Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৬ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৩০ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / মন্তব্য প্রতিবেদন: অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধারা; জাতির জন্য লজ্জাজনক

মন্তব্য প্রতিবেদন: অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধারা; জাতির জন্য লজ্জাজনক

মুরাদ মাহমুদ, সিইও, উত্তরবাংলা ডটকম
আজ ১৬ ডিসেম্বর। বিজয়ের ৪১ বছরে পা রাখলো বাংলাদেশ। বিজয়ের আজকের এই দিনে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান কে। আমরা বিনম্র চিত্তে স্মরণ করছি ৩০ লক্ষ শহিদদের এবং ২ লক্ষ মা বোন কে। যাদের রক্ত আর সম্ভ্রমের বিনিময় আজ আমরা লাল সবুজ পতাকার নিচে স্বগর্ভে দাড়িয়ে আছি। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল আজ প্রতিটি বাঙ্গালীর ঘরে ঘরে। ১৯৭১ সালের এই দিনে প্রায় ২ যুগের পাক দুঃশাসনের অবসান হয়।
স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। বাঙ্গালী জাতি হিসাবে আমরা গর্ভিত। বাংলাদেশ কে পাক শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে যারা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছে সেই বীর সন্তানেরা আজও অবহেলিত। অসংখ্য  মানবেতর জীবন যাপন করছে। আধুনিক মিডিয়ার বদৌলতে মুক্তিযোদ্ধাদের করুণ জীবন কাহিনী আমরা সবাই জানতে পারছি। মুক্তিযোদ্ধাদের করুন জীবন কাহিনী দেখে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের মাথা নত হয়ে যায়। স্বাভাবিক ভাবেই আজ প্রশ্ন জাগে, যারা আমাদের দেশের জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তাদের কি দিতে পেরেছে এই দেশ ? শুধু মাত্র সার্টিফিকেট দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের কর্মমূল্যায়ণ সম্ভব নয়।

ডিসেম্বর মাস আসলেই আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের কদর করতে শুরু করি। এর পর আর কেও তাদের খবর নেয় না। ’৭১ সালে যারা পাকিস্তানের দোসর হিসেবে কাজ করে বাঙ্গালীদের উপর বর্বর নির্যাতন চালিয়েছে তাদের গাড়িতে যখন বাংলাদেশের পতাকা উড়ে, রাষ্ট্রীয় প্রটোকল নিয়ে যখন তারা রাস্তায় বীর দর্পে চলাফেরা করে তখন সেই দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ভালো কিছু আশা করা যায় না।

দেশের প্রধানমন্ত্রী যখন মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় ভুয়া নাম ঢুকে যাবার আশংকা প্রকাশ করে তখন তা উড়িয়ে দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই। আর আমাদের দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সবই সম্ভব। যে দেশে সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে ইতিহাস পরিবর্তন হয়, যে দেশে মুক্তিযুদ্ধের সুফল ভোগ করে দেশদ্রোহীরা সে দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব নয়।
যশোরের ৭০ বছর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের কে যদি দু’ বেলা খাবারের জন্য এখনও রিক্সার প্যাডেল মারতে হয়। রংপুরের সুইপার কলোনির পাশের বস্তিতে বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক কে যদি এক মুঠো ভাতের জন্য অন্যের আশায় চেয়ে থাকতে হয় তাহলে জাতি হিসেবে আমাদের মাথা-নত করা ছাড়া আর কিই বা করার আছে। শুধু আবু তাহের কিংবা আব্দুর রাজ্জাক নয় দেশে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা আজও যুদ্ধ করছে শুধু মাত্র দু’ বেলা খাবারের অন্বেষণে। যুদ্ধ করতেই যেন এদের জন্ম হয়েছে। ৭১ সালে যুদ্ধ করেছে দেশ মাতৃকাকে মুক্ত করার জন্য আর এখন যুদ্ধ করছে দারিদ্রতার বিরুদ্ধে। ১৬ কোটি বাংলাদেশীর পক্ষ থেকে সেলুট তোমাদের।
১৯৭১ সালে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মানুষ মাতৃভূমি শক্র মুক্ত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আ’লীগ কে মানুষ মুক্তি যুদ্ধের সপক্ষের দল হিসেবেই জানে তাই তাদের প্রতি মুক্তিযোদ্ধা তথা দেশবাসীর চাওয়া একটাই, কোন ভাবেই যেন যুদ্ধাপরাধীরা পার পেয়ে না যায়। বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দেখে যেতে পারলে অন্তত তাদের আত্না শান্তি পাবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful