Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ১২ পুর্বাহ্ন
Home / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / পৃথিবী বদলে দেয়া ১০ আবিষ্কার

পৃথিবী বদলে দেয়া ১০ আবিষ্কার

mobile১০টা আবিষ্কার বা উদ্বাবন, যেগুলো পৃথিবীকে বদলে দিয়েছে৷ যদিও তালিকাটা মার্কিনি, কিন্তু তাদের প্রভাব পড়েছে ‘হ্যাভ নট’দের তৃতীয় বিশ্বেও৷ যেমন মোটরগাড়ি৷

১৯০৮ সালে আমেরিকার ডেট্রয়েট শহরে হেনরি ফোর্ড বানালেন ‘মডেল টি’৷ আমজনতার পকেট-উপযোগী প্রথম মোটরগাড়ি৷ চার আসনের, চার দরজার, মাথাখোলা ‘ট্যুরার’ গাড়ি প্রথমে বিক্রি হতো ৮৫০ ডলারে৷ এক লিটার পেট্রলে ১০ কিলোমিটার, সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার৷ চার বছরের মধ্যে গাড়ির দাম এক ধাক্কায় কমে হলো ৫৫০৷ আরও দু বছর পর ৪৪০ ডলারে পাওয়া যেত ফোর্ড ট্যুরার৷ সেই যে সস্তার চাকা গড়াতে শুরু করল, পরের তিন দশকে আমেরিকা-ইউরোপে রাস্তাঘাট ভরে গেল গাড়িতে৷ গরিব দেশে আরও শ’খানেক বছর পর সেই গাড়ি বিপ্লবের এক ‘অ্যান্সিলিয়ারি বিপ্লব’ ঘটল, যার নাম ‘কার লোন’!

১৯২৮ সাল৷ আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করলেন৷ তার আগে পর্যম্ত, একটু চুলকে দিলেও লোকে মরে যেতে পারত! ‘চুলকে ঘা করিস না’ কথাটার উৎপত্তি সেই সময়েই কি না, সেটা গবেষকরা বলবেন৷ তবে যেকোনো ধরনের ঘা, স্বভাবদোষের সিফিলিস থেকে অভাবের গ্যাংগ্রিন, বিষিয়ে গিয়ে প্রাণ নিয়ে টানাটানি হতো৷ সেই মারাত্মক সংক্রমণ ঠেকানোর মোক্ষম হাতিয়ার হাতে তুলে দিলেন ফ্লেমিং সাহেব৷ চিকিৎসায় অ্যান্টি-বায়োটিকের প্রয়োগ শুরু হল, ধড়ে প্রাণ এল গণপিটুনির ভয়ে সিঁটিয়ে থাকা ডাক্তারদের!

পরের বোম ফাটানো ঘটনা পরমাণু চুল্লি৷ ১৯৫৪ সালে পরমাণু চুল্লি বানাল সোবিয়েত রাশিয়া৷ হিরোশিমা-নাগাসাকি লন্ডভন্ড করে দেয়ার এক দশক পর পরমাণু শক্তিকে গেরস্হালির কাজে লাগানোর পথ পাওয়া গেল৷ এখন সারা পৃথিবীর বিদ্যুতের চাহিদার ১৬ শতাংশ মেটায় পরমাণু শক্তি, এমনকি জাপানেও৷ তবে তিন বছর আগে সে দেশের ফুকুশিমায়, অথবা তিন দশক আগে রাশিয়ার চেরনোবিলে চুল্লি ফুটো হয়ে গিয়ে ফের বিকিরণের হাঁটুজলে আতঙ্কে হামাগুড়ি দিয়েছিল পাবলিক৷

এর পর মহাকাশে জীবম্ত মানুষ! আমেরিকাকে টেক্কা মেরে ১৯৬১ সালে ইউরি গ্যাগারিন-কে মহাকাশে নিয়ে গেল রাশিয়ার ভোস্তক-১৷ বিশ্বজুড়ে উপগ্রহ সঞ্চারের জাল বোনার সেই শুরু৷ এই যে লোকে মোবাইল ফোন থেকেও স্যাট করে চলে যাচ্ছে ওয়েবে, সাপের পাঁচ পা গজানোর শুরু সেই তখনই৷

তবে ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’-এর জাল বিছানো হয়েছে আরও প্রায় তিন দশক পরে, ১৯৮৯ সালে৷ সেটাও নিঃসন্দেহে এক বিরাট লাফ৷ পাড়ার লাইব্রেরি থেকে ইন্টারনেটের জ্ঞান-সমুদ্রে৷

কিন্তু তারও ১০ বছর আগে একটা বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে সোনি কোম্পানি৷ তারা বাজারে এনেছে ‘ওয়াকম্যান’৷ চলতে ফিরতে গান শোনা যায়!

দম দেয়া কলের গান থেকে রেডিওগ্রাম, রেকর্ড থেকে ক্যাসেট, তার পরে সিডি-ডিভিডি, শুধু গান বা ছবি নয়, যে কোনও তথ্যকে ‘ডিজিটাইজ’ করে ফেলার এই যে কেরামতি, তার শেষ ভেলকি দেখালেন অ্যাপল এবং স্টিভ জোবস৷ ২০০১ সালে তারা বানালেন ‘আই পড’৷ এইটুকু এক চিলতে গ্যাজেটে দেড় হাজার গান! আই পড-উত্তর জমানায় স্টোরেজ ব্যাপারটাই বেমালুম বদলে গেল৷ অনেকে বলেন, প্রথম ক্লোন ভেড়া ডলির থেকেও বৈপ্লবিক ছিল জ্ঞানবৃক্ষের অ্যাপলে ওই এক কামড়! -ওয়েবসাইট।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful