Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০ :: ৬ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ২০ অপরাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / সহসাই কাটছে না শ্যামাসুন্দরীর কান্না: কাজ বুঝে দেওয়ার আগেই ধসে যাচ্চে স্পার

সহসাই কাটছে না শ্যামাসুন্দরীর কান্না: কাজ বুঝে দেওয়ার আগেই ধসে যাচ্চে স্পার

SHAMA KHAL PHOTO--10-06-14

বিশেষ প্রতিনিধি: রংপুরের শ্রী শ্যামাসুন্দরী আজ জীর্ণ,গতিহীন,সৌন্দর্যহীন, ময়লা আবর্জনা ও দূষণে দূষণে কালো হয়ে যাচ্ছে। দখল করে স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে নিরুপায় তাই নীরবে কাঁদছে শ্যামাসুন্দরী। সর্বশেষ শ্যামাসুন্দরী খালের সংস্কার ও শোভাবর্ধনের জন্য ২৩ কোটি টাকার যে প্রকল্প শুরু হয়েছিল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সেই কাজ বুঝিয়ে দেয়ার আগেই ধসে যাচ্ছে এর স্পার। অনেকেই বলছেন সহসাই কাটছে না শ্যামাসুন্দরীর কান্না।

জানা গেছে, রংপুর শহরের জলাবদ্ধতা ও বিভিন্ন রোগ থেকে মানুষকে বাঁচানোর জন্য এবং পরিবেশের উন্নয়নের স্বার্থে রংপুর মিউনিসিপ্যালেটির প্রথম চেয়ারম্যার রাজা জানকীবল্লভ সেন তাঁর প্রয়াত মাতা শ্যামাসুন্দরীর নামে খনন করেন একটি খাল । যার নাম তিনি তাঁর প্রয়াত মা শ্যামাসুন্দরী নামে রাখেন। শ্যামাসুন্দরী খালের সঙ্গে জড়িয়ে আছে রংপুর মিউনিসিপ্যালেটির প্রথম চেয়ারম্যার রাজা জানকী বল্লভের নাম। জানকীবল্লভ সেন ছিলেন রংপুর মিউনিসিপ্যালিটির প্রথম চেয়ারম্যান [১৮৬৯]। ১৮৮৫ খ্রীঃ রংপুরে নবগঠিত জেলাবোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন তিনি। জানকীবল্লভের উল্লেখযোগ্য কাজ হচ্ছে রংপুর মিউনিসিপ্যালিটি ও রংপুর ডিস্ট্রিক্টবোর্ডের যৌথ প্রচেষ্টায় ঘাঘট (নদী) লিংক ক্যানেল খনন করা। এই ক্যানেলের তিনি নামকরণ করেন তাঁর প্রয়াতমাতা শ্যামাসুন্দরীর নামে। ১৮৯০ সালে শ্যামাসুন্দরী খাল খননের কাজ শুরু হয়। শেষ হয় ১৮৯৪ সালে। খালটির দৈর্ঘ্য ১৬ কিলোমিটার। প্রস্থ ৬০ ফিট থেকে ১২০ ফিট পর্যন্ত। খালটির উৎসমুখ রংপুর শহরের উত্তর দিকে কেল্লাবন্দের পিছন দিয়ে প্রবাহিত ঘাঘট নদী থেকে। শ্যামাসুন্দরীর গতিপথ শহরের ধাপ, পাশারিপাড়া, কেরানীপাড়া, মুন্সীপাড়া, নিউ ইঞ্জিনিয়ারপাড়া, গোমস্তাপাড়া, মূলাটোল, নূরপুর, বৈরাগীপাড়া, রবার্টসনগঞ্জ, মন্ডলপাড়া, মাহিগঞ্জ, তাজহাট হয়ে ঢাকা-রংপুর সড়কের কাছে পুনরায় ঘাঘট নদীতে পতিত হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) রংপুর সূত্র জানায়, ২০১২ ফেব্রুয়ারি মাসে ১২ কিলোমিটার শ্যামাসুন্দরী খাল সংস্কার, খালের ওপর সেতু নির্মাণ ও খাল খননের জন্য ২৩ কোটি টাকার দরপত্র আহবান করা হয়। এর মধ্যে খালের পাড় সংরক্ষণ বাবদ সাড়ে ১৬ কোটি টাকা, খাল খনন বাবদ এক কোটি ৪১ লাখ টাকা ও খালের ওপর নতুন করে তিনটি সেতু নির্মাণ ও একটি সেতু সংস্কার বাবদ চার কোটি টাকা।

চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজের আদেশ পায়। এরমধ্যে নগরীর সিও বাজার থেকে ধাপ পিটিআই সেতু পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটারের কাজ পান ঠিকাদার সৈয়দ শার্দুল। এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ৫ কোটি টাকা। গত বছরের ৩০জুন কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার কথা থাকলেও তা ব্যর্থ হয়েছেন সংশি¬ষ্ট ঠিকাদার। রংপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) চলতি বছরের ৩০জুন কাজ বুঝিয়ে দেয়ার শেষ সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে সুইচ গেট সংলগ্ন বেশকিছু এলাকা জুড়ে খালের পাড়ের স্পার ধসে গেছে।

রংপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ জানান, কাজ নিম্নমানের হয়নি। খালের পাড়ের পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ না করায় পানি চুইয়ে চুইয়ে স্পার ধসে গেছে। তবে পানি নিষ্কাশনের জন্য ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, রংপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুর রউফ মানিকের সময়ে এ প্রকল্প কাজের দরপত্র আহবান করা হয়। ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে মানিক পরাজিত হন। নতুন মেয়র নির্বাচিত হন সরফুদ্দীন আহমেদ ঝন্টু। কিন্তু নতুন মেয়র শপথ নেওয়ার আগ মুহূর্তে গত ২০১৩ সালের ১৬ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবের নির্দেশে সিটি করপোরেশনের শ্যামাসুন্দরী খাল উন্নয়ন প্রকল্পটি স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর রংপুর কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। স্থানীয় সরকার সচিবের নির্দেশে একই বছরের ২০ জানুয়ারি প্রকল্পের সকল কাগজপত্রসহ তিন কোটি ১০ লাখ টাকা এলজিডিইতে স্থানান্তর করা হয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful