাত যে কেঁদেছি শুয়ে শুয়ে।

আপনি তো এত কেরিয়ার কনশাস ছিলেন না আগে?
না, ছিলাম না তো। আমি সংসার করব, বাড়ির দেখভাল করব, আমি ওই লাইফের সঙ্গে খুব কমফর্টেবল। (মাথা নামিয়ে) কিন্তু আজ ও সব নিয়ে আর ভাবি না। এখন শুধুই কাজ।

‘বস টু’ করছেন তো?

হ্যাঁ, ‘বস টু’ করব জিতদার সঙ্গে। অঞ্জনদার সঙ্গে ‘শেষ বলে কিছু নেই’ চলছে। আরও কয়েকটা দুর্দান্ত অফার আছে। জিৎদার পরের ছবি ‘বচ্চন’য়ে এই প্রথম একটা আইটেম সং করছি। সেটা নিয়ে আমি ভীষণ এক্সাইটেড। আমার ধারণা মানুষ মনে রাখবে ‘বচ্চন’য়ের এই আইটেম সংটা।

অনেকে বলে দেবকে ইরিটেট করতেই নাকি ‘বস’-য়ে আপনি জিতের সঙ্গে অভিনয় করলেন?

না, এ রকম করার মেয়ে আমি নই। আর কেউ জানুক বা না জানুক, দেব জানে এটা।

দেব আর জিৎ দু’জনের মধ্যে তফাতটা কোথায় সেটার বেস্ট জাজ বোধহয় আপনি?
জিৎদা সিনিয়র। প্রচুর ওঠা-পড়া দেখেছে জীবনে, সাকসেসও যেমন দেখেছে, তেমন ফেলিওর-ও দেখেছে। তাই জিৎদাকে খুব সর্টেড লাগে আমার। দেব তো শুধুই সাকসেস দেখেছে। ফেলিওর প্রায় দেখেইনি। এটাই সব চেয়ে বড় ডিফারেন্স।

কালকে যদি কোনও প্রোডিউসর আপনাকে দেবের বিপরীতে কাস্ট করেন, সেই ছবিটা করবেন?

অবশ্যই করব। আর এটা আমি বলতে হয় বলে বলছি না। সেই সময় যদি ফ্লোরে আমার চারটে ছবিও চলে, সেগুলোর ডেট অ্যাডজাস্ট করতে হলে তা-ও করব।
আচ্ছা এই যে ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে থালি গার্ল হলেন, সেই একই মঞ্চে তো দেবও ছিলেন। কোনও অকোয়ার্ডনেস কাজ করেনি?

না একেবারেই না। দেখুন, থালি গার্ল হওয়াটা দারুণ সম্মানের। আমি যে এই দায়িত্বটা পেয়েছি সেটা ভেবেই তখন আমি অভিভূত। আশেপাশে কে ছিল তা এক বারের জন্যও আমাকে বদার করেনি।

এখন দেবের সঙ্গে এক মডেলের অ্যাফেয়ার এ রকম একটা রিউমার শোনা যাচ্ছে…
আমি সব জানি। আই নো এভরিথিং।

জানেন?
ইয়েস, আমি সব জানি। সাউথ আফ্রিকা থেকে যে অনেককে বিবিএম পাঠিয়েছে সেটাও তো পড়েছিলাম। পড়ে একটুও আশ্চর্য হইনি। আরে, পাঁচ বছর ওর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। ও যে এটা করতে পারে আমি জানি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful