Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৪ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ০১ পুর্বাহ্ন
Home / রংপুর / রংপুরে পুনাক মেলায় উপচে পড়া ভীড়

রংপুরে পুনাক মেলায় উপচে পড়া ভীড়

 সেলিনা খাতুন: আম্মু স্লিপারে উঠবো বলেই থমকে দাঁড়ালো শিশুটি। বাবা-মা দুজনই কয়েকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলেন ছেলের বায়নার কাছে। অবশেষে ছেলের চাওয়া পূরণ করতে হলো তাদের। স্লিপারে বেজায় ভীড়।এর পরেও ছেলের আবদারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ১০০ টাকায় টিকিট কেটে স্লিপারে উঠে শীশু আদ্রীতা ও সুবহার আনন্দে লাফালাফি ও উলটো ডীগবাজী। এভাবে প্রতিদিনই মেলায় আসা শিশু-কিশোরদের বায়না পূরণ করতে হচ্ছে মা-বাবাদের।

রংপুরে পুলিশ লাইন মাঠে পুলিশ নাড়ী কল্যান সমিতীর আয়জনে বাণিজ্য মেলায় তরুন,তরুনী ও সচেতন অভিভাবকদের পাশাপাশি শিশুদের মন কাড়ার জন্য রয়েছে মন কাড়া রাইডস যেমন জুজু ট্রেন,দোয়েল পাখির ন্যায় ট্রেন, প্লেন, উড়ন্ত,বক্সার বেলুন,স্পীডবোটসহ বিশের অধীক রাইডস সহ বেশ কয়েক ধরনের খেলনা সামগ্রী। চোখের সামনে পড়লেই শিশুরা তাতে ওঠার বায়না ধরছে। শুরু হয় চেঁচামেচি আর হৈ-হুলোড়। তাদের হৈ-হুলোড়ে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ।

অন্যদিকে দোকানিরাও নানা রকম খেলনার পসরা সাজিয়ে বসেছে মেলায়। আবার মাঠের মধ্যে শিশুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হকাররা উড়াচ্ছে ববলিন,কিশোরদের জন্য রয়েছে শীকার নিশ্চিত করতে রাইফেল ফায়ার। কেউ আবার পুনাকের স্টলে প্রীয়জনের জন্য পছন্দের পোশাক কিনতে ভীড় জমাচ্ছেন।অনেকে প্যাভিলিয়ন সহ নিজের অফিসের ডিজাইন করতে মেলা মাঠে প্রকৌশলীর সরনাপন্ন হচ্ছেন।

মার্কেন্টাইল কো অপারেটিভ ব্যাঙ্কের(ক্যাশিয়ার) ম্যাডাম মেলায় এসেছেন তার ছয় বছরের শীশু পুত্র ও ছোট বোনকে নিয়ে। পুনাকের স্টল পার হয়ে যাওয়ার সময় ছেলের চোখে পড়ে স্পীডবোট। দেখেই গোঁ ধরে সেখানে ওঠাতেই হবে তাকে। পরে লাইনে দাঁড়িয়ে ১০০ টাকায় টিকিট কেটে শীশু পুত্রের চাহিদা পূরণ করেন তিনি।

মেলা মাঠের পশ্চিম দিকে নাগরদোলা যখন চক্কর দিচ্ছিল তখন এতে ওঠা সবাই একসঙ্গে চিৎকার করে আনন্দে মেতে ওঠে। আবার যখন থামানো হয় তখন কিছু একটা পাওয়ার আনন্দে খুশিতে ভরে ওঠে সকলে।
পাশেই রয়েছে কার্টুন আকৃতীর ট্রেন। ৩০ টাকায় টিকিট কেটে অভিভাবকরা শিশুদের ট্রেনে তুলে দিতেই তাদের চোখ-মুখ আনন্দে ভরে ওঠে।
শিশু-কিশোরদের বিনোদনের এ স্থান টি রংপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র পুলিশ লাইন মাঠ । মাস ব্যাপী পুনাক শীত বস্ত্র মেলার দিতীয় শুক্রবার ছিল ছুটির দিন । সেকারনে মেলা মাঠে ছোট বড় সব বয়সি মানুষের ভীড়ে জমে উঠেছে নির্মল আনন্দের এ মেলা। রংপুর মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন জানান,রংপুর চিড়িয়াখানা ছাড়া বিনোদনের জায়গা নেই বললেই চলে।এক প্রশ্নের উত্তরে জনাব মুরাদ বলেন এ মাঠের আশেপাশে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই শিক্ষা কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করছেনা এ মেলা বরং শিক্ষার্থীদের জন্য মেলাটি শিক্ষণীয় হয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। সরকারী চাকুরীজীবি শাহীন,তিনি বলেন ছুটি ছাড়া তেমন অবসর পাই না। তাই মেলা উপলক্ষে আদ্রিতা অদিতিকে নিয়ে এসেছি। এখানে তারা অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে আনন্দ করছে। দেখে বেশ ভালো লাগছে।ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান রংপুর জেলা পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন করে বলেন,পুলিশ সদস্যরা এক জায়গায় বসে না থেকে মাঠে টহল দিলে বখাটে ছেলেদের উথপাত কমবে বলে তার বিশ্বাস।মেলা প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত খোলা থাকে। মেলায় আগত দর্শনার্থীদের নীরাপত্তার জন্য সাদা পোশাকেও নিয়জীত রয়েছে পুলিশ।
নিউজ নেটওয়ার্ক ফেলো ।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful