Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০ :: ২০ আষাঢ় ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ৫৩ পুর্বাহ্ন
Home / জাতীয় / এবার আসছে গণকারফিউ ও স্বেচ্ছায় কারাবরণ কর্মসূচী

এবার আসছে গণকারফিউ ও স্বেচ্ছায় কারাবরণ কর্মসূচী

18 dolডেস্ক: নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ, নির্বাচনের তফসিল প্রত্যাখ্যান করে অবরোধ কর্মসূচি দিয়ে আসছে ১৮ দলীয় জোট। এবার লাগাতার আন্দোলনের দিকে যাচ্ছে বিরোধী জোট। আগামী দিনে আন্দোলনে লাগাতার অবরোধ কর্মসূচির পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের দেশব্যাপী স্বেচ্ছায় কারাবরণ, গণকারফিউ এবং আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীদের রাজপথে অংশগ্রহণ জোরদার করা হবে।

এ ধরনের শক্ত কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির একাধিক সূত্র বলেন, হরতাল, অবরোধ চলছে, চলবে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত  এই কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে রাজপথে থাকবে ১৮ দলীয় জোট। তার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ৭২ ঘন্টার অবরোধ কর্মসূচি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়িয়ে ১৩ই ডিসেম্বর পর্যন্ত করেছে ১৮ দল।

সূত্র জানায়, একদিকে সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে বিরোধী দলীয় আন্দোলন দমনে মরিয়া হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় সরকার পতনের আন্দোলন কে চূড়ান্ত আন্দোলনে রূপদানে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট আলোচনার পাশাপাশি রাজপথে সমাধানের দিকেই বেশি অগ্রসর হতে মনোনিবেশ করেছে।

জানা যায়, সরকার পতনের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীরা দেশের জনসাধারণের কাছে তাদের পক্ষে আন্দোলনে সম্পৃক্ত হতে যুক্তি উপস্থাপন করবেন।

এদিকে সরকার হরতাল-অবরোধে নাশকতার দায়ে অনেক শীর্ষ নেতাকর্মীর নামে মামলা দায়ের করেছেন। অনেকেই গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে রয়েছেন। তবে আত্মগোপনে থাকা এসব নেতারা আগামী ১৩ ডিসেম্বর প্রকাশ্যে রাজপথে নামছেন। কেননা বর্তমান নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী ওইদিন মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানের ৭২ ঘণ্টার অবরোধ  আপাতত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাড়ানোর ব্যাপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ১৮ দলীয় জোট। পরবর্তীতে অবস্থা বুঝে শনিবার থেকে সপ্তাহব্যাপী টানা অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হতে পারে। রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে বড় ধরনের উন্নতি বা সমঝোতার কাছাকাছি গেলেই শুধু অবরোধ প্রত্যাহার বা স্থগিত রাখা হতে পারে বলেও জানা যায়।

সরকার বিএনপির দাবি মেনে না নিলে অবরোধ কর্মসূচি শেষে কি ধরনের কর্মসূচি আসবে? এই প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এক নেতা বলেন, হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি চলছে। সরকার দাবি না মানা পর্যন্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলন চলবে।

তিনি আরো বলেন, এক ভয়াবহ জটিল এবং কঠিন সঙ্কটে পড়েছে দেশ। সঙ্কটটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই। আর এটা অপ্রত্যাশিত তো নয়ই বরং এতকাল ধরে এই সঙ্কটের পূর্বাভাষ দিয়ে আসছিল সবাই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তা অগ্রাহ্য করেছেন। এই সঙ্কটটি যে সামগ্রিকভাবে দেশকে বিপন্ন, বিপর্যস্ত করেছে তাই নয়, খোদ প্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীনরাও এই সঙ্কট এবং জটিলতার মধ্যে পড়েছেন। কারণ একদিকে সব রাজনৈতিক দল, অন্যদিকে একা এবং এককভাবে দাঁড়িয়ে আছেন তারা।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারটি ভেঙে দেয়ার সময় সবাই সতর্ক করে দিয়েছিল ভবিষ্যতের বিপদটি সম্পর্কে। পরেও বার বার বলা হচ্ছিল, দেশের ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ তত্ত্বাবধায়ক বা নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা চায়।

মাত্র কয়েকদিন আগ পর্যন্ত ও প্রধানমন্ত্রী এবং তার সরকার এবং দলের সবাই একযোগে বলছিলেন, কেউ না এলেও নির্বাচন হবেই। এখন বরং উল্টো কথাটি শোনা যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রীসহ অনেকেই বলছেন যে, বিরোধী দল না এলে নির্বাচনটি গ্রহণযোগ্য হবে না।

১৮ দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, জাতিসংঘের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকোর সঙ্গে বিএনপির চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে যদি চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসন না হয় তাহলে সরকার পতনে হরতাল, অবরোধসহ লাগাতার কর্মসূচির আন্দোলনকে আরো তীব্র থেকে তীব্রতর করা হবে।

এদিকে বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় পার্টির প্রধান এরশাদের  কথার মধ্যদিয়ে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, বিএনপিসহ বিরোধী পক্ষকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে ভারতের কোনো আপত্তি নেই। সুজাতা সিং সমস্ত কূটনৈতিক শিষ্টাচার ভঙ্গ করে বিভিন্ন দলের কাছে আহবান জানালেন যাতে তারা এই নির্বাচনটিতে অংশ নেওয়ার জন্য।

কিন্তু মূল কথা হচ্ছে এবং বিদ্যমান সঙ্কটটির আসল জায়গাটি হচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা মানবেন কিনা? এখানে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, প্রধানমন্ত্রী একক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী। তিনি এখন কোন পথ গ্রহণ করবেন তা তার ওপরেই নির্ভর করে।

প্রধানমন্ত্রীর অনড় এবং অটল থাকা আগে তার ‘ইগো’র বিষয় ছিল। এখন বিষয়টি যতোটা না ইগো’র কারণে তার চেয়েও বেশি সামগ্রিক পরিস্থিতি চিন্তা করে দুশ্চিন্তা থেকে। কারণ আর পুরো পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্তমানের মূল সঙ্কটটি হচ্ছে এখানে অর্থাৎ নির্বাচনটি কার অধীনে হবে? আর তারানকোকে সে বিষয়টির নিষ্পত্তি করতে হবে। আর যদি নিষ্পত্তি না হয় তাহলে শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রশ্নটি আসবে। রফিক মৃধা, ঢাকারিপোর্ট

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful