Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০ :: ৮ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৫৯ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / শুরু হচ্ছে বাংলাদেশি খেদাও অভিযান

শুরু হচ্ছে বাংলাদেশি খেদাও অভিযান

ananবাংলাদেশিদের চিহ্নিত করে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ শুরু হচ্ছে আসাম থেকেই, পশ্চিমবঙ্গ নয়। আজ শুক্রবার ভারতের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরানোর কাজে আসাম-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু তড়িঘড়ি করে যে অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়, সেটা বুঝতে পেরেছেন নরেন্দ্র মোদির সরকার। এজন্যে সময় নিয়ে, সবকিছু বিবেচনা করে পদক্ষেপ িনেবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার মনে করছে সময় বেশি লাগলেও, কাউকে অযথা হেনস্থা করা হবে না।

বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সময় নষ্ট না করে আসাম থেকেই কাজটি শুরু করতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার।

আসামে বসবাসকারী অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে ১৯৭১ সালের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে নতুন করে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (ন্যাশনাল রেজিস্টার অফ সিটিজেনস) তৈরির কাজ শুরু হবে। সেই অনুযায়ীই ১৯৭১ সালের পর থেকে কারা বাংলাদেশ থেকে আসামে এসে বসবাস শুরু করেছেন, তা চিহ্নিত করা হবে। এরপরে তাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটের প্রচারে পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর কথা বলেছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

পাল্টা জবাবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন মোদিকে কোমরে দড়ি দিয়ে জেলে পাঠানো উচিত।

সেই রাজনৈতিক বিতর্ক কিন্তু ভোটের পরেও থামেনি। সংসদেও সম্প্রতি তৃণমূলের পক্ষে দাবি তোলা হয়েছে, আইন মেনে কাজ হোক, অনুপ্রবেশ নিয়ে যেনো কোনো রাজনীতি না হয়।

পশ্চিমবঙ্গের অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার বিষয়ে কী পরিকল্পনা নেওয়া হবে, তা নিয়ে অবশ্য এখনই কিছু জানায়নি দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কর্তারা।

বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের দাবি, প্রথমে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা হোক। এরপরে যে সব বেআইনি অনুপ্রবেশকারী ইতিমধ্যেই এ রাজ্যে বসবাস করছেন, তাদের চিহ্নিত করা হবে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি রাহুল সিং বলেন, যাঁরা বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে শরণার্থী হিসেবে এসেছেন, তাঁদের সঙ্গে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের তফাত রয়েছে। শুধুমাত্র আর্থিক কারণে যাঁরা বাংলাদেশ থেকে এসেছেন, তাঁদের নামের তালিকা তৈরি হোক।’

বেআইনি অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিতকরণের ক্ষেত্রে পথও বলে দিয়েছেন রাহুল সিং। তার মতে, ‘পুলিশ-প্রশাসন-রাজনৈতিক দল সকলেই জানে কারা বেআইনি অনুপ্রবেশকারী। সরকারি তথ্যই সেটা বলে দেবে। তবে এ কাজে সময় লাগতে পারে। কিন্তু কাউকে যেন হেনস্থা করা না হয়।’

আসাম থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করতে সময় লাগবে বলে মনে করছে কেন্দ্র সরকার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কর্তাদের দাবি, নাগরিক পঞ্জি তৈরি করতেই অন্তত দুই বছর সময় লাগবে। রাজ্যের সব বাসিন্দাকে নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করতে হবে। সেই ফর্মে দেওয়া তথ্য ১৯৭১ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে। এখন যে নাগরিক পঞ্জি রয়েছে, তা ১৯৫১ সালের। এ বার ১৯৭১ সালের ভিত্তিতে নাগরিক পঞ্জি তৈরি হবে। এই প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যেই আসাম সরকারকে ২৬০ কোটি রূপি বরাদ্দ করা হয়েছে।

নাগরিক পঞ্জি তৈরির কাজ শুরু করতে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও সংশ্লিষ্ট আমলাদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ।

মনমোহন সরকারের আমলে আসামে নাগরিক পঞ্জি তৈরির কাজ হাতে নেওয়া হয়েছিল। ২০১০ সালে ‘পাইলট প্রোজেক্ট’ হিসেবে এই কাজ শুরু হয় বরপেটা ও কামরূপ জেলায়। কিন্তু এর বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে রাজ্যের সংখ্যালঘু ছাত্র সংগঠন আমসু। পুলিশের গুলিতে চার আন্দোলনকারী নিহত হওয়ার পরে এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এবার আটঘাঁট বেঁধে সেই কাজ শুরু করতে চাইছে মোদি সরকার।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful