Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ১৩ অপরাহ্ন
Home / লালমনিরহাট / লালমনিরহাটের ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

লালমনিরহাটের ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলার গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি

জিন্নাতুল ইসলাম জিন্না, লালমনিরহাট সদর, উত্তরবাংলা ডটকম:

লালমনিরহাটের হারাটি ইউপি সদস্য আমিনুল খানের বিরুদ্ধে অবশেষে অপরহরণ মামলায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছেন বিজ্ঞ আদালত।

ইউপি সদস্য আমিনুল খানের বিরুদ্ধে দলীয় নাম ভাঙ্গীয়ে ক্ষমতার দাপট, লুটপাট, চাঁদাবাজি, ঘর-বাড়ি ভাংচুর, অপহরণ, শালিশ-বৈঠকে জোরপূর্বক অর্থ আদায়সহ মারপিটের অভিযোগে অভিযুক্ত থাকার কারণে জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতাসহ থানা পুলিশও বিরক্ত হয়ে পড়ছেন। তার নামে থানা ও আদালতে একাধিক মামলা বিচারাধীন মর্মে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ২০১১ইং সালে দেশরত্ম  প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, বিভাগীয় কমিশনার, মহাপুলিশ পরিদর্শক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ডিবি পুলিশ, র‌্যাব-৫, জেলা আওয়ামীলীগসহ প্রেসক্লাবে একাধিক অভিযোগ প্রদান করেও সুফল পায়নি ভোক্তভোগীরা।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১১ সালের ৩ মে তারিখে বিকাল ৫টায় লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের মোস্তফী কাশিনাতঝাড় এলাকার আঃ জলিল ওরপে কাছুয়া মেম্বারের ছেলে আনোয়ার হোসেন তার অসুস্থ্য স্ত্রী ও শালিকাকে নিয়ে শহরের মাতৃমঙ্গলে যান। বাড়িতে ফেরার পথে পূর্ব শক্রতার জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে মহেন্দ্রনগর নিজপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পাকা রাস্তার থেকে অপহরণ করেন। পরে মুক্তিপনের ৩ লক্ষ টাকা দাবী করেন। না পেয়ে ৩ দিন ঘরে আটক করে রাখার পর মুত্যুর ভয় দেখিয়ে আনোয়ারের কাছ থেকে জোরপূর্বক টিপসইয়ের মাধ্যমে জমির দলিল লালমনিরহাট সাব-রেজিষ্ঠ্রারের মাধ্যমে সম্পাদন করে ফাকা স্থানে ছেড়ে দেন। আহত আনোয়ার নিরুপায় হয়ে আটো যোগে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। যার বেড নং ছিল ৪৬, ৩য় তলা, তাং ৬/৫/১১ইং।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসামিরা মৃত্যুর ভয় দেখালে সে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ২০১১ সনের ৭ মে তারিখে লালমনিরহাট সদর থানায় আসামিদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায়  থানা পুলিশ মামলা নিতে অস্বীকার করলে বাদী নিরুপায় হয়ে বিজ্ঞ চীফ জুড়িশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট (১) আদালত লালমনিরহাটে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। যার পিঃ নং-১৪৪/১১(লালঃ)। আসামীরা হল লালমনিরহাট সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের পাঠানপাড়া এলাকার মৃত মেছের আলীর পুত্র বছির উদ্দিন (৪৫), মৃত এনাত উল্লা মন্জুর পুত্র হাসেম আলী (৪৮), মোঃ হায়দার খানের পুত্র আমিনুল খান (৪৩), মোঃ মালেক সরকারের পুত্র সালাম (৩৮), এবং মোস্তফী কাশিনাথঝাড় এলাকার মৃত মেছের আলীর পুত্র সুরুজ্জামান (৩০), মৃত পছুমামুদের পুত্র ছোহরাব (৪৫), মৃত বরুমামুদের পুত্র আলকাছ (৩২), মৃত আকতারের পুত্র আনার (৪৮), মোঃ আইয়ুব আলীর পুত্র আবু হোসেন (৪২) ও মোঃ আবুল হোসেনের পুত্র বাবু (৪০)সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭/৮ জন।

বাদীর লিখিত অভিযোগটি আদালতের বিচারক আমলে নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য (ওসি) লালমনিরহাট সদর থানাকে নির্দেশ দেন। অত্র কোর্ট পিটিশন তদন্তকালে ঘটনার বিষয়টি সত্যতা পাওয়ায় সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়। যার মামলা নং ২৩, তাং ১৪/০৯/১১ইং। দন্ডবিধি ১৩৪/৩৪১/৩২৩/৩৮৫/৩৮৬/৩৮৭ ও১০৯। দীর্ঘদিন পর বিজ্ঞ আদালতের আদেশের ক্রমিক নং ১৪, তাং ০৫/০৭/১২ ইং এ মামলায় ১০ আসামীর মধ্যে ৫ জনকে জামিন ও ২ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও ৩ জন আসামি দীর্ঘদিন থেকে পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোযানা জারি করেছেন বিজ্ঞ আদালত। পলাতককৃত সিএসভুক্ত আসামীরা হল আমিনুল খান, সালাম ও বাবু গং।

এ ব্যাপারে মামলার বাদী আনোয়ার হোসেন উত্তরবাংলা ডটকমকে জানান, মামলা দায়ের পর থেকে আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের ধরছেন না। উক্ত মামলা তুলে না নিলে আসামি বাদী আনোয়ার হোসেনসহ তার পরিবারকে ১৫/০৩/১৪ইং তারিখে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করায় সদর থানায় আরও একটি ডাইরী করেছেন। যার নং-১০১১, তাং ২০/০৩/১৪ইং। বাদী নিরুপায় হয়ে ১৬/০৩/১৪ইং তারিখে লালমনিরহাট পুলিশ সুপার বরাবর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীদের গ্রেফতারের দাবীতে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহফুজার রহমান গ্রেফতারী পরোয়ানার কথা স্বীকার করে জানান, আমিনুর খানসহ অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্ঠা চলছে। তবে তারা পলাতক থাকায় গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে না।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful