Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ :: ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ১১ : ১৭ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রাঙ্গাকে নিয়ে মন্তব্য করায় রংপুরে ফিরোজ রশীদের কুশপুত্তলিকা দাহ

রাঙ্গাকে নিয়ে মন্তব্য করায় রংপুরে ফিরোজ রশীদের কুশপুত্তলিকা দাহ

 মমিনুল ইসলাম রিপন, ১৪ নভেম্বর২০১৯ রংপুর।
রংপুরে এবার জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদের বক্তব্যে জাপা ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ফুসে উঠেছে। সংসদে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গাকে নিয়ে কুরুচিরকর মন্তব্য করায় রংপুরের জাপা নেতাকর্মীরা কাজী ফিরোজ রশিদকে দল থেকে বহিস্কার চেয়েছেন। তা না হলে রংপুরে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দেয়া হয়। অপরদিকে জাপা মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেছেন ফিরোজ রশীদ সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছে তা শিষ্টাচার বর্হিভূত। এটা করা তার ঠিক হয়নি। বিষয়টি দলীয় ফোরামে তোলা হবে। এদিকে ফিরোজ রশীদের বক্তব্যের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দলীয় কার্যালয়ে মহানগর যুবসংহতির জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তার বহিস্কার দাবি করা হয়। পরে নগরীতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। জাপার বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা নগরীর পায়রা চত্বরে ফিরোজ রশীদের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
জাপার মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, নুর হোসেনকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছিলাম তার জন্য আমি ক্ষমা চেয়েছি। এর পরেও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে কাজী ফিরোজ রশীদ সংসদে যে বক্তব্য দিয়েছে তা দলীয় শিষ্টাচারের বাইরে। কাজী ফিরোজ রশীদ দলকে দুর্বল করার জন্য এটা করেছে। তার এ ধরনের বক্তব্য জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা কখনোই মেনে নিবে না।
জাপার কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর জেলা জাপার সাধারণ সম্পাদক হাজি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, কাজী ফিরোজ রশীদ দলের মহাসচিবকে অপমান করেননি। তিনি জাতীয় পার্টির প্রতিটি নেতাকর্মীকে অপমান করেছেন। আমরা এর প্রতিবাদে জরুরী সভা ডেকেছি। ফিরোজ রশীদকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তার বহিস্কার দাবি করছি।
রংপুর মহা যুবসংহতির আহবায়ক শহিন হোসেন জাকির বলেন,কাজী ফিরোজ রশিদ যুবলীগ থেকে বহিস্কার হয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেছেন। ১৯৮৬ সালে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টুঙ্গীপাড়ায় যেতে বাধা দিয়েছিলেন এই ফিরোজ। ১৯৯১ সালে নির্বাচন করে ৮৮৮ ভোট পেয়েছিলেন তিনি। ২০০১ সালে জাপার চেয়ারম্যানের সাথে বেঈমানী করে নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাথে চলে গিয়েছিল। ২০০৭ সালের দিকে ফেরদৌস আলম কোরেঈশীসহ পিডিপি নামক নতুন দল গঠনের চেষ্টা করেছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে রওশন এরশাদের বিরোধীতা করেছিলেন। রওশন ম্যাডাম যখন তাকে এমপি হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। ঠিক তখনেই রওশন এরশাদের পন্থি হয়ে গেলেন ফিরোজ রশিদ। গত বছর জাতীয় পার্টির সমাবেশে জিএম কাদেরকে বক্তব্য দিতে বাধা প্রদান করেছিলেন তিনি। এখন আবার কৌশলে জিএম কাদের কাছের লোক হিসেবে নিজেকে জাহির করছেন। তিনি আরো বলে দলের মহাসচিব হওয়ার লোভে নিজ দলের মহা-সচিবের বিরুদ্ধে সংসদে দাড়িয়ে সমালোচনা করে তিনি জাতীয় পার্টিকে অপমান করেছে। মহাসচিব হওয়ার দিবাস্বপ্নে দলের মহাসচিবকে অপমান করার আমরা তার বহিস্কার দাবি করছি।
জেলা জাপার তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক আসাদুজ্জামান বলেন, কাজী ফিরোজ রশীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলীর বাড়ী দখলের অভিযোগ রয়েছে। ওই বাড়ীতে তিনি ভাড়া ছিলেন। ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন তার বিরুদ্ধে কানাডার সাবেক হাই কমিশনার মোহাম্মদ আলীর জমি জালিয়াতির জন্য মামলা করেন। তিনি ১৯৭৯ সালে জমির জাল দলিল তৈরি করেছিলেন। ২০১৭ সালে তিনি দুদকের বিরুদ্ধে রিট করলে তা হাইকোট বিভাগ খারিজ করে দেয়। এখন দলের মহাসচিবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে দলকে দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। এটা কোন ভাবেই মেনে নিবেনা জাপা নেতাকর্মীরা। আমারা তার বহিস্কার দাবি করছি।
উল্লেখ সম্প্রতি রাঙ্গা নুর হোসেনকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য কারায় গত মঙ্গলবার সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে ফিরোজ রশীদ রাঙ্গা প্রসঙ্গে বলেন,“একটি কথা আছে- বান্দরকে লাই দিলে গাছে ওঠে। এই লাই আমরা দিইনি। এই লাই এই সংসদই দিয়েছে। আমি যতদিন রাজনীতি করি ততদিন ওর (রাঙ্গার) বয়সও না। ও এই ধৃষ্টতা দেখায় কিভাবে, এই দুঃসাহস কিভাবে পেল”। ফিরোজ রশীদের এ ধরণের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে রংপুরের জাপা নেতাকর্মীরা। তার খুব দ্রæব কাজী ফিরোজ রশীদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful