Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ :: ১০ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ২ : ৪৮ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / শিক্ষার পরিবেশ নেই বৈরীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

শিক্ষার পরিবেশ নেই বৈরীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

primaryফরহাদুজ্জামান ফারুক, স্টাফ রিপোর্টার: কেউ গাইছে গান, কেউবা গল্প। চলছে হৈ-হুল্লোড়। হাততালি আর হাসাহাসি। অনেকেই করছে ছোটাছুটিও। কেউ বেঞ্চে বসে আর কেউ শুয়ে আছে হাত-পা মেলে। ক্লাশে শিক্ষকও নেই। এমন পরিবেশে বুঝার উপায় নেই সেখানে পরীক্ষা চলছে। এটি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার হলের চিত্র।

বুধবার দুপুরে সরেজমিনে বৈরীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে চোখে পড়ে পরীক্ষার হলের এমন পরিবেশ। দুটো পরীক্ষার হল ঘুরে পাওয়া গেল না কোনো শিক্ষককে। শিক্ষার্থীরা জানালেন বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। কিন্তু ওদের হৈ-হুল্লোড় দেখে মনে হবে না, সেখানে পরীক্ষা হচ্ছে। এমন সময় মঞ্জু আরা বেগম নামে একজন শিক্ষক সেখানে আসলে তার সাথে কথা হয়। তিনি জানান, প্রথম শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। শিক্ষক অপ্রতুলতার কারণে পরীক্ষার হলগুলোতে শিক্ষক নেই। অনেকেই বাইরে গেছেন পিএসসি পরীক্ষার খাতার মূল্যায়ন কাজে।
অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক তাহমিনা খাতুনের রুমে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। জরুরী কাজে সেও বাইরে আছেন বলে জানালেন আরেক শিক্ষক। এসময় তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সংযোগ মেলেনি।

এসময় উপস্থিত তিনজন শিক্ষকের সাথে কথা হলে জানা যায় বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও সমস্যা সম্পর্কে। তারা জানান, চারশ জন শিক্ষার্থীর জন্য সেখানে মাত্র আট শিক্ষক রয়েছেন। যাদের সবাই নারী শিক্ষক। শিক্ষক মঞ্জু আরা বেগম বলেন, শিক্ষার জন্য যে পরিবেশ থাকা দরকার, এখানে তা নেই। নিয়মিত ক্লাশ হয় না। মাঝে মধ্যেই তালা ঝুলানো থাকে। ছাত্রছাত্রীরা এলেও ওরা খেলাধূলা করে চলে যায়। অবকাঠামো কোনো উন্নয়ন হয়নি বলেই এমন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে দাবি করে আরেক শিক্ষক নাম না প্রকাশের শর্তে জানান, এ বিদ্যালয়ের প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো দায়িত্ব নেই। দরজা-জালানা সবই ভাঙ্গা। অনেকবার বলা হলেও কোনো উন্নয়ন হয়নি সেখানে। শিক্ষক অপ্রতুলতার কারণে শিক্ষার্থীর পড়াশুনার সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা ব্যহত হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এদিকে চতুর্থ শ্রেনীর কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষকরা তাদের ঠিক মতো ক্লাশ নেন না। প্রায় সময়ই মাঠে খেলাধূলা করেই বাড়ি ফিরতে হয়। কিছু আগেও অঘোষিতভাবে স্কুলে তালা ঝুলানো ছিলো বলে তারা জানান। এসময় একজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, শিক্ষকরা তাদেরকে দিয়ে প্রায়ই ব্যক্তিগত কাজ করে নেন।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ শাহ্জাহান মিয়া জানান, শিক্ষক সংখ্যা কম হওয়ায় পরীক্ষার হলের প্রত্যাশিত পরিবেশ নেই। তবে এটা প্রতিদিনর চিত্র নয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful