Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৬ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৩ : ৫৯ পুর্বাহ্ন
Home / খোলা কলাম / রাজনীতিতে ফরমালিনের ছড়াছড়ি

রাজনীতিতে ফরমালিনের ছড়াছড়ি

হায়দার আকবর খান রনো

Formalin-01ফরমালিন এখন খাদ্যের বাজার ছেড়ে রাজনীতিতেও প্রবেশ করেছে। শুরুটা করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাপান থেকে ফিরে এসে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বললেন, ‘আমরা বিএনপিকে ফরমালিন দিয়ে তাজা রাখার চেষ্টা করছি।’ ফরমালিন এমন এক রাসায়নিক দ্রব্য যা মরা মানুষের দেহকে পচতে দেয় না। কিন্তু বাঁচিয়েও তোলে না। এই ফরমালিন এখন ব্যবহৃত হচ্ছে খাদ্যের বাজারে। ফলমূল, দুধ ও মাছে দেদার ফরমালিন ব্যবহার করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা তাজাভাব দেখানোর জন্য। বাস্তবে তা হলো খাদ্যে বিষ প্রয়োগ। এটা বন্ধ করার জন্য দাবি উঠেছে বার বার। মানুষের স্বাস্থ্য যাতে বিষ প্রয়োগের কারণে ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে, সেই দিকটি রক্ষা করার দায়িত্ব সরকারের। কিন্তু সরকারের সেদিকে একেবারেই খেয়াল নেই। জনস্বার্থের কোন দিকেইবা আছে! ফরমালিন হলো স্লো পয়োজনের মতো। দীর্ঘকাল ধরে ফরমালিনযুক্ত খাদ্য খেলে ব্যক্তি ক্যান্সারে আক্রান্ত হবে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। তবু শেখ হাসিনার গত মন্ত্রিসভায় (২০০৯-২০১৪) এক প্রভাবশালী মন্ত্রী বলে বসলেন, ফরমালিন বন্ধ করা যাবে না। কারণ তাতে বিক্রেতারা বাজারে খাদ্যপণ্য আনবে না। মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের স্বার্থে যে সরকারের মন্ত্রী জনগণকে বিষ গলাধঃকরণ করতে বাধ্য করতে পারেন, সেই দায়িত্বজ্ঞানহীন সরকারের কাছ থেকে কী-ইবা আশা করা যেতে পারে।

কৌতুক করেই হোক অথবা ব্যঙ্গ করেই হোক, ফরমালিনের প্রসঙ্গটা উচ্চারণ করা প্রধানমন্ত্রীর সঠিক হয়নি, যখন বাস্তব জীবনে ফরমালিনের বাস্তব বিষ প্রক্রিয়া তিনি রোধ করতে পারেননি।

হয়তো প্রধানমন্ত্রী সেই দিকটি ভেবে দেখেননি। কৌতুকপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী ভাবলেন, একটা চমৎকার উপমা দ্বারা বিএনপিকে খানিকটা হেয় করা গেল। বিএনপি এখন অনেকটা নিস্তেজ। তার কারণ দুটি। প্রথম. বিএনপি জামায়াতের সঙ্গে জোট বেঁধে যেভাবে সরকারের পতন ঘটাবে বলে ধারণা করেছিল তা ঘটেনি বলে তাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে। আর এ রকম আদর্শহীন দলের পক্ষে কর্মীদের ক্ষমতার বাইরে রেখে বেশি দিন দল ধরে রাখাও যায় না। তাই মৃতপ্রায় বিএনপিকে ফরমালিনের মতো কিছু একটা দিয়ে চাঙ্গা রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত. সরকার যে ধরনের চরম স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ করছে, বিএনপিকে সামান্য ঘরোয়া সভা পর্যন্ত করতে দেবে না, সেক্ষেত্রে বিএনপির মতো দলের পক্ষে অসহায়ত্ববোধ করা ছাড়া কী-ইবা করার আছে।

এটা মনে করার সঙ্গত কারণে আছে যে, এবার স্বচ্ছ নির্বাচন হলে বিএনপি জিতত এবং আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হতো। জাতীয় নির্বাচনের আগে আগে কয়েকটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন এবং প্রথমদিকের উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল সেই ইঙ্গিতই দেয়। অবশ্য উপজেলা নির্বাচনের প্রথম দুই পর্যায়ের ফলাফলে আওয়ামী লীগের পরাজয়ের পর আওয়ামী লীগ আর সুষ্ঠু নির্বাচনের ভড়ংটুকুও রাখল না। এমন প্রকাশ্য ও সর্বব্যাপক ভোট কেলেঙ্কারি, নির্বাচনের আগের রাতেই ব্যালট পেপারে সিল মারার ঘটনা নজিরবিহীনও বটে। একথা বলা যায়, আওয়ামী লীগ তথা মহাজোট সরকার ৫ জানুয়ারির মতো প্রহসনের নির্বাচন করিয়ে একরকম গায়ের জোরেই ক্ষমতায় আছে। কিন্তু জনগণকে সমবেত করা, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেই সরকারকে হটানোর ক্ষমতা ও যোগ্যতা নেই বিএনপির। তাই শেখ হাসিনা টিপ্পনি কাটছেন। বিএনপিকে পচে যাওয়া খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে তুলনা করছেন, যাকে ফরমালিন দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হচ্ছে।

বস্তুত রাজনীতিতে এখন এক ত্রিশঙ্কু অবস্থা বিরাজ করছে। সুষ্ঠুভাবে দেশ পরিচালনা করতে হলে যে নূ্যনতম জনসমর্থন লাগে তা আওয়ামী লীগ তথা মহাজোটের নেই। তার ওপর প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের দ্বারা সরকার ক্ষমতায় বসেছে। ফলে তার নৈতিক ভিত্তিও শূন্য এবং ন্যায্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ। কিন্তু অপরপক্ষে জনগণকে সংগঠিত করে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় সক্রিয় জনসমর্থনও বিএনপির নেই। তাই শেখ হাসিনা ব্যঙ্গ করতে পারছেন। টিপ্পনি কাটতে পারছেন।

তবে ব্যঙ্গ-বিদ্বেষ যেভাবেই হোক শেখ হাসিনা যে কথাটি বলেছেন, তা মিথ্যা নয়। বিএনপির এ অবস্থায় সম্পূর্ণ নিস্তেজ হয়ে নিঃশেষ হয়ে যাওয়ারই কথা। শেখ হাসিনা ঠিকই বলেছেন, এ অবস্থায় আওয়ামী লীগ ও তার সরকারই ফরমালিন দিয়ে বিএনপিকে বাঁচিয়ে রেখেছে। আওয়ামী লীগের ফরমালিন হলো তাদের চরম গণবিরোধী কাজ, সন্ত্রাস, গুম, খুন, রাষ্ট্রযন্ত্রের বিশৃঙ্খল অবস্থা, বেপরোয়া দুর্নীতি, অন্তর্দ্বন্দ্বে খুন-খারাবি, টেন্ডারবাজি, ভূমি-নদী-সম্পত্তি দখল, ছাত্রলীগের দাপট, নতজানু পররাষ্ট্রনীতি, শ্রমিকবিদ্বেষী নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ইত্যাদি যা সরকারের হারানো জনপ্রিয়তাকে আরও নিচে নামিয়ে আনছে। বিপরীত পক্ষ বিএনপিকেও উৎসাহিত করছে। এটাই ফরমালিনের মতো কাজ করছে।

তাই একভাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামও সঠিকভাবে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেই এখন ফরমালিনে পরিণত হয়েছেন। ফরমালিন যদি বিষের নাম হয়, তাহলে সেই বিষপ্রক্রিয়া বিএনপির মধ্যেও কম নেই। হাসিনার বর্তমান ও সদ্য বিদায়ী আমলে তারা যেভাবে বেপরোয়া দুর্নীতি ও মাত্র পাঁচ বছরের ব্যবধানে কোনো কোনো মন্ত্রীর ৪০ হাজার শতাংশ সম্পদ বৃদ্ধির ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছি, আমরা বিএনপি আমলেও তেমনই দেখেছি হাওয়া ভবনের কীর্তিকলাপ। খালেদা জিয়া আজকে র‌্যাবকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাচ্ছেন। এই দাবি আন্তর্জাতিকভাবেও উঠেছে। কারণ এটা সন্দেহ করার সঙ্গত কারণ আছে যে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডগুলোর সঙ্গে র‌্যাবের সংশ্লিষ্টতা আছে। র‌্যাবকে নিষিদ্ধ করার যুক্তিসঙ্গত দাবি তোলার সঙ্গে সঙ্গে কি খালেদা জিয়ার কাছ থেকে একটি আত্দসমালোচনামূলক বক্তব্য আশা করতে পারি না? কারণ তিনিই তো র‌্যাবের প্রতিষ্ঠাতা। তিনিই ক্লিনহার্ট অপারেশন করেছিলেন, যখন পুলিশ হেফাজতে যৌথবাহিনীর নির্যাতনে অনেকের জীবন গেছে। বেগম খালেদা জিয়া আরও যেটা করেছিলেন তা হলো_ পুলিশ হেফাজতে যারা মারা গেছেন, তাদের মৃত্যুর জন্য দায়ী পুলিশ-মিলিটারির কর্মকর্তাদের দায়মুক্তি দিয়েছিলেন। হত্যাকারীকে আইন করে দায়মুক্তি দিয়েছিলেন। আজ তাদের মুখে বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগ শুনলে মনে হয় এ যেন ভূতের মুখে রাম নাম। তাই বলছিলাম আত্দসমালোচনা করা দরকার। কিন্তু সব নেতা-নেত্রীর কী সেই শিক্ষা, সেই উঁচু মন, সেই সাংস্কৃতিক উচ্চতা আছে? তাই কার কাছে কী আশা করব? এসব কারণে আমরা প্রহসনের নির্বাচনে নির্বাচিত গণবিরোধী দুর্নীতিবাজ, গুম-খুনের জন্য দায়ী আওয়ামী লীগ সরকারকে যেমন চাই না, তেমনি চাই না বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারকে। কে কার চেয়ে বেশি দুর্নীতিবাজ, কার আমলে কত মানুষ বিনা বিচারে হত্যা হয়েছে, এর তুলনামূলক বিচার আমাদের দরকার নেই। কমিউনিস্ট পার্টি-বাসদসহ সব বাম দলই আজ বলছে, উভয়ই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। একটার বদলে আরেকটা চাই না।

প্রায় একই কথা বলেছেন ড. কামাল হোসেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতি থেকেই ফরমালিন দূর করতে হবে। খাবারে ফরমালিন দিয়ে পচা ও নষ্ট জিনিসকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়, আমাদের রাজনীতিতেও সেভাবে ফরমালিন দেওয়া হচ্ছে।’ দিচ্ছে প্রধানত দুটি দলই। সমাজ ও রাজনীতিতে ফরমালিনের মতো বিষ ছড়াচ্ছে। এই বিষপ্রক্রিয়া থেকে মুক্ত হতে হলে এই দুই দলকে বিদায় দিতে হবে। জনগণের উপলব্ধিতে ও চেতনায় এটা যতদিন না আসবে, ততদিন যেমন ফরমালিন মিশ্রিত খাদ্য খেতে হবে, তেমনি দুর্নীতি, সন্ত্রাস, গুম-খুন-লুটেরা রাজনীতি-অর্থনীতির বিষ গলাধঃকরণ করতেই হবে।

এই দুই দলের কীর্তিকলাপ এতটাই জঘন্য এবং বিষ প্রক্রিয়াসম যে, এরশাদের মতো সামরিক স্বৈরাচার ও দুর্নীতিবাজও বলছেন, ‘দুই দল চলে গেলে ফরমালিন থাকবে না রাজনীতিতে।’ ভাবতে হাসিও পায়, কান্নাও পায়। এরশাদের মতো লোকও আজ উপদেশ দিচ্ছেন দুই দলকে হটাও। উপদেশটা সঠিক, কিন্তু এ কথা কী এরশাদের মুখে মানায়? এরশাদের অতীত পাপের কথা না হয় বাদই দিলাম। বর্তমানেও তিনি এখন শেখ হাসিনার বিশেষ দূত। তার দলের নেতারা ‘হাসিনা ক্যাবিনেটের মন্ত্রীর পদ অলঙ্কৃত করছেন। আর তার স্ত্রী এবং দলের ভাইস চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ হাসিনার গৃহপালিত বিরোধী দলের নেত্রী। মহাজোটের সঙ্গে সংশ্রব পরিপূর্ণ ত্যাগ করার পরই তো এমন সমালোচনা করা চলে।

প্রতিষ্ঠিত বুর্জোয়া নেতাদের এ ধরনের দুমুখো ও ভণ্ড নীতির জন্যই তো সর্বনাশ হয়ে যাচ্ছে দেশের। আর সেই এরশাদকে নিয়ে কী ন্যক্কারজনক টানাটানিই না দেখেছি দুই নেত্রীর মধ্যে। এক এরশাদের জন্য কত কৌশল! কত মল্লযুদ্ধ। নির্বাচন কমিশনকেও দেখেছি, এরশাদ সাহেব মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও তা মানা হচ্ছে না। হায়রে! কত রঙ যে দেখেছি। আরও কত দেখব কে জানে? সে সব রঙের সঙ্গে যুক্ত আছে ফরমালিন। বিষময় করছে রাজনীতি, সমাজনীতি ও অর্থনীতি।

টানাটানি শুধু এরশাদ নয়, মৌলবাদী যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে নিয়েও কম হয়নি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম। আমরা দেখেছি তখন ক্ষমতাসীন বিএনপি তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দিয়েছিল। আবার আওয়ামী লীগ সুকৌশলে সেই আন্দোলনকে দুর্বল করে সরে এসেছিল। শুধু তা-ই নয়, তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে (যে দাবির এখন তারা বিরোধিতা করছেন) জামায়াতের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেছিলেন। নীতির কোনো বালাই নেই এই দুই দলের। আবার একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে দেখছি। জামায়াত নিষিদ্ধকরণের প্রশ্নে তারা নানা কুযুক্তি উত্থাপন করে পিছটান দেওয়ার কৌশল আঁটছে। একই উদ্দেশ্যে তারা গণজাগরণ মঞ্চকেও বিভক্ত করতে চেয়েছেন। বিচার প্রক্রিয়াও যেন থমকে গেছে। যেসব তথাকথিত প্রগতিশীল বা একদা বামরা মৌলবাদকে প্রতিহত করার নামে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন, এমনকি মন্ত্রিসভায় পর্যন্ত যোগদান করেন তাদের একবার ভেবে দেখা দরকার, আওয়ামী লীগ নিজে কতটা মৌলবাদকে প্রতিহত করতে মনস্থির করেছে। উপরন্তু গণতন্ত্রকে নির্বাসন দিয়ে জনগণের মৌলিক স্বার্থ, ভাত, কাপড়, জমি, কাজ, ট্রেড ইউনিয়ন অধিকারকে জলাঞ্জলি দিয়ে মুখে মৌলবাদের বিরুদ্ধে আস্ফালন করে মৌলবাদকে কি প্রতিহত করা যায়? অন্যদিকে জামায়াত-হেফাজতের মতো যুদ্ধাপরাধী-ঘোর প্রতিক্রিয়াশীলদের সঙ্গে নিয়ে আর যাই হোক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা যায় না। তাই খালেদা জিয়ার ঘোষণা_ তার বাচাল পুত্রের অবান্তর কথাবার্তা কোনোটাই গণতন্ত্র আনবে না। বরং দুটি দল কেবল রাজনীতিতে ফরমালিন ঢালবে।

এখন বাজেট অধিবেশন চলছে। তাই বাজেট নিয়েই কথাবার্তা বেশি হচ্ছে ও হবে। কিন্তু কী হবে বাজেট আলোচনায় যদি রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন, সন্ত্রাস খুনের পরিবেশ দখলদারিত্বের রাজনীতি, জামায়াত-হেফাজতের মৌলবাদের উগ্রতা ফরমালিনের মতোই সারা দেশে বিষ প্রক্রিয়া ছড়ায়। কোনো ভালো বাজেটও কাজে দেবে না। আমি জানি না, বাজেট আলোচনায় ফরমালিন আমদানি নিষিদ্ধকরণ (সরকারি নিয়ন্ত্রণে সীমিত প্রয়োজনে সীমিত আমদানি হতে পারে) এবং জনস্বার্থের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে কিনা।

কিন্তু আমরা চাই খাবারের বাজার থেকে যেমন ফরমালিন দূর হোক, তেমনি রাজনীতি থেকেও ফরমালিন দূর হোক। তার মানে প্রতিষ্ঠিত দুই বড় দলের বিদায় ঘটুক। বিকল্পের জন্ম হোক। অভ্যুদয় ঘটুক নতুন গণমানুষের রাজনীতির।

লেখক : রাজনীতিক।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful