Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ :: ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ২ : ৪৭ পুর্বাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / কুড়িগ্রামে চালকল মালিকদের অসন্তোষ; সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হবার আশংকা

কুড়িগ্রামে চালকল মালিকদের অসন্তোষ; সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হবার আশংকা

chatalকুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: বোরা মৌসুমের শুরুতেই খাদ্য মন্ত্রনালয় আভ্যন্তরীন খাদ্য সংগ্রহের নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে। ঘোষিত নীতিমালা জানার পর কুড়িগ্রামের চালকল মালিকদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। মিল মালিকরা অভিযোগ করছেন, নতুন নীতিমালা কার্যকর হলে চলতি মৌসুমে সরকারের চাল সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হবে। সরকার নীতিমালা পরিবর্তন না করলে চালকল মালিক সমিতি আন্দোলনে যাওয়ার হুমকী দিয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলার মানুষ কৃষি অর্থনীতির উপর নির্ভরশীল। প্রতি বছর এ অঞ্চলের ধান লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী উৎপাদিত হয়। জীবন-জীবিকার তাগিদে নানা প্রতিকূলতার মাঝেও তুলনামূলক কম পুজিতে দেশীয়ভাবে চাল উৎপাদনের জন্য কুড়িগ্রামেও বিপুল সংখ্যক চাল কল গড়ে উঠেছে। এসব চাল কলে কর্মসংস্থান হয়েছে সহ¯্রাদিক নারী ও পুরুষ শ্রমিকের। এসব চালকলের মাধ্যমে প্রতি বছর সরকার চাল সংগ্রহ করে থাকে। এসব চাল কলে কার্লার সর্টার না থাকায় খাদ্য বিভাগ সংগৃহীত চালে এক শতাংশ মরা দানা, এক শতাংশ অপুষ্টি দানা এবং এক শতাংশ বিবর্ণ দানার চাল মিলারদের নিকট থোকে সংগ্রহ করে থাকে। কিন্তু আকম্মিক ভাবে খাদ্য বিভাগ চাল সংগ্রহের নতুন নীতিমালায় মরা, অপুষ্ট, বিবর্ণ দানা মিলে তিন শতাংশের পরির্বতে এক শতাংশ গ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয়। এতে জেলার চালকল মালিকরা চরম বিপাকে পড়েছে। নতুন নীতিমালা বলবৎ থাকলে অধিকাংশ মিলার চলতি বছর চাল সংগ্রহ অভিযানে সরকারের সাথে কোন প্রকার চুক্তি না করার ব্যাপারে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিষয়টি খাদ্য বিভাগকে জানিয়ে দিয়েছে। কুড়িগ্রামে চালকল মালিক মাহাবুর রহমান ও জিল্লুর রহমান টিটু জানান, দেশে হাসকিং মিলের পাশাপাশি মাত্র দুই শতাংশ স্বয়ংক্রিয় অটোমেটিক চালের কারখানা গড়ে উঠেছে। চলতি মৌসুমে সরকার চাল সংগ্রহে যে নীতিমালা করেছে তা ছোট ছোট চালকল বা হাসকিং মিল অচল করার ষড়যন্ত্র। পিছিয়ে পড়া এ জেলার চাল কলে কয়েক হাজার নারী-পুরুষ শ্রমিক জড়িত। মিল মালিকরা চাল সংগ্রহের চুক্তি না করলে চরম খাদ্য কষ্টে পড়বে এসব শ্রমজীবি মানুষ। পাশা পাশি ধানের বাজারেও মন্দা পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। এতে করে সব চাইতে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হবে কৃষকরা।
জেলা মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই রনজু জানান, খাদ্য বিভাগের নতুন এই নীতিমালা আত্মঘাতী হবে। সরকার এ নীতিমালা পরিবর্তন না করলে সারাদেশের চালকল বা হাসকিং মিল মালিক সমিতি আন্দোলনে যাবে। এতে করে সরকারের খাদ্য সংগ্রহ অভিযান ভেস্তে যাবে। কারণ জেলায় ৬ শতাধিক হাসকিং মিল রয়েছে। আর কার্লার সর্টার রাইস মিল মাত্র ৪টি। এ চারটি মিলের মাধ্যমে জেলার ১৯ হাজার ২৮৯ মে.টন চাল সরবরাহ করা অসম্ভব। এছাড়া এ মিল চারটির অবস্থান কুড়িগ্রাম সদর ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলায়। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, অন্য ৭ উপজেলায় চাল সরবরাহ করবে কে?
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাইফুল ইসলাম জাানান, কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের চালকল বা হাসকিং মিল মালিকরা যদি সরকারের চাল সংগ্রহ নীতিমালার কারণে সরকারের সাথে চুক্তি না করে তাহলে সংগ্রহ অভিযান ব্যর্থ হবার আশংকা রয়েছে। বিষয়টি আমি উচ্চ পর্যায়ে জানিয়েছি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful