Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট, ২০২০ :: ২২ শ্রাবণ ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৫৩ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপরে

তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপরে

নীলফামারী প্রতিনিধি॥ ভারী বৃস্টিপাত ও উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তার চরাঞ্চলের বন্যা দেখা দিয়েছে। ফলে তিস্তা এলাকায় সেচ্ছাশ্রমের বাঁধগুলি ক্ষতির মুখে দাড়িয়েছে।
নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পুর্বাভাস সর্তকীকরন কেন্দ্র জানায়, আজ শুক্রবার(২৬ জুন/২০২০) সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার (বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার(২৫ জুন/২০২০) সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলে আজ শুক্রবার ভোর রাত পর থেকে তা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। গত ৪৮ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ২৪০ মিলিলিটার।
টানা দুই দিনের বৃষ্টির ফলে তিস্তার আশেপাশে আমন ধানের বীজতলার পাশাপাশি চল অঞ্চলে বাদামের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যার কারনে বিভিন্ন পুকুরের মাছের বের হওয়ার ফলে মৎস্য চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
উজানের ঢল সামাল দিতে খুলে রাখা হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট। এদিকে তিস্তার বন্যায় বসতঘরে হাটু পানি তলিয়ে রয়েছে। তিস্তার চরাঞ্চলের ১০হাজার পরিবার ইতিমধ্যে পানিবন্দি হয়েছে মর্মে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানগন দাবী করেন।
ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা জানায়, তিস্তার বন্যায় ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশ চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী, জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি, গোলমুন্ডা, শৌলমারী, কৈমারীসহ ১০ ইউনিয়নের তিস্তা অববাহিকার ১৫টি চর ও গ্রাম তিস্তার বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। ওই সকল এলাকায় বসবাসকারীদের নিরপদে উঁচু স্থানে সরে গিয়েছে। তিস্তার চরাঞ্চলের বাদাম ক্ষেত ও আমন ধানের বীজতলা হাটু থেকে কোমড় পানিতে তলিয়ে রয়েছে। টানা বৃষ্টিপাতের কারনে জেলার অধিকাংশ নিচু এলাকায় বন্যা দেয়া দিয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা তিস্তা নদীর অববাহিকায় বসবাসকৃত মানুষজনের উপর নজরদারি করছি। এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের নজরদারী বাড়াতে বলা হয়েছে। তিনি জানান, নীলফামারীর তিস্তা অববাহিকায় সরকারীভাবে প্রায় ১২ নৌকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যখন যার প্রয়োজনে সেই নৌকাগুলো বন্যাকবলিত পরিবারকে সহায়তা করা হবে। তিনি সরকারী ত্রানের বিষয়ে জানান পর্যাপ্ত খাদ্য সামগ্রী মজুদ রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী বিতরন করা হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful