Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০ :: ৩১ আষাঢ় ১৪২৭ :: সময়- ২ : ৫৮ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / দিনাজপুরের হিলিস্থল বন্দরে রেলপথে ১৭০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী

দিনাজপুরের হিলিস্থল বন্দরে রেলপথে ১৭০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানী

শাহ্ আলম শাহী,স্টাফ রিপোর্টার,দিনাজপুর থেকে: করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ও ভারতে অব্যাহত লক-ডাউনের কারণে সড়কপথে আমদানী-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দিনাজপুরের হিলিস্থল বন্দরে রেলপথে এসেছে,এক হাজার ৭০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ।
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা বন্দর দিয়ে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি হলো তৃতীয় দফায় ৪২টি ওয়াগনে (মালগাড়ি) এই পেঁয়াজ। শনিবার দর্শনা থেকে পণ্যবাহী ট্রেনটি হিলি রেল স্টেশনে আসে। হিলি রেল স্টেশনে পণ্যবাহী মাল ট্রেনটি আসার পর দুপুর ২টার দিকে পণ্য খালাস শুরু হয়।
ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতের মহারাষ্ট্র ও নাসিক থেকে পেঁয়াজ বোঝাই করে ট্রেনটি হিলি রেল স্টেশনে আসতে সময় লেগেছে ১১ দিন। ভারতে লক-ডাউনের কারণে আড়াই মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে হিলি স্থল বন্দরের আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দরের সব কার্যক্রম। এর ফলে বেকার হয়ে বসেছিলেন ব্যবসায়ীরা। বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তারা রেলযোগে পেঁয়াজ আমদানির জন্য প্রায় ১৬ থেকে ১৭ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের এলসি লাগান। সেই এলসির মাল পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশে আসছে।
এদিকে গত এক সপ্তাহের মধ্যে ট্রেন-যোগে হিলিতে চার হাজার ৯০০ মেট্রিক টন পেয়াজ আমদানি হলো। এখনো ১০ থেকে ১২টি ট্রেন রয়েছে দেশে প্রবেশের অপেক্ষায়। ওয়াগনে করে আমদানি হওয়ায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১২ থেকে ১৫ টাকা কমেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২১ টাকা দরে। আমদানির আগে পতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে।
এদিকে আড়াই মাস বন্ধ থাকার পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শনিবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হওয়ার কথা থাকলেও ভারত অভ্যন্তরে স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় পুরোপুরি ব্যবস্থা না থাকায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করা যায়নি। স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থা পুরোপুরি হলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের অনুমতি দেবে ভারতের প্রশাসন। এর ফলে আরও কয়েকদিন বন্ধ থাকতে পারে বন্দরের কার্যক্রম।
অন্যদিকে এর আগে দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রবেশ করেছে পেঁয়াজ ভর্তি ৪২টি ওয়াগনবিশিষ্ট একটি ট্রেন। লক-ডাউনের ফলে আমদানী বন্ধ থাকার পর ভারত থেকে পেঁয়াজ আসায় বাংলাদেশে সংকট কাটিয়ে বাজারে পেঁয়াজের মূল্য সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশ ও ভারতে লক-ডাউন থাকায় বন্ধ হয়ে যায় দু’দেশের আমদানী-রফতানি কার্যক্রম। ফলে অনিশ্চয়তায় পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য। এই ক্ষতির পরিমাণ কমাতে উভয় দেশেই গত ৪ মে সড়ক পথের পরিবর্তে শুধুমাত্র রেলপথের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রবেশ করেছে পেঁয়াজবাহী একটি ট্রেন। লক-ডাউন পরিস্থিতির মধ্যেও রেলপথে এই পেঁয়াজ আমদানী হওয়ায় দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সচল হওয়ার পাশাপাশি বাজারেও পেঁয়াজের সংকট দুর হবে মনে করছেন কাস্টমস বিভাগের এই কর্মকর্তা।
বিরল স্থলবন্দর দিয়ে সি এন্ড এফ এজেন্ট ঢাকা লজিস্টিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারত থেকে এই পেঁয়াজ আমদানী করেছে বগুড়ার আমদানীকারক রায়হান ট্রেডার্স। প্রতিটন ১৬৫ ডলার এলসি মূল্যে ভারত থেকে একদিনেই ১ হাজার ৬’শ টন পেঁয়াজ আমদানী হওয়ায় বাজারে পেঁয়াজের দাম কমবে বলে জানান,সিএন্ডএফ এজেন্টের প্রতিনিধি।
পেঁয়াজবাহী ওয়াগন আনার জন্য বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি ইঞ্জিন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাধিকাপুর স্টেশনে যায় বাংলাদেশের একটি ইঞ্জিন। এরপর সেখান থেকে পেঁয়াজ ভর্তি ৪২ টি ওয়াগন নিয়ে বিকেল ৫টায় দিনাজপুরের বিরল রেলস্টেশনে প্রবেশ করে এই ট্রেনটি।
বিরল স্থলবন্দর দিয়ে এই প্রথম ভারত থেকে আমদানী হলো পেয়াজ। এর ফলে দু-দেশের আমদানী-রফতানি কার্যক্রম সচল হওয়ার পাশাপাশি রেলওয়ে বিভাগ এবং সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে বলে জানালেন বিরল স্থলবন্দরের রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার। রেলপথে এই বন্দর দিয়ে প্রথম পেঁয়াজ আমদানী হওয়ায় দিনটিকে স্মরণীয় হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
করোনা ভাইরাসের এই বৈশ্বিক মহামারীতে যেখানে সারা বিশ্বের ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। সে সময় রেলপথে দু’দেশের মধ্যে আমদানী-রফতানি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় এই স্থবিরতা কাটিয়ে দু’দেশের মধ্যে আবার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে, এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful