Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ :: ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ১০ : ৫৭ পুর্বাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের সহায়তায় বিএনসিসি-রোভার: ‘প্রশংসা আছে, সম্মানী নেই’

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছুদের সহায়তায় বিএনসিসি-রোভার: ‘প্রশংসা আছে, সম্মানী নেই’

বেরোবি সংবাদদাতা: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে রবিবার (১০ নভেম্বর) থেকে। পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে নির্দিষ্ট পোশাকধারী শিক্ষার্থীদের দুইটি গ্রুপ। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে ভর্তিচ্ছুদের পরীক্ষা কেন্দ্রের দিক নির্দেশনা দেয়া, কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হলে তাৎক্ষনিক মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া, প্রবেশপত্র বা রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হলে তা দায়িত্বরত শিক্ষকের মাধ্যমে সমাধান করতে ভর্তিচ্ছুদেরকে সার্বক্ষনিক সেবা দিচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার শুরু থেকেই ভর্তিচ্ছু এবং অবিভাবকদেরকে সহায়তা করার এই মহান দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) ও রোভার স্কাউটের সদস্যরা। তারা প্রতিদিনি সকাল ৭ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রায় ১০ ঘন্টা করে সময় দেন ভর্তিচ্ছুদের সহায়তায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী মহলে তাদের এই কাজ ব্যাপকভাবে প্রশংসীত হলেও তারা কোন ধরনের সম্মানী পান না। দিনব্যাপী মহান এই দায়িত্ব পালন করার পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের পক্ষ থেকে নূন্যতম কোন সম্মানী না পাওয়ায় এক ধরনের হতাশা বিরাজ করছে তাঁদের মাঝে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন জাতীয় দিবস, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও ভর্তি পরীক্ষাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের আভ্যন্তরিন অনেক অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে থাকেন বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের সদস্যরা। এসব দিবস উপলক্ষে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসিসি ও রোভার স্কাউটের সদস্যদের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা থাকলেও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র ভিন্ন। অভিযোগ আছে যে, গত ১০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হলে তাদেরকে মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া এবং ভর্তি করানোর ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত টাকা ব্যয় করতে হয়েছে বিএনসিসি-রোভার সদস্যদেরকে।

দায়িত্বপালনরত বিএনসিসি-রোভার স্কাউটের সদস্যরা অভিযোগ করেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের কারণে সম্মানী প্রদান করা হয়। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের সম্মানী দেয়া হয় না। গত বছর ভর্তি পরীক্ষার সময় উপাচার্য স্যার প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন এবছর সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে। কিন্তু এবছরও সেরকম কোন উদ্যোগ আমাদের চোখে পড়ছেনা।

বিএনসিসি বেরোবি ইউনিটের পিইউও (ভারপ্রাপ্ত) ফায়সাল-ই- আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় আইন (২০০৯) অনুযায়ী বিএনসিসির সদস্যদের সম্মানী দেয়ার নিয়ম নেই। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসিসি যাত্রা শুরু করার বেশীদিন হয়নি। আমি মনে করি তাদের জন্য সম্মানীর ব্যবস্থা করা দরকার। এ বিষয়ে উপাচার্য স্যার যথেষ্ট আন্তরিক রয়েছেন । আশা করছি খুব শিঘ্রই সম্মানীর ব্যবস্থা করা হবে।

এ বিষয়ে রোভার স্কাউটের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. মো. রশীদুল ইসলাম বলেন, রোভার স্কাউটের সদস্যরা ভর্তিচ্ছুদের যে সেবা দিয়ে যাচ্ছে এতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সবাই মুগ্ধ। সামনে মিটিং সম্মানীর বিষয়টি উত্থাপন করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful