Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট, ২০১৯ :: ৮ ভাদ্র ১৪২৬ :: সময়- ১২ : ৫৫ পুর্বাহ্ন
Home / খোলা কলাম / ফেসবুক প্রতিক্রিয়া: ‘এই লড়াইয়ে জনগণের কোন লাভ নাই’

ফেসবুক প্রতিক্রিয়া: ‘এই লড়াইয়ে জনগণের কোন লাভ নাই’

fbবিরোধী দল মার্চ ফর ডেমোক্রেসি কর্মসূচী বাস্তবায়নের যেমন চেষ্টা করছে, তেমনি কর্মসূচী প্রতিরোধে মাঠে নেমেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঢাকাকে কার্যত দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে। একদিকে নির্বাচনী তফসিল বাতিল ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিরোধী দলের টানা হরতাল-অবরোধ কর্মসূচীর পরে মার্চ ফর ডেমোক্রেসি, অপরদিকে তা প্রতিহতে ক্ষমতাসীনদের আপ্রাণ চেষ্টা নিয়ে তরুণ ও বুদ্ধিজীবী সমাজ ফেসবুকে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর এমন আচরণের প্রেক্ষিতে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে রাষ্ট্রজনদের প্রতিক্রিয়া সংকলন নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন- ফেসবুক প্রতিক্রিয়া:‘এই লড়াইয়ে জনগণের কোন লাভ নাই’

Isteaque Ahmed

খালেদা জিয়াকে আমি কখনও গোলাপী বেগম বা অন্য কোনও উপমায় অসন্মান করার চেষ্টা করিনি।
একজন নেত্রী খালেদা জিয়া যদি আমার অপছন্দের হন, সেটা তার কর্মে। এমন কর্ম শেখ হাসিনারও আছে ভূরি ভূরি ।
দল হিসেবে কেউ ভালো নয় বলে আমাদের বেছে নিতে হচ্ছে, দুই খারাপের মধ্যে যে আমার সঙ্গে যায়। আওয়ামীলীগ, বিএনপির চেয়ে কোনও অংশেই কম খারাপ দল না, শুধু মুক্তিযুদ্ধের জায়গাটা ধরে রাখতে পারাটা আমার সঙ্গে যাচ্ছে এখন। সেটা যদি মূলাও হয়, আমি তার পেছনে হাঁটবো। সেই মূলা নিয়ে বিএনপি কেন আসতে পারেনা? এই ব্যর্থতা তাদেরই।
আমি আওয়ামীলীগের লোক না। সেটা নই বলে, আজ খালেদা জিয়াকে আটকে রাখার স্বৈরতান্ত্রিক সিদ্ধান্তে আমি হতাশ হয়েছি। হতাশ হয়েছি সুপ্রীম কোর্টের গেট ভেঙ্গে আওয়ামীলীগের লোকজনের তান্ডবে। তবে আমাকে মোটেও স্পর্শ করেনি খালেদা জিয়ার ক্ষোভ। কারন, তিনি শুধু বাড়ীতে অবরুদ্ধ। আমরা পুরো দেশে। এই ক্ষোভ নিয়ে প্রতিদিন আমরাও বের হই। পার্থক্য, আমাদের ক্ষোভ নেত্রীর কাছে পৌঁছে না। তারটা আসে।
তিনি রেগে জেলার নাম পাল্টে দিতে চেয়েছেন, কারন সেই জেলার মানুষ তার আপন না। আরও মানুষেরও তো রাগ হয়, পেট্রোলে পোড়া মুখগুলোও তো ভাবে এই দেশের মানুষগুলো তার আপন না। তাদের কী পাল্টে দিতে ইচ্ছে হয় শুনতে চেয়েছেন?
আওয়ামীলীগের একগুঁয়েমীতে আমার কোনও সমর্থন নেই। পাঁচ বছরে মানুষকে তুমুল অগ্রাহ্যের কী পরিনাম এখন টের পাচ্ছে এই দল। মাটি আঁকড়ে ধরে বাঁচতে হচ্ছে।
তবে ওই একটাই বিষয়, মুক্তিযুদ্ধের ঋণ শোধ করার চেষ্টা আছে তাদের। সেই চেষ্টা আমি শ্রদ্ধা করি।
আজ যারা বলে, মানুষ বাঁচে না, যুদ্ধাপরাধীর বিচার হয়। এই ছাগলগুলোর প্রতি আমার করুণা হয়। একাত্তরেও সেই মানুষগুলোও এটা ভাবতে পারতো। ট্রেনিং নিয়ে কলকাতায় পালিয়ে জীবন রক্ষা হয়তো হতো নূর মোহাম্মদ, জাহাঙ্গীর, আবদুর রউফদের। অথবা পাকিস্তানেই বিলাসী জীবন নিয়ে বেঁচে থাকতে পারতো মতিউর রহমান।
আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি বলেই এসব কথা বলি। আবার কিছু কৃতজ্ঞতা আছে বলেই জাগরণে গিয়ে দাঁড়াই।
আজ আমাদের কিছুই নাই। শুধু মুক্তিযুদ্ধের গৌরবটুকু ছাড়া। তাই আর কিছুর সঙ্গে না পারি, সেই গৌরবের সঙ্গেই বাঁচতে চাই।
কারণ, নিজেকে দল নিরপেক্ষ দাবী করলেও, চেতনা নিরপেক্ষ মানুষ আমি না…

Nishom Sarkar

একটা ছবি দেখলাম একটু আগে। রিপোস্ট দেয়ার মতো রুচি হয় নাই। এক ছেলে জাতীয় পতাকা হাতে তার লিঙ্গ ইঙ্গিত করছে, এবং অতীব মারমুখি ভঙ্গীতে। আজকে সারাদিনে অনেক মানুষের কাছে দালাল ট্যাগ খাওয়া সত্ত্বেও নিজের স্ট্যান্ডে নিজেকে অটল রাখার চেষ্টা করে গেছি। কিন্তু এইরকম এক-দুইটা ছাত্রলীগ কর্মীর “জানোয়ার সুলভ” কর্মে মনে প্রশ্ন জাগে –
এরাই কি জামায়েত-শিবির-রাজাকারদেরকে সুযোগ করে দিচ্ছে না? সরকারি দলের সর্বপ্রকার সুযোগ সুবিধা গ্রহন করা পুর্বক এইসব জন্তুসুলভ কর্মকান্ড করে দলকে, দলের ভাবমুর্তিকে মাটিতে মুখ থুবড়ে ফেলবার জন্য, এই জন্তুদের কি করা দরকার?
দাবি একটাই, রাজাকারের ফাঁসি চাই। কিন্তু, এইসব জন্তুদেরকে সহযোদ্ধা হিসেবে আমার চিন্তা করতেও লজ্জা লাগে। হাসিনা আপা, আপনার চোখে যদি পরে থাকে, ব্যবস্থা নেন। আপনার নেতাদেরকে বলেন ব্যবস্থা নিতে। জাতীয় পতাকা অবমাননা – এই কেসেই যেনো ব্যবস্থা নেয়া হয়, যাতে দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয় নিজের ঘর থেকেই। এইসব সহ্য হয় না।

Paplu Bangali

বর্তমান সময়ে কিছু তরুণকে অনলাইন দেখে আমার শ্রদ্ধা বাড়ে কয়েক জন ন্যাংটা আদর্শহীন সেলিব্রেটি বাদে। আমার রাজনৈতিক আদর্শ আর তাদের রাজনৈতিক আদর্শের ভিন্নতা থাকলেও তাদের রেসপেক্টের অনেক কারন থাকে। তারা মনে প্রাণে জামাত শিবির নিষিদ্ধ চান, চান সকল রাজাকারের না হলেও মনে প্রাণে যুদ্ধাপরাধের বিচার চান। সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ করেন-আমিও করি। অধিকাংশই আওয়ামী রাজনীতির সমর্থক। আমার আশ্চর্য লাগে সাংগঠনিকভাবে তাদের কোন পদ নেই। সরাসরি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততাও নেই। কোন নেতা তাদের ভালো করে চেনেন বলেও মনে হয় না। তারপরও তারা নৌকাবাজী করে যান। সরকারের পজিটিভ কাজ তুলে ধরেন। কিন্তু ইদানিং আমার মতিভ্রম হচ্ছে। চরমভাবে আমি তাদের আচরণে হতাশ। আওয়ামী বলেন বিএনপি মূল নেতারা দলের যেকোন কর্মসূচির যেমন ন্যাংটা সমর্থন করেন এবং অগণতান্ত্রিক হোক, অমানবিক হোক কিংবা দেশ বিরুদ্ধ। ঠিক সেই নেতাদের মতই এই তরুণদের আমি অনলাইনে দেখতে পাই।
হাইকোর্টে একজন নারীকে হেফাজতের নেতাকর্মীদের মত লাত্তিসহ লাটিপেটা করা হল। এই ভয়ংকর কাজটা কিভাবে সম্ভব হল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দ্বারা?
পাপিয়াকে যেমন পাপিয়া পাণ্ডে বলতে আমি নারাজ তেমনি দীপু মনিকে মনিকা পাণ্ডে বলতেও নারাজ। রাজনীতিতে সমালোচনা থাকবে-থাকবে বিরুদ্ধতা। কিন্তু রাজনীতি ছেড়ে যদি টয়লেট করতে যান তাইলেই সমস্যা। টয়লেটে গেলে যেমন নিজের কাপড় খুলতে হয়। ঠিক তেমনি রাজনীতিতে অন্যকে ন্যাংটা করা মানে নিজেও চেক করে নেওয়া উচিৎ নিজের কাপড় আস্তো আছে নাকি?
যত পারেন কাজের সমালোচনা করেন। কাজ দিয়েই মূল্যায়ন হবে। কিরকম দেশ আপনি দিতে পারবেন? আপনারা বুদ্ধিমান সাধারণ জনগণকে নেতাদের বিছানার খবর দেন কিন্তু অফিসের খবর দিচ্ছেন না। সহজ হিসেব নিজেই ধরা খেয়ে যাবেন।
তবে রাজাকারদের জন্য এই থিউরি শীতল নয়।

Golam Hossain Habib

গদি নিয়ে এই কামড়া-কামড়ি — অরুচিকর ভীষণ! আর কিছু বলার নেই!

Foring Camelia

গতবার হেফাজত কে সমাবেশ করতে দেবার ফলাফল দেখেছি। সরকার যান চলাচল বন্ধ করেছে , চেক পোষ্ট বসিয়েছে , বাইকে ডাবলিং করা আপাতত নিষিদ্ধ করেছে এসব মানছি কিন্তু গণ গ্রেফতার কেন ? কয় জন অপরাধী আর কয় জন নিরপরাধ এই হিসাব কেউ করছে না । অতি উৎসাহী ধান্দাবাজ পুলিশ গ্রেফতার করলেই টাকা খসাতে পারবে তাই তাদের নীতি বলে যে কিছু নাই সেটা তো আগেই প্রমাণিত, এখানে পুলিশের কাজের তদারক করা গুরুত্বপূর্ণ । ভাল করে লক্ষ্য রাখুন যেন এক জন নিরপরাধও না ফাঁসে । এক জন মানে কিন্তু একটা পুরো পরিবার এটা খেয়াল রাখবেন ।
আর দলীয় কর্মীরা যখন রাস্তায় মহিলা আইনজীবী কে পেটায় সেটা অবশ্যই সমর্থন যোগ্য না , হেফাজত যা করেছিল সেই একই কাজ লীগ করলে হেফাজতের সাথে পার্থক্য থাকল কই? বিশ্বজিত হত্যার বিচার হয়েছে, তাই আশা করছি এই ঘৃণ্য হামলারও দ্রুত বিচার হবে । দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল ।
সব শেষে ছাত্রদল ইডেনের ছাত্রী পিটিয়েছিল, মতিয়ার চৌধুরীর প্রতি হামলা হয়েছিল বলে এটা কে কালচার মানলে চরম ভুল হবে । তার চেয়ে আপনারা সুন্দর দৃষ্টান্ত রেখে মানুষ কে আস্থাশীল করুন ।
ভাল ব্যবহার করলে মান কমে না, বাড়ে; তাই কঠোর হোন কিন্তু ভদ্রতা ভুলে যাবেন না।

Arifuzzaman Tuhin

বাংলার গণতন্ত্র কত ভয়ঙ্কর!
আওয়ামী লীগের কমীরা মন্দের ভাল বিএনপি থেকে-এটা কালচারালি বামপন্থিরা নারিশ করেন। এ কারণে আ.লীগকে অনেকে মন্দের ভাল বলেন। আজ মন্দের ভাল তত্ত্ব ভেঙ্গে পড়ছে। যে নারীটিকে তারা পিটাচ্ছে-এরকম কোন নারীর গর্ভেই তাদের জন্ম হয়েছে। নারীটি বিএনপি করে এ তার অপরাধ। তাহলে এটা আ.লীগের কমীদের মনে রাখতে হবে-এভাবেই তারা পিটুনি খাবে আ.লীগ করার অপরাধে। শুধু সিনটি চেঞ্জ হয়ে যাবে। ক্যাপশানটাও। আপসোস। ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না। আ.লীগের মতিয়া চৌধুরী যখন মার খেয়েছিলেন তা থেকে বিএনপি যেমন নেয়নি-এ থেকেও আ.লীগ নিবে না।
তিনি বিএনপি সমর্থন করেন। আ.লীগতো সমর্থন করে দেশের ৪০ শতাংশের এর উপরে মানুষ। তাহলে বিরোধী দলে থাকলে মার খেতে হবে আর সরকারি দল দিবে মার। এই হল গণতন্ত্র। এই গণতন্ত্রের জন্য আমরা কান্না কাটি করি!!
ভয়ঙ্কর এ দৃশ্য এপির ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। বিবিসি সারা পৃথিবীকে দেখিয়েছে।
সারা পৃথিবী দেখছে-বাংলাদেশের গণতন্ত্র।
দেখ সালারা বাংলার গণতন্ত্র কত ভয়ঙ্কর!

Ashif Entaz Rabi

এটা একটা নির্লজ্জ ক্ষমতার লড়াই।
কেউ ধর্মকে ”ব্যবহার” করছেন। কেউ চেতনাকে।
কেউ গণতন্ত্রের নামে, কেউ সংবিধানের নামে।
কেউ এ টিমে, কেউ বি টিমে …
এই নির্ভেজাল, ভয়ংকর রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে জনগণের কোনো কল্যাণ নেই।
এই লড়াইয়ে যেই জিতুক জনগণের কোনো লাভও নেই।
এই লড়াইয়ে জনগণের কপালে আছে ভোগান্তি, অবিরাম দুর্ভোগ।
এই লড়াইয়ের শেষেও জনগণের কপালে আছে অধিকতর ভোগান্তি এবং দুর্ভোগ।

Zobaer Al Mahmud

শিক্ষকদের জন্য আলাদা করে কিছু বলার নাই, এইদেশে এখন শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, নারী, শিশু সবাই লাঞ্ছিত, অপমানিত হবেন, আহত হবেন, …
আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশ যদি বিরোধী দলের আন্দোলনে যান তাদের সেই আন্দোলন করতে বাধা দেয়ার দায়িত্ব কেন ছাত্রলীগ-যুবলীগের সদস্যদের দেয়া হবে? কেন ছাত্রলীগ-যুবলীগের সদস্যরা শিক্ষকদের ওপর চড়াও হবে? যে কোন শিক্ষকের অধিকার আছে যে কোন কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার। ছাত্রলীগ পাল্টা কর্মসূচি দিতেই পারে, কিন্তু ৪ জন শিক্ষককে আহত করার অধিকার তাদের কে দিয়েছে?
একজন মহিলা আইনজীবিকে পুলিশের সামনেই যেভাবে ৪ জন ক্যাডার পিটিয়ে আহত করল তা চরম লজ্জার, প্রগতিশীল নারীবাদীরা কি বলেন? এতে নারী অধিকার কতটুকু রক্ষিত হোল? নাকি এখন নারীবাদীরা চুপ থাকবেন……
সমাজ কোন পর্যায়ে গেলে নারী, শিক্ষক, আইনজীবীদের মার খেতে হয় লাঠিয়াল ক্যাডারদের হাতে!
খালেদা জিয়ার বিশেষ জেলার প্রতি ( গোপালগঞ্জ) আক্রোশ অগণতান্ত্রিক ও বিদ্বেষপ্রসূত। গোপালগঞ্জের পুলিশের বাড়াবাড়ির জন্য ঐ জেলার প্রতি বিদ্বেষ নিন্দনীয়!

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful