Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০ :: ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ০৬ পুর্বাহ্ন
Home / দিনাজপুর / দেশের সর্বনিম্ম তাপমাত্র দিনাজপুরে; শীতে বিপর্যস্ত উত্তরের জনপদ

দেশের সর্বনিম্ম তাপমাত্র দিনাজপুরে; শীতে বিপর্যস্ত উত্তরের জনপদ

শাহ্ আলম শাহী,স্টাফ রিপোর্টার,দিনাজপুর থেকেঃ হিমেল হাওয়া আর ভয়াবহ শীতে কাঁপছে দিনাজপুরসহ উত্তরের জনপদ। বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে ছিন্নমুল-হতদরিদ্র মানুষের অবস্থা চরম শোচনীয়। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন তারা। দিনাজপুরে আজ শনিবার দেশের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।বাতাসের আদ্রতা ৯০ শতাংশ। ভূগৌলিক কারণে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত সীমান্ত জেলা দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের কয়েক জেলায় এবার প্রকোপ আকার ধারণ করেছে শীত। তীব্র শীতে নাকাল জনজীবন। জবুথবু অবস্থা।
দিনে মেঘলুপ্ত সূর্যের লুকোচুরি আর রাতে ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইছে হিমেল হাওয়া। ঋতু বৈচিত্যের এই খেলা বেশ কিছুদিন ধরেই দেখছে উত্তরাঞ্চলের মানুষ।গত এক সপ্তাহের বেশী সময় ধরে কুয়াশার পাশাপাশি মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বইছে দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলে। নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বেরোচ্ছে না কেউ। প্রচন্ড শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন ।ঘন কুয়াশার কারনে দিনের মধ্যেও দিনাজপুরের বিভিন্ন মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করেছে যানবাহন।শীতে রেল লাইন ও বস্তি এলাকার ’মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। সবচেয়ে বেশী প্রভাব পড়েছে বৃদ্ধ ও শিশুদের মধ্যে। হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘন কুয়াশা ও টানা শৈত্যপ্রবাহ এ শীতের তীব্রতা বাড়িয়েছে ভয়াবহ। ছন্দপতন হয়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। শীত বস্ত্রের অভাবে সব থেকে বেশি কষ্টে আছে ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া মানুষগুলো। একইসাথে দেখা দিয়েছে শীতজনিত নানা রোগ। ডায়রিয়া,আমাশয়সহ নানা শীতজনিত রোগে কাহিল হয়ে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। দেখা দিয়েছে, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও হাঁপানি। দিনাজপুর জেলা সার্জন ডা. আব্দুল কুদ্দুস জানিয়েছেন,যে সকল শিশু ও বৃদ্ধ মানুষ শ্বাসকষ্টজনিত এবং ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের চিকিৎসা চলছে। জেলার ১৩ উপজেলার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও সদর হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ রয়েছে। সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
অপরদিকে ঘন কুয়াশা আর শৈত্য প্রবহের কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কৃষকের আলু ক্ষেত ও বোরো ধানের বীজতলাসহ বিভিন্ন শীতকালীন শাকসব্জি। বোরো ধানের বীজতলা হলুদ বর্ণ হয়ে মরে যাচ্ছে। আলুর খেতে দেখা দিয়েছে লেটব্রাইটসহ বিভিন্ন রোগ।এ ব্যাপারে জেলা কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ ত্যেহিদুল ইকবাল জানান,বোরো বীজতলা রক্ষা ও রোপনে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।
দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মো.মাহমুদুল আলম জানান,শীতের প্রকোপ থেকে জেলার মানুষকে রক্ষার জন্য জেলা প্রশাসন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে জেলায় বেশকিছু শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আরো ৮০হাজার পিস শীতবস্ত্র বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থপনা মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful