Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০ :: ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ৩৯ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / পুলিশের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজী মামলা রিমান্ডে ডিবি’র সোর্সকে নির্যাতন

পুলিশের বিরুদ্ধে অপহরণ ও চাঁদাবাজী মামলা রিমান্ডে ডিবি’র সোর্সকে নির্যাতন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে এনজিও কর্মকর্তাকে অপহরণের ঘটনায় হাতে-নাতে গ্রেপ্তারকৃত পুলিশ কনষ্টেবল আতিকুজ্জামান ও মামুনুর রশিদ রিমান্ডে অপহরণের সাথে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। রিমান্ড শেষে ডিবির সোর্স মনু মেকারসহ তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, মনুকে রিমান্ডে নিয়ে পুলিশ তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে মনুর পরিবার অভিযোগ করেছে।

বৃহস্পতিবার মনুর মা গোলেনুর বেগম সাংবাদিকদের কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, পুলিশের অপকর্মের দায় তার ছেলের উপর চাপাতে আদালতে স্বীকারোক্তি আদায় করার জন্য মনুকে নির্যাতন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেণ, অভিযুক্ত পুলিশদের রক্ষা করতে পুলিশ তার ছেলের উপর এ অত্যাচার চালায়। মনু নির্যাতনের সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে গত বুধবার তাকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে সন্ধ্যায় জেল কারাগার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের আরএমও ডাক্তার নজরুল ইসলাম জানান, তার চিকিৎসার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। শরীরে মারপিঠের আলামত থাকলেও তা গুরুত্বর ছিল না।

অন্যদিকে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই গফুর আসামীদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রিমান্ডে আসামীদের কাছে কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। তারা ঘটনার সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথাও স্বীকার করেনি। তবে তারা ধরা পড়ার সময় অপহরণপূর্বক চাঁদাবাজির কথা স্বীকার করেছিলেন।

অবশ্য এ মামলার তদারকি কর্মকর্তা কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: শাহাব উদ্দিন জানান, অভিযুক্ত পুলিশ কনষ্টেবলরা রিমান্ডে তথ্য না দিলেও হাতে নাতে ধরা পড়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট স্বাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে। দু’একদিনের মধ্যে টাকা লেনদেনের সাথে জড়িত বিকাশ এজেন্টসহ প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দী রেকর্ড করা হবে। এছাড়া কোর্ট পুলিশের কনষ্টেবল শাহ আলমকে ধরার জন্য নিকটবর্তী ইমগ্রেশন চেকপোষ্টে বার্তা পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্ত ৩ কনষ্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

গত রোববার কুড়িগ্রাম চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো: রেজাউল করিম সরকারের আদালতে ৩ আসামীর জামিন প্রার্থনা করলে শুনানী শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের রিমান্ডে দেন।

উল্লেখ্য, রৌমারী উপজেলার এনজিও কর্মকর্তা মাইদুল ইসলামকে গত ১ মে অপহরণ করে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোঘলবাসা ঘাট এলাকায় নিয়ে হত্যার হুমকী দিয়ে ১০ হাজার টাকা মুক্তিপন আদায় করে ঐ অভিযুক্তরা। এদের মধ্যে কনষ্টেবল শাহ আলমকে পলিশ এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful