Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০ :: ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ৪৬ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / মোদির দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যস্ত বাংলাদেশের রাজনীতি

মোদির দৃষ্টি আকর্ষণে ব্যস্ত বাংলাদেশের রাজনীতি

modi banভারতের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু এরই মধ্যে নিরঙ্কুশ বিজয় পেতে যাওয়া ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ থেকে অভিনন্দন জানানোর হিড়িক পড়ে গেছে। শুক্রবার বিকেলে মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিএনপি,, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ আরো কয়েকটি দলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকে ভোট গণনা ও ফল প্রকাশ শুরু হলে দুপুরের দিকেই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় মোদির সিংহাসন আরহন। আর ঠিক তখন থেকেই বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উড়ে যেতে থাকে বাংলাদেশের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা।

বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন পার্টি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও দেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিকেলে অভিনন্দন ও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপাসন বেগম খালেদা জিয়া ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।

একিভাবে অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলু। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত আমির মকবুল আহমাদ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

বার্তাগুলোতে ভারতকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান গণতান্ত্রিক দেশ বলে অভিহিত করেছে সবাই। বার্তায় বলা হয়েছে, ভারতের জনগণ প্রমাণ করে আসছে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে তারা নিবেদিত এবং অদ্বিতীয়। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনগণ গণতান্ত্রিক পন্থায় শান্তিপূর্ণভাবে সরকার পরিবর্তনে তাদের অনন্য ভূমিকার ধারাবাহিকতা রক্ষা করেছে।

একই সঙ্গে নতুন সরকার দু’দেশের মধ্যে বিরাজমান সমস্যাগুলো সমাধানে এগিয়ে আসবে বলে বার্তাগুলোতে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।  

ভারত রাষ্ট্রের নতুন পরিচালকরা কেমন হবেন? বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কোন অবস্থায় থাকবে? এমন প্রশ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘এ মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না জনতা পার্টির (বিজেপি) সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হবে। এর জন্য আরো ২ থেকে ৪ দিন অপেক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশ বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে সবসময় তাদেরকে দেখছে এবং বন্ধুত্ব রক্ষা করতে চায়। এখন তারা পার্শ্ববর্তী দেশগুলো যেমন: বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল, ভূটানের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করবে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। তবে বাংলাদেশের বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের ঠিক করতে হবে- দু’দেশের সম্পর্ক কীভাবে আরো উন্নত করা যায়।’

শুক্রবার দুপরের পর থেকে বাংলাদেশের রজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ভারতের জনগণ, বিজয়ী দল, দলের প্রধান রাজনাথ সিং এবং ভাবী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছাপত্র পাঠানো হচ্ছে। এতে রাজনীতিকদের উৎসাহ কেন? এমন প্রশ্নে ড. এমাজ বলেন, ‘তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন করেছে। নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হয়েছে। তাই তাদেরকে স্বাগত জানাচ্ছে। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে একে অন্যের কাছ থেকে সুবিধা নিতেও এটি করে থাকে।’     

ভারতের লোকসভা নির্বাচন ও শুভেচ্ছা প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) একাংশের সাবেক সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, ‘প্রথম বিষয় হলো, ভারতের এ নির্বাচনে প্রতীয়মান হয় যে, ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। যা অনুকরণীয় এবং শিক্ষণীয়। ভারতের জনগণ নরেন্দ্র মোদিকে বা বিজেপির পক্ষে যে রায় দিয়েছে তার ফল আজ প্রকাশ হয়েছে। এতে যারা পরাজিত হয়েছে তারা এ রায় মেনে নিয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে কারো কোনো অভিযোগ নেই। তারা পূর্ব থেকেই গণতন্ত্র চর্চা করে আসছে। আমি মনে করি, এটাই তাদের রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য।’

ভারতের এ নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশে এতো উৎসাহ কেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে এবং সচেতন জনগণের মধ্যে এর উৎসাহ থাকা সাভাবিক। ভারতের নতুন সরকারকে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়েছে পাশাপাশি বিরোধীদলের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে।’

নতুন সরকারের কারণে বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্কের কোনো অবনতি হবে কি না? বা রাজনৈতিক কোনো পরিবর্তন আসবে কি না? এ প্রসঙ্গে ইকবাল সোবহান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে তারা ক্ষমতায় আসছে। আমরা আশা করছি ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের কোনো টানাপোড়েন হবে না। আজ যারা আসছেন তারা সবাই অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। তারা কেউ নতুন নন। নরেন্দ্র মোদিও নতুন কোনো রাজনৈতিক মুখ নন। তিনি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। উনি একজন অভিজ্ঞ পলিটিশিয়ান। তিনি সে দেশের জনগণের উন্নয়নের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় আসছেন। তিনি তার দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যেই কাজ করবেন বলে আশা করি। অন্যকোন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখবেন বলে আমার মনে হয় না। এধরনের ধারণা করার কোনো কারণ নেই। আমি আশা করি, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বৃদ্ধির মধ্যদিয়ে তিনি ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।’ বাংলামেইল

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful