Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০ :: ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৩ : ২৪ অপরাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / দারিদ্রতা আর বাবা- মার বিচ্ছেদ: জিপিএ- ৫ পেয়েও জ্যোতি’র উচ্চ শিক্ষা অনিশ্চিত

দারিদ্রতা আর বাবা- মার বিচ্ছেদ: জিপিএ- ৫ পেয়েও জ্যোতি’র উচ্চ শিক্ষা অনিশ্চিত

Nilphamari Pic (1) 19.05.2014ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, নীলফামারী ১৯ মে॥ দিনাজপুর বোডের এসএসসি পরীক্ষায় নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি কারিগরি মহাবিদ্যালয় থেকে জান্নাত জাহান জ্যোতি গোল্ডেন জিপিএ- ৫ পেয়েছে। তার রোল ১৬০৫৫৮। বিজ্ঞান শাখা থেকে এতো ভাল ফলাফল করলেও তাঁর উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে অনিশ্চিয়তার মুখে পড়েছে মেধাবী এই মেয়েটি। এক দিকে পরিবারের দারিদ্রতা অন্যদিকে গার্মেনস শ্রমিক বাবা মার বিবাহ বিচ্ছেদের কারনে জ্যোতি এখন চোখে মুখে অন্ধকার দেখছে।

চিরিরবন্দর উপজেলার সাতনালা ইউনিয়নে খামার সাতনালা গ্রামের তৈরী পোষাক কারখানার শ্রমিক জালাল উদ্দিন ও মমতাজ বেগমের মেয়ে জ্যোতি। অভাবী পরিবার। জ্যোতির বাবা ঢাকার একটি তৈরি পোষাক কারখানার শ্রমিকের কাজ করতেন। তাই এক পর্যায়ে জ্যোতি’র মা মমতাজ বেগমও বাধ্য হয়ে জ্যোতি সহ অপর ছোট দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে ঢাকায় চলে যান। স্বামীর সঙ্গে কাজ নেন একটি তৈরি পোষাক কারখানায়।

মেধাবী ছাত্রী জ্যোতি তাঁর জীবনের নানা সমস্যা ও চড়াই উৎরাইয়ের কথাগুলো অপকটে স্বীকার করে জানায়,দশম শ্রেণীতে অধ্যয়কালে পারিবারিক দারিদ্র্যতার কারণে বিদ্যালয় যাওয়া ছেড়ে দেয়। এরপর পারিবারিক দ্বন্দে বাবা মায়ের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। তখন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাকে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর শহরের একটি ছাত্রীনিবাসে রেখে লেখাপড়ার খরচ চালিয়েছেন ।এমন কী তারা ফরম পূরণের টাকাও জোগাড় করে দেন। এসএসসি পরীক্ষার পর সে নওগাঁয় নানা মনছুর আলীর বাড়িতে অবস্থান নেয়। জ্যোতি বলে বিদ্যালয়ের স্যারদের সার্বিক সহযোগিতায় আর অনুপ্রেরণায় এবারে এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ- ৫ পেয়েছে। এখন তাঁর একটাই দূর্ভাবনা। আর বুঝি লেখাপাড়া হবে না। লেখাপড়া ছাড়তে হবে ? আমাকেও মায়ের সঙ্গে ঢাকায় গিয়ে কোন গার্মেন্টসে কাজ নিতে হবে। এতো ভালো ফলাফল করেও লেখাপড়া ছেড়ে দিতে হবে ভেবে কষ্ট হচ্ছে। ইচ্ছে ছিল লেখাপড়া শিখে দেশের একজন বড় প্রশাসনিক কর্মকর্তা হবো। মায়ের মুখে হাসি ফোটাবো,দেশের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করবো। কিন্তু সে ইচ্ছে কি পূরণ হবে আমার এমন প্রশ্ন রেখে জ্যোতি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।
সৈয়দপুর সরকারি কারিগরি মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারি শিক্ষক মো. হাফিজুর রহমান খান জানান, জ্যোতি এক অনন্য প্রতিভার অধিকারী। তাঁর নিয়ে অনেক সম্ভাবনা দেখি আমরা। কেউ যদি আগামী দিনে তাঁর পড়াশোনার খরচ চালিয়ে নেন, তাহলে মেয়েটি শিক্ষা গ্রহণ করে অনেক বড় হতে পরতো।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful