Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ :: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ২৯ পুর্বাহ্ন
Home / রংপুর / রংপুর সদর উপজেলা: তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চর্তুরমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা

রংপুর সদর উপজেলা: তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চর্তুরমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা

Upazela Electionমহিউদ্দিন মখদুমীঃ রংপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের শেষ দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়েছে। আভাস পাওয়া যাচ্ছে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার। কে বেরুতে পারে? কে হাসবে শেষ হাসি? কে হবেন সিটির পাশে গুরুত্বর্পন সদরের উপজেলা চেয়ারম্যান? তুমুল অংক কষে ও সমীক্ষায় শেষ ফলাফল বের করা যাচ্ছে না। নিজস্ব ভোটের বিন্যাসে বিজয়ের আশা করছেন চার প্রার্থীরা। এর মধ্যে আছেন আন্ডার হিরোসহ চৌকষ প্রার্থী। ১৯ মে সারাদিন ভোট গ্রহনের পর রাতের শুরুতে ঘোষিত ফলাফলই বলে দেবে শেষ হিসাব।

অনুসন্ধানে জানা গেছে,রংপুর সদর উপজেলায় পাঁচটি ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ১ লক্ষ ৯ হাজার ১ শত ৪টি। চেয়ারম্যান পদে লড়াই করছেন ৭জন প্রার্থী। এর মধ্যে ভোটারদের আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু চার প্রার্থী। এরা হলেন, আওয়ামীলীগ সমর্থিত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববি(চিংড়ী মাছ) ১৯ দলীয় জোটের একক প্রার্থী ফারুক মিয়া (দোয়াত কলম) জাতীয়পার্টি সমর্থিত প্রার্থী সুলতানা আক্তার কল্পনা(কাপপ্রিচ) ও আবেদ আলী ক্যাশিয়ার(মটর সাইকেল) প্রতীক।

জেলা আওয়ামী লীগের তৃনমুলের সমর্থনে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাছিমা জামান ববি আওয়ামী লীগ ঘরানার আর এক প্রাথী ডাঃ দেলোয়ার হোসেন মাঠে থাকায় বিপাকে পড়েছেন। প্রচারণার ছুটে গেছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে।তিনি সদ্যপুস্করনী ইউনিয়নের প্রার্থী।কিন্তু ঐ ইউনিয়নে স্থানীয় প্রার্থী জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা আবেদ আলী ক্যাশিয়ার মাঠে থাকায় ইউনিয়ন ভিত্তিক নিজস্ব ভোট ব্যাংক নেই তার।সদরের পাঁচটি ইউনিয়নকে নিজ ভোট ব্যাংক ধরে নিজ ভক্ত অনুসারী, আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থক ও একটি স্পেশাল ভোটকে কেন্দ্র করে জয় আসতে পারে নাছিমা জামান ববির এমনটা ভাবছেন তার কর্মী সমর্থকরা।

এদিকে,সদরে নতুন করে যুক্ত হওয়া গংগাচড়া উপজেলার স্বাগতিক খলেয়া ইউনিয়নের একক প্রার্থী ফারুক মিয়া। তিনিই ১৯ দলীয় জোটের একক প্রার্থী। তার নিজস্ব খলেয়া ইউনিয়নের ভোট ব্যাংক ১৮ হাজার ৬ শত ১১টি এবং পাশ্ববর্তী হরিদেবপুর ইউনিয়নের তিন প্রার্থীর অগোছালো অবস্থানের কারণে স্থানীয় টানে ঐ এলাকার জনগনের ভোট চাইছেন।ক্ষমতাসীন দলের মামলা, হামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে জামাতের কর্মী বাহিনীর ভোট পুজিঁ ভেবে জয়ের কথা ভাবছে ফারুক মিয়ার কর্মী সমর্থকরা। তারা নিজ ভোট ব্যাংক রক্ষায় প্রানন্ত চেষ্টা করছেন।

অন্যদিকে,জাতীয়পার্টি সমর্থিত প্রার্থী সুলতানা আক্তার কল্পনা। তিনি মমিনপুর ইউনিয়নের ১৯ হাজার ৭শত ৫০টি ভোটের একক প্রার্থী। নিজস্ব ভোট ব্যাংক সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তার কর্মী বাহিনী। বাকী চার ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির কর্মী সমর্থকদের ভোট,পারিবারিক ঐতিহ্য ও আত্মীয় স্বজনদের ভোট নিজ বক্স্রে টানার মাধ্যমে জয়ের স্বপ্ন দেখছেন তার ভক্ত অনুসারীরা।

সদর উপজেলা নির্বাচনে আন্ডার হিরো হিসেবে জনগন আঙুলে আটকে রেখেছেন জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা আবেদ আলী ক্যাশিয়ারকে।তিনি সদ্যপুস্করনী ইউনিয়নের ২৫ হাজার ১শত ৯৫ ভোট নিজ ভোট ব্যাংক ধরে জয়ের কথা ভাবছেন। পার্শ্ববর্তী চন্দনপাট ইউনিয়নে কোন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী না থাকায় নানান কারণে ইউনিয়নটির ২১ হাজার৭শত ৫৮ ভোটের সিংহ ভাগ ভোট তার বক্সেই আসবে এমনটা মনে করছেন কর্মী বাহিনী। অন্য ইউনিয়ন গুলোর চেয়ে নিজ সদ্যপুস্করনী ও চন্দনপাট ইউনিয়নে ভোট প্রার্থনায় সময় শ্রম দিচ্ছেন সর্বাধিক। আবেদ আলী ক্যাশিয়ারের কর্মী বাহনী ঐ ইউনিয়ন দুটিতে শত ভাগ ভোট নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কর্মরত ভোটারদের বাড়ীতে নিয়ে আসার জন্য তাদের স্বজনদের অনুরোধ করছেন।তারা বলছেন,তাদের ভোট কেন্দ্রে শত ভাগ ভোট নিশ্চিত করবেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন,ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতির হার ৬৫ বা তার কম বেশী হতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী গুলো শক্তিশালী অবস্থানে থাকায় ২৩ থেকে ২৬ হাজার ভোট পেলেই একজন প্রার্থীর জয়ের শতভাগ সম্ভাবনা থাকবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful