Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ :: ৯ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ১৫ পুর্বাহ্ন
Home / রকমারি / যে ৯টি বিষয় একমাত্র লাজুক স্বভাবের মানুষরাই বোঝেন

যে ৯টি বিষয় একমাত্র লাজুক স্বভাবের মানুষরাই বোঝেন

girlsআপনি কী বেশি চুপচাপ এবং লাজুক? সবার সামনে আসতে চান না বা ক্লাশরুমে চুপচাপ বসে থাকেন, এমন মানুষের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। এই স্বভাব নিয়ে যতো অস্বস্তিতেই থাকুন না কেনো, মনে রাখবেন আপনার লাজুক স্বভাব বেশি খারাপ কিছু নয়। এই মানুষগুলো জীবনটাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন। তাই তাদের উপলব্ধি আলাদা। স্বাভাবিক সামাজিক পরিবেশে এই স্বভাব কিছুটা সমস্যার সৃষ্টি করলেও তাদেরও কিছু গুণ রয়েছে। এখানে লাজুক স্বভাবের মানুষের ৯টি বিষয়ে কথা বলা হলো, যা একমাত্র তারাই উপলব্ধি করেন। সেইসঙ্গে দেওয়া হচ্ছে সমাধানের পথ।

১. মানুষের মাঝে যেতে লজ্জা পাওয়া
একটি কক্ষে বেশ কয়েকজন বসে থাকলে সেখানে যেতে অস্বস্তি বোধ করেন লাজুক মানুষরা। বার্কলের দ্য শাইনেস ইনস্টিটিউটের পরিচালক লিন হেনডারসন বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতি এমন মানুষের জন্য সমস্যা থেকে এক পা বেরুনোর দারুণ সুযোগ।
লিনের পরামর্শ হলো, এ সময় ভাবুন লাজুক খেলোয়াড়দের কথা। স্টেডিয়াম ভর্তি মানুষের মধ্যে তারা লজ্জাবোধ করেন না। কারণ তার মনোযোগ থাকে নিজের কাজের প্রতি। তাই যে কাজে এসেছেন তাতে মনযোগ দিন।

২. স্বভাবগতভাবেই ভালো শ্রোতা
লাজুক মানুষরা চুপচাপ হন। তাই তারা ভালো পর্যবেক্ষক এবং সবচেয়ে ভালো শ্রোতা।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজির প্রফেসর সি বার টেইলর বলেন, তাই বলে লাজুক স্বভাবের মানুষরা যে একেবারেই সামাজি নন তা নয়। বরং আপনি সবচেয়ে মনযোগী শ্রোতা এবং পর্যবেক্ষক।

৩. বলার আগে চিন্তা করা
লাজুক মানুষরা কিন্তু সব সময় চুপ থাকেন না। তারা কিছু বলার আগে চিন্তা-ভাবনা করে নেন। ফলে তাদের বক্তব্য হয় গভীর জ্ঞানসম্পন্ন। এটি ভালো হোক বা মন্দ, এই ধরনের মানুষের মুখ থেকে কিছু শুনতে আগ্রহী থাকেন সবাই। তাদের কথা হয় বিবেচনা প্রসূত এবং গঠনমূলক।
তবে অনেক সময়ই সব বুঝে শুনে কথা বলাটা বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। জরুরি সময় অন্যদের ধৈর্য হারানোর সম্ভাবনা দেখা দেয়। তাই চটজলদি মন্তব্যগুলো দ্রুতার সঙ্গে শুনে নিজের বক্তব্য গুছিয়ে ফেলা জরুরি।

৪. অন্তর্মুখী শোনাটাও বাজে বিষয়
শুধু অন্যের কথা শোনা এবং সবার পরে কথা বলাটা অনেকের দৃষ্টিতে অন্তর্মুখী করে তুলবে আপনাকে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের এক্সপার্ট ফিলিপ জিম্বারডো ‘সাইকোলজি টুডে’তে বলেন, বেশিরভাগ হলিউড তারকা বাইরের দুনিয়ার কাছে লাজুক নন। কিন্তু সাধারণ মানুষের মাঝে তার নিজস্ব বিষয় প্রকাশ পায় না।
যখন আত্ম-নির্ভরশীলতা যখন কমে যাবে, তখন আরেকটু উদার হতে হবে। ভাবতে হবে, অন্যরাও একই সমস্যায় থাকেন। এ জন্য ভালোবাসা ও দয়াশীলতা কেন্দ্রিক মেডিটেশন করার পরামর্শ দিয়েছেন ফিলিপ।

৫. অন্যের মন্তব্যে ঘাবড়ে যাওয়া
ক্লাশের কোনো প্রজেন্টেশন করছেন, পেছন থেকে কেউ বলে উঠলো, আরেকটু জোরে কথা বলুন। এটি যেকোনো লাজুক মানুষের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো। আবার কেউ যদি আপনার কম কথা বলা দেখে প্রশ্ন করে বসেন যে আপনি কেনো এতো কম কথা বলেন, তবে তা আরো অস্বস্তিকর।
কিন্তু চুপচাপ মানুষের নরম সুরে কথা বলার ইতিবাচক আবেদন রয়েছে এবং এটি জনপ্রিয়। তবে নেতৃত্বের চরিত্রে থাকলে নিরবতা এবং নরম সুরে কথা বলাটা বেশ কার্যকর।

৬. বাইরে বেরুনোর প্রবণতা খুব কম
লাজুক মানুষদের বাইরে যাওয়ার উপদেশ দিয়ে লাভ নেই। এতে বিপরীতটি ঘটে।
তাই এসব মানুষদের উপদেশ না দিয়ে তাদের কিছুটা সময় দেওয়া উচিত বলে মনে করেন হাফিংটন পোস্টের ব্লগার কেট বার্তোলটা।

৭. নিজের নেতৃত্বগুণ জানার পর তা প্রমাণে কঠোর পরিশ্রম করা
লাজুক মানুষরা নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে প্রায় সময়ই দ্বিগুণ পরিশ্রম করেন। বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে এমনটি হয়। তবে লাজুক মানুষরা নেতা হলে তারা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী হয়েছেন। বিশ্বের বেশ কয়েকজন বিশাল মাপের নেতাকে লাজুক স্ববাবের দেখা গেছে। তাদের মধ্যে একজন আব্রাহাম লিঙ্কন।

৮. স্পটলাইটের পাশে থাকতে পছন্দ করা
এরা একেবারে আলোর নিচে থাকতে পছন্দ করেন না। তারা লক্ষ্যের কেন্দ্রে থাকতে পছন্দ করেন না। আর এতেই অনেক সফলতা সহজেই ধরা দেয় বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। হেন্ডারসন বলেন, লাজুক মানুষরা পেছনে থেকে সবাইকে এগিয়ে নিয়ে যান। তারা দায়িত্বশীলতা থেকে নেতৃত্বে যান, স্পটলাইটে থাকার জন্য নন।

৯. অন্যরা লাজুক স্বভাবকে সমস্যা হিসেবে দেখেন, কিন্তু আপনি নন
লাজুক স্বভাবকে অনেকেই সমস্যা বলে মনে করেন। যদিও আপনি বোঝেন যে, এটা কোনো কাজের ক্ষেত্রে সমস্যা নয়। বরং এই বিশেষ বৈশিষ্ট্য আপনার চাবিকাঠি হতে পারে এবং তা কাজে লাগাতে পারেন আপনি। লাজুক মানুষরা অন্যের বিষয়ে বেশ স্পর্শকাতর। তারা বোঝেন কোন বিষয়টি তাদের লজ্জায় ফেলে দেয়। তাই অন্যের জন্য লজ্জাষ্কর বিষয় নিয়ে তারা চুপচাপ থাকেন।
ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি সাউথ-ইস্টস শাইনেস রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক বারনার্ডো ব্লগে লিখেছেন, লাজুক স্বভাবের মধ্যে কিছু সুবিধা আছে। অন্যরা একে কাজের ক্ষেত্রে নেতিবাচক মনে করলেও তা বরং ভিন্ন কিছুকে গ্রহণ করে নেওয়ার উপযোগী। স্বাভাবিক জীবনযাপনে লাজুক স্বভাব কোনো বাধাপ্রদান করে না। তাই তাঁরা নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে ভিন্নভাবে সফলতা বয়ে আনেন। সূত্র : হাফিংটন পোস্ট

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful