Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ০০ অপরাহ্ন
Home / ইতিহাস ও ঐতিহ্য / রংপুরের উল্লেখযোগ্য জমিদার বংশসমূহ

রংপুরের উল্লেখযোগ্য জমিদার বংশসমূহ

রিয়াদ আনোয়ার শুভ, বিশেষ প্রতিনিধি

তথ্যসূত্র: জেলা তথ্য বাতায়ন, রংপুর।

tajhatরংপুরের উল্লেখযোগ্য জমিদার বংশসমূহ (১৬০৬-১৯৫০ খ্রি.)

জমিদার বংশের নাম

উৎপত্তি

বর্ণ

স্থায়ী বাসিন্দা/অনাবাসিক

জমিদারির ধরন

মন্তব্য

১. কুন্ডি

রাঢ়ীয়

ব্রাহ্মন

স্থায়ী বাসিন্দা

মোগল জায়গীরদারি

সুবেদার মানসিংহের পুরোহিত শঙ্কর মুখোপাধ্যায় ১৫৯৬ খি. উড়িষ্যার কটক থেকে রংপুর আগমন করে কুন্ডি পরগনার জায়গীর লাভ করেন।তদীয় পুত্র কেশব মুখোপাধ্যায় ১৬০৬ খ্রি.বংশানুক্রমে কুন্ডির উক্ত জায়গীর জমিদারি হিসেবে লাভ করে।

২.পাঙ্গা

কামরূপ

কোচ

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ বংশীয় সামন্ত

কোচবিহার রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা মহারাজা বিশ্বসিংহ (১৪৯৩-১৫৩৩ খ্রি:)-এর জ্যেষ্ঠ পুত্র নরসিংহ পাঙ্গায় এ রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন (১৪৯৩-১৫৩৩)

৩.ঘোরাঘাট(ইদ্রাকপুর)

বারেন্দ্রীয়

কায়স্থ

স্থায়ী বাসিন্দা

মোগল জায়গীরদারী

সপ্তাদশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে রাজা ভগবান এ বংশের প্রতিষ্ঠা করেন। ইহা বর্ধনকোট জমিদারি নামেও খ্যাত।

৪. তুষভান্ডার (২ আনা কার্যিরহাট)

রাঢ়ীয়

ব্রাহ্মণ

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ জমিদারি (দেবোত্তর ও ক্রয়সূত্রে)

১৬৩৪ খ্রি: উপেনচৌকি তালুকদারীর মাধ্যমে পুরোহিত মুরারীদেব ঘোষাল তুষভান্ডারে এক দেবোত্তর এস্টেট প্রতিষ্ঠা করেন। তার বংশের চতুর্থ অধস্তন পুরুষ রামদেব ঘোষাল ১৭৪০ খ্রি: দিকে কার্যরহাট চাকলার 2 আনা অংশ ক্রয় করে তুষভান্ডার জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন।

৫. মহীপুর (৪ আনা কার্যিরহাট)

মোগল

মুসলমান

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ জমিদারি

মোগল ‌‌‌বংশোদ্ভূত কোচ রাজার সেনাপতি আরিফ মোহাম্মদ চৌধুরী এ জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা।তিনি কোচবিহার রাজার নিকট হতে কার্যিরহাট চাকলার  ৪২ আনা বংশের জমিদারি লাভ করেন মোগল কোচ যুদ্ধের প্রাক্কালে।
  ৬. কাকিনা

বারেন্দ্রীয়

কায়স্থ

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ জমিদারি

ইন্দ্রনারায়ণ চক্রবতী ১৬৭৬ খ্রি.কোচবিহার মহারাজ্য কর্তৃক কাকিনার চাকলাদার নিযুক্ত হন।১৬৮৭ খ্রি.মোগল বাহিনী কাকিনা দখন করে রঘুরামকে তার সহযোগিতার পুরস্কার স্বরূপ তিনটি পরগনা-পরগনা বাষট্টি,পরগনা টেপা ও পরগনা কাকিনার চাকলাদার নিযুক্ত করেন।রঘুরাম ইন্দ্রনারায়ন চক্রবর্তীর অধীনস্থ কর্মচারী ছিলেন এবং তার পিতা রমানাথ কোচরাজা প্রাণনারায়ণের সময় (১৬৩২-১৬৬৫ খ্রি.) মজুমদার ছিলেন ১৬৩৪ খ্রি.।রঘুরামের মৃত্যুর পর তার ছোট পুত্র রামনারায়ণ উত্তরাধিকারী সূত্রে কাকিনার জমিদারি লাভ করেন।
   ৭. পরগনা বাষট্টি

বারেন্দ্রীয়

কায়স্থ

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ জমিদারি

রঘুরামের জ্যেষ্ঠপুত্র রতনেশ্বর পরগনা বাষট্টির জমিদারি লাভ করেন সপ্তদশ এবং অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে।
  ৮.টেপা

বারেন্দ্রীয়

কায়স্থ

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ জমিদারি

টেপা জমিদার  বংশের প্রতিষ্ঠাতা মহাদেব রায় কোচরাজা রুপনারায়ণের (১৭০৪-১৪ খ্রি.) খাস নবিস ছিলেন।মহাদেব রায় রঘুরামের জ্যেষ্ঠ পুত্র রতনেশ্বরের নিকট থেকে পরগনা টেপা ক্রয়সূত্রে লাভ করেন অষ্টাদশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে।
 ৯. ইটাকুমারী (ফতেহপুর ৩ আনা অথবা ফকির কুন্ডি)

বারেন্দ্রীয়

কায়স্থ

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ জমিদারি

কোচবিহার মহারাজার জনৈক কানুনগো নরোত্তম ফতেহপুর চাকলার ৬ আনা অংশের জমিদারি লাভ করেন মোগল অভিযান প্রাক্কালে ।এ বংশের ৫ম পুরুষ রাজ শিবচন্দ্র  উক্ত পরগনার অর্ধেকাংশ উত্তরাধিকারী সূত্রে লাভ করে ইটাকুমারী জমিদার বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।তার সময়ে রংপুর তথা উত্তরবঙ্গের দেবী সিংহের বিরুদ্ধে কৃষক প্রজা বিদ্রোহ ঘটে(১৭৮১-৮৩ খ্রি.)
 ১০.বামনডাঙ্গা

রাঢ়ীয়

কায়স্থ

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ জমিদারি

রামেশ্বর মুস্তোফী এ জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা ।১৬৮৭-১৭১১ খ্রি. মোগল-কোচ ছিলেন (সচিব)।তিনি চাকলা ফতেহপুরের আট আনার (অর্ধেক) জমিদারি গঠিত ছিল যা বামনডাঙ্গা জমিদারি নামে খ্যাত।

১১.মন্থনা অথবা পীরগাছা  (২ আনা ফতেহপুর)

বারেন্দ্রীয়

ব্রাহ্মন

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ জমিদারি

কোচ রাজ্যের অধীনস্থ কর্মচারী অনন্তরাম মন্থনা জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন মহারাজা রূপনারায়ণের সময় (১৭০৪-১৪ খ্রি.)। চাকলা ফতেহপুর ২ আনা অংশ নিয়ে উক্ত জমিদারি গঠিত ছিল।তিনিও মোগল –কোচ যুদ্ধে মোগলপক্ষ অবলম্বন করেন।
   ১২.ডিমলা

উড়িষ্যা

কায়স্থ

স্থায়ী বাসিন্দা

বিট্রিশ জমিদারি ইজারাসূত্রে

হররাম সেন এ জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা।কোম্পানি শাসনের সূচনালগ্নে তিনি উত্তরবঙ্গের রাজস্ব ইজারাদার (১৭৭০-১৭৮৩ খ্রি.) হিসেবে রামজীবন ডিমলা জমিদার বংশের প্রথম মালিক হন (১৭৮৩-১৮০৪ খ্রি.)।
   ১৩.তাজহাট

পাঞ্জাবী (শিখ)

ক্ষত্রিয় (জৈন)

বিট্রিশ জমিদার

(ক্রয়সূত্রে)

এ বংশের প্রথম পুরুষ মান্না লাল রায় আঠার শতকে সূচনালগ্নে পাঞ্জাব প্রদেশের শিখ ধর্মাবম্বী একজন ক্ষত্রিয় ছিলেন।মাহীগঞ্জে (পুরাতন রংপুরে) তিনি বসবাস শুরু করেন আঠার শতকের মাঝামাঝি সময়ে এবং একজন জহুরী (হীরা জহরত ব্যবসায়ী) হিসেবে জীবন শুরু করেন। তার পৌত্র ধনপত রায় আঠার শতকের শেষের দিকে রংপুরে জমিদারি কিনে তাজহাট জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
  ১৪. নলডাঙ্গা

রাঢ়ীয়

ব্রাহ্মন

স্থায়ী বাসিন্দা

কোচ জমিদারি

কোচবিহার মহারাজার খাসনবিস কাশীনাথ লাহিড়ী  (১৭৭৩-১৭৮৪ খ্রি.) রংপুরের দক্ষিণ পূর্বে নলডাঙ্গা নামক স্থানে ঊনিশ শতকের প্রথমে নলডাঙ্গার এ জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠা করেন।

১৫.বাহারবন্দ (উলিপুর)

রাঢ়ীয়

তিলি

অনাবাসিক

বিট্রিশ জমিদারি ইজারাসূত্রে

মুর্শিদাবাদ কাশিমবাজার  এস্টেটের প্রতিষ্ঠাতা কান্তবন্দী (১৭৭২-১৭৯৩ খ্রি.) রংপুরের বাহারবন্দ পরগনায় (কুড়িগ্রাম –উলিপুর) এ জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন।
  ১৬. মাহিগঞ্জ গিরি গোসাঞী এস্টেট

বিহার/উত্তর ও দক্ষিণ ভারত

গিরি সন্যাসী

স্থায়ী বাসিন্দা

দেবোত্তর এস্টেট

বিহার অথবা উত্তর অথবা দক্ষিণ ভারত থেকে আগত শিতলগিরি নামক জনৈক গিরি সন্যাসী নীলফামারীর গয়াবাড়িতে ১১৪০ বঙ্গাব্দে (১৭৩৩-১৭৩৪ খ্রি.) শিতলশ্বের শিব দেবোত্তর এস্টেট (পরবর্তীতে মাহিগঞ্জ গিরি গোসাঞী এস্টেট )এর পত্তন করেন।
   ১৭.পায়রাবন্দ

মধ্য এশিয়া

মুসলমান

স্থায়ী বাসিন্দা

তালুকদারী

শেখ (মুন্সী) মুহাম্মদ রেজা আবু কুতুব সাবের ঊনিশ শতকের প্রারম্ভে পায়রাবন্দে এ জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন।তার পূর্বপুরুষগণ ইরানের তাব্রিজ প্রদেশ থেকে উত্তর ভারত, বিহারের পূর্ণিয়া হতে এখানে আসেন। এ পরিবারেই এশিয়ার নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া জন্মগ্রহণ করেন।
  ১৮.দেওয়ানবাড়ি

বারেন্দ্রীয়

কায়স্থ

স্থায়ী বাসিন্দা

তালুকদারী

(ক্রয়সূত্রে)

দেওয়ানবাড়ির জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা নৃসিংহ মজুমদার রংপুর কালেক্টরেটের সেরেস্তাদার ছিলেন (১৮২১- ১৮২৭)। ১৮৪০ খ্রি. দিকে তিনি বহু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তালুক ক্রয় করে দেওয়ানবাড়ি জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন।
Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful