Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০ :: ৩১ আষাঢ় ১৪২৭ :: সময়- ১ : ২৮ অপরাহ্ন
Home / ইতিহাস ও ঐতিহ্য / আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস

আজ ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস

 ডেস্ক: আজ ৭ জুন। ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস। বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য একটি দিন। ১৯৬৬ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। এদিনটি বাংলার স্বাধিকার আন্দোলনকে স্পষ্টত নতুন পর্যায়ে উন্নীত করে।

আর এ ৬ দফার মধ্য দিয়েই বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন-স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়। ৬ দফা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১১ দফা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সর্বশেষ বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়।

প্রতিবছর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হলেও করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জনসমাগম পরিহার করতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এ বছর দিবসটি উদযাপন করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি দিবসটি উপলক্ষে অনলাইন আলোচনাসভা ছাড়াও তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। এতে অংশ নিতে আগ্রহীদের আজ বিকাল ৩টার মধ্যে নিবন্ধন করতে হবে। আর সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অনলাইনে একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশ নিতে আগ্রহীদের য়ঁরু.সঁলরন১০০.মড়া.নফ ওয়েব লিংকের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে।

কুইজ প্রতিযোগিতায় ১০০ বিজয়ীকে পুরস্কার দেওয়া হবে। প্রথম পুরস্কার ৩ লাখ টাকা, দ্বিতীয় পুরস্কার ২ লাখ, তৃতীয় পুরস্কার ১ লাখ, চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার, পঞ্চম পুরস্কার ২৫ হাজার এবং বিশেষ পুরস্কার ৯৫টি প্রতিটি ৫ হাজার টাকা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনলাইন আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করবেন। এতে দেশবরেণ্য লেখক, সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী অংশ নেবেন।

আওয়ামী লীগ প্রতিবছর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৬ দফা দিবস পালন করে থাকে। তবে এখন করোনার কারণে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে সব ধরনের জনসমাগমপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিহার করে আসছে দলটি। এরই ধারাবাহিকতায় দেশবাসীকে ঐতিহাসিক ৭ জুনের সব বীর শহীদ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ এবং বাঙালি জাতির স্বাধীনতা, মুক্তি, গণতন্ত্র ও প্রগতি প্রতিষ্ঠায় আত্মদানকারী শহীদ সন্তানদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে পরম করুণাময়ের কাছে এ দিনটিতে প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

৬ দফাভিত্তিক ১১ দফা ছিল ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের দাবিনামা। সর্বোপরি ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ববাংলার জনগণ আওয়ামী লীগ তথা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মনোনীত প্রার্থীদের একচেটিয়া রায় দেয় বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে।

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করার পরও পশ্চিম পাকিস্তানিরা যখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমড়ি শুরু করল, তখনই ঐতিহাসিক ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ভাষণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণেও ৬ দফার প্রতিটি দফার পর্যালোচনা ছিল। পরবর্তী সময় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মুজিবনগর সরকার বিভিন্ন সেক্টরের মাধ্যমে যুদ্ধ পরিচালনা করার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে সব সরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হয়েছিল ৬ দফার ভিত্তিতে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাদের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার খবরে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা দাবি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশের তরুণ প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ৬ দফা কেবল বাঙালি জাতির মুক্তিসনদ নয়, সারাবিশ্বের নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তি আন্দোলনের অনুপ্রেরণারও উৎস। বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফা অন্যতম মাইলফলক।

বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি তার সে স্বপ্ন পূরণে তথা সুখীসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ জুনের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণ করব। তিনি বলেন, আমাদের দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। ইনশাআল্লাহ, ২০২১ সালের আগেই বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে হবে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ। ৭ জুনের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে বিনির্মাণ করব জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful