Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ :: ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ০৬ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / উপজেলা শিক্ষা অফিসার যৌথ একাউন্টের টাকা একক স্বাক্ষরে তোলায় তোলপাড়

উপজেলা শিক্ষা অফিসার যৌথ একাউন্টের টাকা একক স্বাক্ষরে তোলায় তোলপাড়

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রির টাকা আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এমনকি যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত ব্যাংক একাউন্ট থেকে ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা একক স্বাক্ষরে উত্তোলন করায় সংশ্লিস্ট বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়।

জানা গেছে, গত বছর ২১ মে উলিপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম যোগ দিয়ে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তার অপ-তৎপরতা দেখে মনে হয় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসটি যেন তিনি লীজ নিয়েছেন। যোগদান করেই তিনি প্রশ্নপত্র নিয়ে বাণিজ্য করতে হামলে পড়েন। তিনি রংপুর এর একটি ছাপাখানা থেকে অতি নি¤œমানের প্রশ্ন সরবরাহ করেন। এসব প্রশ্ন উপজেলার ২’শ ৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৬৩ হাজার পরীক্ষার্থীর জন্য প্রতি সেট ৩ টাকা দরে কিনতে প্রধান শিক্ষকদের বাধ্য করেন। টাকা আদায় নিশ্চিত করতে তিনি কৌশল হিসেবে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক উলিপুর শাখার যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত ১০৪৮৯ নম্বর একাউন্ট ব্যবহার করেন। ঐ একাউন্টে প্রতি সেটের জন্য নির্ধারিত পরিমান টাকার জমা স্লিপ না দেখালে প্রধান শিক্ষকদের প্রশ্ন দেয়া হবে না মর্মে হুমকী দিতেন। শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে ঐ একাউন্টে টাকা জমা দিয়ে প্রশ্ন সংগ্রহ করতেন। এভাবে বিগত ৩ টি পরীক্ষায় ঐ কর্মকর্তা প্রায় ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। উল্লেখিত একাউন্টে জমাকৃত টাকা সেপ্টেম্বর/১৩ইং থেকে ডিসেম্বর/১৩ইং পর্যন্ত চার দফায় মোট ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা একক স্বাক্ষরে শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম ব্যাংক ম্যানেজারকে কব্জায় নিয়ে উত্তোলন পূর্বক আত্মসাৎ করেন। সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়, উপজেলা পর্যায়ে প্রশ্ন পত্র প্রণয়নের জন্য একজন সহকারী শিক্ষা অফিসারকে সচিব করে শিক্ষক ও কর্মকর্তার সমন্বয়ে পরীক্ষা কমিটি থাকলেও ঐ কর্মকর্তা এখানে যোগ দেয়ার পর এ কমিটির কোন বৈঠক করেননি। নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার পূর্বে কমিটির মিটিং করে প্রতি ক্লাসটারের প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে সিলেবাস অনুযায়ী প্রশ্ন সংগ্রহ করবেন। সংগৃহীত প্রশ্ন পরীক্ষা কমিটিতে যাচাই পূর্বক প্রশ্ন তৈরি করে তা প্রেসে ছাপানোর কথা। কিন্তু এখানে ঐ কর্মকর্তা সীমাহীন দুর্নীতির আশ্রয় নেয়ায় তা একেবারেই প্রতিপালন হচ্ছে না। এমনকি ক্রয় করা প্রশ্নের সাথে শিশুদের পাঠদানে সাদৃশ্য না থাকায় পরীক্ষার সময় কোমলমতি শিশুদের বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়। এদিকে. প্রশ্ন বিক্রির অর্থ আত্মসাতের কথা ফাঁস হলে ধুরন্ধর শিক্ষা অফিসার নিজেকে বাঁচাতে অত্যন্ত কৌশলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ম্যানেজার আব্দুল খালেককে ম্যানেজে নিয়ে একক স্বাক্ষরে উত্তোলিত টাকার ৪ টি চেকের পাতায় গত ২৭ এপ্রিল সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলামের স্বাক্ষর নেন বলে একটি সূত্র জানায়। ঐ দিনই ব্যাংক ম্যানেজারের সাথে সাংবাদিকরা যোগাযোগ করলে তিনি শিক্ষা কর্মকর্তার একক স্বাক্ষরে ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা উত্তোলনের কথা স্বীকার করে ঐ দিনই শিক্ষা অফিস থেকে নতুন করে যৌথ স্বাক্ষরের নমুনা স্বাক্ষর কার্ড ব্যাংকে পাঠানোর কথা জানান। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম অবশ্য ২৭ এপ্রিল ব্যাংকের নমুনা স্বাক্ষর দিয়েছেন বলে জানান। ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা উত্তোলনের ৪ টি চেকে স্বাক্ষর প্রদানের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি রহস্যজনক নিরবতা পালন করেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনিত দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful