Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১২ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৩৯ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / তোতাপাখির অবিশ্বাস্য প্রেমকাহিনি;প্রিন্স ও প্রিন্সেসের সংসার টিকবে তো?

তোতাপাখির অবিশ্বাস্য প্রেমকাহিনি;প্রিন্স ও প্রিন্সেসের সংসার টিকবে তো?

বিচ্ছেদ না মিলন? কি হবে আদালতের আদেশ? প্রিন্স ও প্রিন্সেসের সংসার টিকবে তো? এসব প্রশ্নের জবাব জানা যাবে আদালতের শুনানি শেষে। আর এ নিয়ে আজ শুনানি হবে ঢাকার আদালতে। বাদী ও বিবাদী উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে মহানগর হাকিমের আদালতে এ শুনানি হবে। আদালতের আগের আদেশ অনুযায়ী এরই মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ।

প্রিন্স আর প্রিন্সেস ব্লু গোল্ড ম্যাকাও পাখি। দু’টি পাখির মালিক দু’জন। ঘটনাক্রমে মিলন ঘটেছিল পাখি দু’টির। সংসারে তাদের বাচ্চাও আসে। বয়স ১৫, আর সংসার তিন বছরের। ঢাকার মহানগর হাকিমের নির্দেশে ৩রা জানুয়ারি প্রিন্সকে নিয়ে যান তার মালিক। প্রিন্সের বিরহে প্রিন্সেস খাওয়া ধাওয়া বন্ধ করে দেয় বলে দাবি প্রিন্সেসের মালিক ড. আবদুল ওয়াদুদের। পরে তাদের সংসার রক্ষার বিষয়টি গড়ায় আদালতে।

জানা গেছে, মোহাম্মদ ইকরাম সেলিম ১৯৯৭ সালে সিঙ্গাপুর থেকে একটি ব্লু বার্ড ম্যাকাও পাখি কিনেন। ইস্কাটনে তার বাড়িতে পাখিটি বসবাস করতো। একপর্যায়ে এ বাড়ি ছেড়ে বারিধারায় চলে যান ইকরাম সেলিম। ভাড়া বাসার আঁটসাঁট পরিবেশ পাখিটির উপযোগী ছিল না। ইকরাম সেলিম হাতিরপুলে আবদুল ওয়াদুদের কাছে পাখিটি নিয়ে যান। তিনি পাখিটি লালন-পালনের অনুরোধ জানালে ২০১০ সালে ওয়াদুদ এই দায়িত্ব নেন। এরপর থেকে পাখিটি তার কাছেই ছিল। তিনি পাখিটির সঙ্গী খুঁজে আনেন। তার নাম রাখা হয় প্রিন্সেস। ম্যাকাও দম্পতির জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা হয়। ওরা ডিম  দেয়। বাচ্চা ফোটে। আবদুল ওয়াদুদ জানান, বছর খানেক আগে ইকরাম তার পুরুষ পাখিটি ফেরত চান। একপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে জিডি হয়। পরে পাখির সংসার রক্ষায় আবেদন করা হয় আদালতে। ঢাকার একটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এরই মধ্যে রায় দিয়েছেন, প্রিন্সেসকে  ইকরাম সেলিমের কাছে রাখাই উচিত হবে। এতদিন সে তার জীবনসঙ্গীর সঙ্গে অবস্থান করেছে। এখন তাদেরকে আলাদা করা হবে নিষ্ঠুরের কাজ। এতে প্রিন্সেস মারা যেতে পারে। ওদিকে সেলিমের পিতা মোহাম্মদ সেলিম বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, তার ছেলে প্রিন্সকে অল্প সময়ের জন্য দেখাশোনা করতে দিয়েছিল ওয়াদুদের কাছে। সে ওয়াদুদের কাছে প্রিন্সকে দিয়েছিল। কারণ, সে বাসা পাল্টিয়েছে। কিন্তু সেখানে প্রিন্সকে রাখার মতো জায়গা ছিল না। তবে ওয়াদুদ বলেছেন, প্রিন্সকে যদি তার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়া হয় এই আশঙ্কায় তিনি এখন ঘুমাতেও পারেন না। এমনকি তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথাও বন্ধ করে দিয়েছেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful