Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ :: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ৩৮ অপরাহ্ন
Home / বিনোদন / স্বস্তিকার আত্মহত্যার চেষ্টা : সেদিন রাতে হোটেলে যা ঘটেছিল..

স্বস্তিকার আত্মহত্যার চেষ্টা : সেদিন রাতে হোটেলে যা ঘটেছিল..

sastikaস্বস্তিকা মুখার্জি আত্মহত্যার চেষ্টা করেননি, তিনি রাগ সামলাতে না পেরে নিজেকে আঘাত করেছিলেন। এমনই দাবি করছেন কাছের বন্ধুরা। তবে ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম আত্মহত্যা চেষ্টার কথাই বলছে। 

গত ২৪ মে সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে কলকাতার বাইপাসের পাশে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে, ২১ মে স্বস্তিকার ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন, ‘তুমি কতোবার প্রেমে পড়লে তার একটা সীমা থাকা উচিত। কারণ হৃদয়টাকে বিশ্রাম দিতে হয়।’

পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক ক্রমশই খারাপের দিকে যাচ্ছিল। যার পরিণাম রক্তাক্ত স্বস্তিকার হাসপাতালের বিছানায় কাতরানো। তার কাছের বন্ধুরা বলছেন, তিনি আত্মহত্যা করতে যাননি। ভাঙা কাঁচের বোতল দিয়ে হাত কেটে ফেলেন রাগ সামলাতে না পেরে। তা ছাড়া সম্প্রতি শুটিংয়ের সেটেও স্বস্তিকার এলোমেলো আচরণে পরিচালক সুমন তাকে সাইকিয়ার্টিস্ট দেখাতে বলেন।

এখান দেখা যাক, শুক্রবার রাতে স্বস্তিকা এবং সুমনের মাঝে কী কী হয়েছিল-

পরিচালক সুমন তার কাজে আমেরিকা ছিলেন। বন্ধুদের বলেছিলেন, ২৪ মে রাতে চলে আসবেন। স্বস্তিকা তার পরিবারকে জানিয়ে রাখেন যে, তিনি ২২ মে মুম্বাই যাবেন। সবাই ধারণা করছিল, ২৩ মে মুম্বাইয়ের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে তারা দেখা করবেন।


 তারা গোটা রাত ওই হোটেলে ছিলেন এবং রাত পার হয় ঝগড়া করে। ভোর ৪টার দিকে তাদের বাক-বিতণ্ডা চরমে পৌঁছায়। তখন স্বস্তিকার রাগ নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে এবং তিনি সুমনকে বের হয়ে যেতে বলেন। ধারণা করা হচ্ছে, এরপর সুমন সোজা বের হয়ে তার বাড়িতে চলে যান।

ঠিক একই সময়ের দিকে স্বস্তিকা একটি বোতল ভেঙে তার হাতে পোচ দেন এবং অতিমাত্রায় রক্ত বের হতে থাকে। কিন্তু এটা পরিষ্কার নয় যে, এ ঘটনার আগে সুমন বের হয়েছিলেন নাকি পরে।

এরপর স্বস্তিকা তার কাছের এক বন্ধুকে খবর দেন। কিন্তু তিনি ফোন দেখেননি। যখন ঘুম থেকে উঠে দেখেন, তখন দেরি হয়ে গেছে। তিনি দৌড়ে হোটেলে যান। সেখান থেকে সাড়ে ৭টার দিকে হাসপাতালে। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত ঘটনা এভাবেই চলছে।

হাসপাতালের চিকিৎসকদের মতে, স্বস্তিকার বাঁ কবজির কাছে অনেকগুলো সেলাই দিতে হয়েছে। বাঁ কবজির ধমনী অল্পের জন্য রক্ষা পেলেও বেশকিছু টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। স্বস্তিকা মানসিক চাপে ভুগছেন। বাঁ কবজির কাছে অনেকগুলো ক্ষত থেকে চিকিৎসকদের ধারণা, রান্নাঘরের ছুরি-জাতীয় কিছু দিয়ে হাত কাটা হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর স্বস্তিকা এখন শঙ্কামুক্ত। 

তবে এ ব্যাপারে স্বস্তিকার পরিবারের পক্ষ থেকে কিছুই বলা হয়নি। অভিনেতা সন্তু মুখার্জির মেয়ে স্বস্তিকার সঙ্গে বাংলা গানের অন্যতম জনপ্রিয় শিল্পী সাগর সেনের ছেলে প্রমিত সেনের বিয়ে হয়েছিল। বিবাহবিচ্ছেদের পর একমাত্র মেয়ে অন্বেষাকে নিয়ে গলফ গ্রিনে থাকেন স্বস্তিকা।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful