Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ১৫ অপরাহ্ন
Home / নীলফামারী / নীলফামারীর জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতিবাদ সভা

নীলফামারীর জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতিবাদ সভা

বিশেষ প্রতিনিধি॥ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে বিশেষ সীল মোহর ব্যাবহার করে চাঁদাবাজীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই অভিযোগে আজ সোমবার(১৯ অক্টোবর/২০২০) বিকাল ৪টা পর্যন্ত ব্যানার হাতে কার্যালয়ের সামনে দাড়িয়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সভায় অভিনব কায়দায় দলিল প্রতি দুই হাজার টাকা করে চাঁদা আদায়সহ গ্রাহক হয়রানীর অভিযোগ করা হয়।প্রতিবাদ সভাটির আয়োজন করেন দলিল লেখক আনিছুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমানসহ ভুক্তভোগী কয়েকজন দলিল লেখক।
দলিল লেখক আনিছুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ‘দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আহমেদ হোসেন ভেন্ডার ও সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন সরকার জমি ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকারের নির্ধারিত ফি এর বাহিরে দলিল প্রতি অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করছেন। ওই চাঁদা না দিলে দলিল সম্পাদন করা হয় না।’
তিনি বলেন, প্রতিটি দলিলে দুই হাজার টাকা করে চাঁদা আদায় করে ওই সীল দেওয়া হয়। দলিলের পেছনে বিশেষ ওই সীল মোহর না থাকলে ওই দলিল সম্পাদন করা হয় না।’
আনিছুর রহমান আরো বলেন, আমি গত ১২ অক্টোবর চাঁদা না দিয়ে একটি দলিল নিয়ে সাব- রেজিস্ট্রারের কামরায় গেলে বিশেষ সীল না থাকায় আমার দলিল খানা ছিনিয়ে নিয়ে ছিড়ে ফেলা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে আমাকে সভাপতি ও সম্পাদকের নেতৃত্বে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় আমি সভাপতি-সম্পাদকসহ ৮ জনকে আসামী করে ওই দিনই জলঢাকা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। কিন্তু অদ্যাবধি পুলিশ কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান প্রতিবাদ সভায় বলেন, ‘ এই কার্যালয়ে প্রতিদিন গড়ে ৫০ খানা দলিল সম্পাদন হয়। দলিল লেখক সমিতির নামে অবৈধভাবে প্রতি মাসে ৪০ থেকে ৫০ লাখ টাকা গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। এটা বন্ধ করতে হবে।’
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে কয়েকজন ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা হলে অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তারা। এবং সম্পাদন হওয়া দলিলের পেছনে ওই বিশেষ সীল দেখা যায়।
দলিল লেখক ঝড়িয়া চন্দ্র রায় বলেন, ‘দলিল প্রতি অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা ছাড়াও আরও এক হাজার ৩ শ টাকা সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ের সহকারীর হাতে দিতে হয়। না দিলে দলিল সম্পাদন হয় না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জলঢাকা সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আহমেদ হোসেন ভেন্ডার অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে বলেন, “দলিল লেখক সমিতির নামে কোনো চাঁদা বা অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয় না।’ দলিলের পেছনে বিশেষ সীল ব্যবহার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা আমাদের ঐক্যের সীল। আমরা দলিল লেখকরা ঐক্যবদ্ধ আছি সেটাই প্রমান করে ওই সীল।”
আনিছুর রহমানের করা অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজার রহমান বলেন, “আনিছুর রহমানের অভিযোগ পেয়েছি, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”
এবিষয়ে কথা বললে, জলঢাকা সাব রেজিস্ট্রার মনীষা রায় বলেন, “অতিরিক্ত টাকা নেয়ার বিষয়ে কোনো গ্রাহক আমার কাছে এখনও অভিযোগ করেননি। তার টেবিলে থাকা দলিলগুলোর পেছনে বিশেষ সীল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো কিসের সীল আমার জানা নেই। আপনারা দলিল লেখক বা ভেন্ডারদের সাথে কথা বললে তারা বলতে পারবেন। দলিলে এ ধরণের বিশেষ সীল মোহর ব্যবহার করা যাবে কি না, এ বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, আমার জানা নেই। এর আগে তিনি ওই সীল মোহরটি লক্ষ্য করেননি বলেও জানান।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful