Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০ :: ৩১ আষাঢ় ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ৩৩ পুর্বাহ্ন
Home / দিনাজপুর / দিনাজপুরে করোনা পরিস্থিতিতেও ঘরে ধান তুলতে ব্যস্ত কৃষক

দিনাজপুরে করোনা পরিস্থিতিতেও ঘরে ধান তুলতে ব্যস্ত কৃষক

শাহ্ আলম শাহী,স্টাফ রিপোর্টার,দিনাজপুর থেকেঃ উত্তরের শস্যভাণ্ডার দিনাজপুরে এবার বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সেচ সুবিধা পাওয়ায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষক বোরো’র ভালো ফলন পেয়েছেন। তাই,করোনার প্রতিকুল পরিস্থিতেও কৃষক ঘরে ধান তোলা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। ধানের ন্যায্য মূল্য পেলে কৃষক করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে, ইতোমধ্যে খাদ্য বিভাগ অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকের কাছে ধান কেনা শুরু করেছে। সরকারের সংগ্রহ অভিযানে প্রকৃত ভাবে কৃষকরা ধান দিতে পারলে উপকৃত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন,কৃষি বিভাগ।

কৃষক-কৃষাণী ধান কাটছেন,বাহুকায় বেঁধে,কাঁধে চেপে নিয়ে যাচ্ছেন উঠোনে। করোনার প্রতিকুল পরিস্থিতেও সমান তালে চলছে, ধান কাটা, ধান মাড়াই ও ঝাড়ার উৎসব। দিনাজপুরে এবার এক লাখ ৭১ হাজার ৩’শ ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও চাষ হয়েছে আরও বেশী জমিতে। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সেচ সুবিধা পাওয়ায় এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষক এবার বোরো’র ভালো ফলন পেয়েছেন। রাষ্ট্রীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত বিরল পুরিয়া গ্রামের কৃষক মো.মতিউর রহমান এবার ধানের ভালো ফলন পেয়েছেন তারা। কৃষক ধানের ভালো দাম পেলে আগামীতে ধান চাষে আগ্রহ বাড়বে বলে তার দাবী।

এদিকে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ দিনাজপুর জেলায়-এক হাজার ৬’শ ৮৮টি গভীর নলকূপের মাধ্যমে ৬৮ হাজার ২’শ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষে সেচ সহায়তা দিয়েছে। প্রাণঘাতী করোনা পরিস্থিতিতেও কর্তৃপক্ষ প্রতিনিয়ত গভীর নলকূপ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ করে কৃষকদের সেচ সুবিধা সচল রেখেছে বলে জানিয়েছেন,দিনাজপুর বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ-বিএমডিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাবিবুর রহমান খান। তিনি জানান, তাদের সহায়তায় সেচ সুবিধা নিশ্চিত হওয়ায় কৃষক বোরোর ভালো ফলন পেয়েছেন।।ধান ঘরে তুলতে পেরে আনন্দিত কৃষক। তবে, সদর উপজেলার ঝাঞ্জিরা গ্রামের কৃষক দবিরুল উসলাম জানিয়েছেন,ধানের ন্যায্য মূল্য পেলে করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন তারা।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে,দিগন্ত বিস্তৃত জুড়ে এখন পাকা ধানের সমারোহ। শ্রমিক সংকট হলেও করোনাভাইরাসের কারণে কৃষক পরিবার নিজেই দূরত্ব বজায় রেখে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ করছেন। কেউ কেউ আবার কম্বাইন হারভেষ্টার দিয়ে যান্ত্রিক পদ্ধতিকে ধান কাটা ও মাড়াই এর কাজ করছেন।

এ বিষয়ে কৃষককে সহায়তা ও মাঠ পর্যায়ে সরজমিনে পরামর্শ দিচ্ছে, বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কৃষি বিভাগ বলে জানিয়েছেন,দিনাজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো, তৌহিদুল ইকবাল। ইতোমধ্যে খাদ্য বিভাগ অ্যাপের মাধ্যমে কৃষকের কাছে ধান কেনা শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন,দিনাজপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আশরাফুল আলম।

দিনাজপুর সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো.রেজাউল ইসলাম জানিয়েছেন,সদর উপজেলার এবার ২ হাজার ৪’শ ৯ মেট্রিক টন বোরো ধান কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় করা হবে। আর এ ধান ক্রয় শুরু হয়েছে। সংগ্রহ অভিযান চলবে,৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় সেচ সুবিধা পাওয়ায় এবার এ অঞ্চলে বোরোর ভালো ফলন পেয়েছেন কৃষক। করোনার এই প্রতিকুল পরিবেশেও কৃষক ঘরে ধান তুলছেন। কৃষক যদি এ ধানের ভালো দাম পায়,তবে করোনা পরিস্থিতির ক্ষতি তারা পুষিয়ে নিতে পারবেন, এমনটাই মনে করছেন,সংশ্লিষ্টরা।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful