Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০ :: ৭ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১ : ৩০ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / নীলফামারীতে ঈদের কেনাকাটায় স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ

নীলফামারীতে ঈদের কেনাকাটায় স্বাস্থ্যবিধি মানছে না কেউ

নীলফামারী প্রতিনিধি: জেলা শহরের বিপণী বিতান গুলোতে ঈদের কেনা বেচার সময় সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি মানছে না কেউ। ব্যবসীয়দের হ্যান্ড সেনিটাইজার ও হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা কথা থাকলেও সে ব্যাপারে নেই কোন পদক্ষেপ। তার উপর ভিড় ঠেলাঠেলি করে চলছে ঈদ মার্কেট।
আজ সরেজমিনে রবিবার (১৭ মে) দুপুরে শহরের বিভিন্ন বাজার (মার্কেট) ঘুরে দেখা যায়, দোকান গুলোয় রয়েছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। স্বাস্থ্য বিধি মেনে দোকানের সামনে টাঙ্গানোর কথা ছিল, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন, এই সতর্কতাবানী।তবে তা মানছে না ব্যবসায়ীরাও। মালিক ও কর্মচারীদের মুখেও নেই মাস্ক, হাতে নেই গেøাভস। নিয়ম নীতির (স্বাস্থ বিধি) তোয়াক্কা করছে না কেউ।
নীলফামারী বড় বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী ও লিয়ন কোথ স্টোরের মালিক বেলাল হোসেন জানান, মাস্ক পড়ে কথা বললে গ্রাহকরা কথা শুনতে পায় না। তাই তিনি মাস্ক পড়েননি। লোক দেখানো বোতলে জীবাণু মুক্ত পানি রেখেছে, তবে সেই পানীর নেই কোন ব্যবহার। জিজ্ঞেস করলে বলেন, খরিদ্দার চলে গেলে পানি ছিটানো হবে।
ঈদের কেনাকাটায় প্রচুর মানুষের আনাগোনা লক্ষ্য করা গেছে ওই বাজারে। বিশেষ করে জুতা, স্যান্ডেল ও কাপড়ের দোকানে নারী পুরুষের ছিল উপচে পড়া ভিড়। মাস্ক বিহীন শিশুরাও রয়েছে অভিভাবকদের সাথে। গাদাগাদি করে পছন্দের পণ্য কিনছেন তারা। সরকারী নিয়ম অমান্য করে দোকানের মালিক কর্মচারীরা অনায়সে ব্যবসা করে যাচ্ছে। এ ছাড়াও সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার কথা থাকলেও অনেকেই মানছে না সেই নিয়ম।
বড় বাজারের কাপড় ব্যবসায়ী ও স্বৃতি গার্মেন্টসের মালিক মকবুল হোসেন জানান, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে সব ব্যবস্থা করে রেখেছি। কিন্ত ক্রেতারা এসব নিয়ম মানছে না। আবার তাদের কিছু বললে ক্ষুব্ধ হয়ে দোকান ছেড়ে চলেও যায়। বেচা কেনার সার্থে ক্রেতাদের বেশী কিছু বলতেও পারছি না।
একই বাজারের ফাতেমা গার্মেন্টস এন্ড কোথ স্টোরের সামনে কথা হয় কুন্দুপুকুর ইউনিয়নের মধ্য শালহাটি গ্রামের হোটেল ব্যবসায়ী গোলাম রব্বানীর সাথে তিনি জানান, সরকার করোনা প্রতিরোধে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে ব্যবসায়ীরা তা মানছে না। দোকানের সামনে সতর্কতা মূলক নেই পোস্টার, নেই জীবাণু মুক্ত পানির বোতল। এ ছাড়াও সামাজিক দূরত্বের নেই কোন প্রচারনা। এতে লোকজন বাজারে সংক্রমিত হয়ে বাড়ীসহ পাড়া মহল্লায় করোনা সংক্রমন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জেলা সদরের রামনগর ইউনিয়নের চড়চড়াবাড়ী গ্রামের লুৎফর রহমান (৫০) পরিবারের ছেলে মেয়ের জন্য কাপড় কেনতে এসে জানান, ভাবতে পারিনি দোকানে করোনা পরিস্থিতে এতো লোকের ভীড় হবে। অনেক চেষ্টা করে ফাঁকা জায়গায় দাঁড়িয়ে দুইটি জামা কিনলাম। আরো কিছু কেনার বাকি । করোনা ভাইরাসের কথা ভেবে বাড়ী চলে যাচ্ছি। চোখে যেটা দেখলাম সামাজিক দূরত্ব মানছে না কেউ। অনেকের মুখে মাস্কও নেই। স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারী বাড়ানোর প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
এদিকে দেখা যায়, নীলফামারী শহরের মার্কেটগুলোতে পৌর মেয়র স্ব শরীরে ছুটে গিয়ে হ্যান্ড মাইকে সচেতনতার জন্য প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া সরকারী ভাবে মাইকিং চলছে।
পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ বলেন , কয়েক দিন আগে ঈদ ঘিরে শহরের ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করণের আশ্বাসের প্রেেিত ব্যবসায়ীক কার্যক্রম পরিচালনায় সিদ্ধান্ত নেন তারা। সকাল দশটা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত দোকান পাট খোলা রাখা। নিয়ম না মানলেপ্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয় সভায়।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. এলিনা আকতার জানান, স্বাস্থ্য বিধি মেনে ব্যবসায়ীদের কেনাবেচা করা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্রেতা বিক্রেতা উভয় গেøাভস ও মাস্ক পরিধান করে প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে পারবেন। তবে অনিয়মের অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।#

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful