Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০ :: ৬ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১ : ১১ অপরাহ্ন
Home / দিনাজপুর / এ্যাম্বুলেন্স চালকের দাপটে চিকিৎসা পেলেন না নির্যাতিতা গৃহবধূ

এ্যাম্বুলেন্স চালকের দাপটে চিকিৎসা পেলেন না নির্যাতিতা গৃহবধূ

কুরবান আলী, দিনাজপুর ॥ দিনাজপুরে রাণীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স চালক রফিকের দ্বারা নির্যাতিতা গৃহবধূ মনোয়ারা বেগম (৩৫) সঠিক চিকিৎসা না পেয়ে ৫ দিন পর বাধ্য হয়ে অসুস্থ অবস্থায় বাড়ী ফিরেছেন। মামলাও রেকর্ড করেনি পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে এসে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না পাওয়ার বর্ণনা দেন নির্যাতিতা গৃহবধূ মনোয়ারা বেগম। হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স চালক রফিক নিজেই মনোয়ারাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আহত করে। এদিকে এর আগে নির্যাতনের শিকার মনোয়ারাকে পুলিশ ৭ জুন ভোরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করলেও নির্যাতনের এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেনি। পুলিশ বলছে এজাহার রেকর্ড করতে একটু সমস্যা আছে।

ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার মহলবাড়ি গ্রামের মোঃ করিমের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান, দুবাই প্রবাসী তার স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তার ভাসুর রানীশংকৈল উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের এ্যাম্বুলেন্স চালক মোঃ রফিক তার কাছে এক লাখ টাকা দাবী করে। টাকা না পেয়ে রফিক ও অপর ভাসুর একরামুল হকসহ পরিবারের অন্যান্যরা গত ৬ জুন মনোয়ারাকে বেদম মারপিট করে। এতে গুরুত্বর আহত মনোয়ারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। খবর পেয়ে রানীশংকৈল থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে রানীশংকৈল স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হলে সেখান থেকে দিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এখানে প্রথম দিন চিকিৎসা পেলেও পরদিন ৭ জুন অভিযুক্ত ভাসুর এ্যাম্বুলেন্স চালক রফিক দিমেক হাসপাতালে এসে মনোয়ারাকে চিকিৎসা না দেয়ার জন্য প্রভাব খাটায়। এরপর তার আর চিকিৎসা হয়নি। বরং চিকিৎসক ও নার্সদের দুর্ব্যবহারে অতিষ্ঠ হন নির্যাতিতা মনোয়ারা।

ঘটনা জানতে পেরে মহিলা পরিষদ দিনাজপুর শাখার সভানেত্রী কানিজ রহমান, সাধারন সম্পাদক মারুফা বেগম ফেন্সি ও মনোয়ারা সানুসহ কয়েকজন নারী নেত্রী ৯ জুন বিকেলে হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতিতা মনোয়ারার চিকিৎসা না পাওয়ার বিষয়ে কর্তব্যরত নার্সকে জিজ্ঞাসা করলে কয়েকজন নার্স তাদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করে। এর পর মনোয়ারার চিকিৎসা না দিয়ে ১০ জুন তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়।
মহিলা পরিষদ নেতৃবৃন্দ মনোয়ারার রিলিজের বিষয়টি দিমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ সিদ্দিকুর রহমানকে জানালে উপ-পরিচালক মনোয়ারাকে পুনরায় ভর্তি নিতে ওয়ার্ড মাষ্টার মাসুদ রানাকে নির্দেশ দেন। ততক্ষনে মনোয়ারা হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছে।
শুধু হাসপাতাল নয়, থানাও অভিযুক্ত রফিকের প্রভাবে মামলা রেকর্ড করেনি। রানীশংকৈল থানার ওসি আব্দুল মোনায়েম নির্যাতিতা মনোরাকে পুলিশ কর্তৃক উদ্ধার এবং থানায় এজাহার দেয়ার বিষয় স্বীকার করে জানান, একটু সমস্যা আছে, তাই এজাহারটি নথিভুক্ত করা হয়নি। কি সমস্যা তা তিনি বলতে অস্বীকৃতি জানান।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful