Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ :: ১০ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ২ : ২৩ পুর্বাহ্ন
Home / ঠাঁকুরগাও / ঠাকুরগাঁও স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতাল বন্ধ: দূর্ভোগে চক্ষু ও ডায়াবেটিক রোগীরা

ঠাকুরগাঁও স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতাল বন্ধ: দূর্ভোগে চক্ষু ও ডায়াবেটিক রোগীরা

unnamed (3)রবিউল এহসান রিপন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : বকেয়া ১০ মাসের বেতনের দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতালের গত ২০দিন ধরে বিক্ষোভ, অবরোধ, অনির্দিষ্টকালে কর্মবিরতির ফলে চরম দূভোর্গে পড়েছে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড়ের প্রায় ২০ হাজার চক্ষু ও ডায়াবেটিক রোগী।

বকেয়া বেতনের দাবিতে গত ৩১ মে থেকে এই আন্দোলন শুরু করে চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

দুই জেলার চক্ষু ও ডায়াবেটিক রোগীরা প্রতিদিন হাসপাতালে এসে ঘুরে যাচ্ছেন। ফলে চিকিৎসাসেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ইসরাফিল আলম নামে এক চক্ষু রোগী জানান, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালটিতে কোন প্রকার চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে না। আমি দরিদ্র মানুষ জেলার বাইরে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার সামর্থ্য নেই।

সাদেকুল ইসলাম নামে আর এক ডায়াবেটিক রোগী জানান, জেল্য়া একটি মাত্র ডায়াবেটিক হাসপাতাল ৭০ কি:মি দূর থেকে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য এখানে এসেছে। কিন্তু হাসপাতালটি বন্ধ করে কর্মচারিরা বকেয়া বেতনের জন্য আন্দোলন করছে। এতে করে চরম দূভোর্গে পড়ছি রোগীরা।

চিকিৎসক ডা. মন্ডল জানান, গত ২০ দিন ধরে বকেয়া বেতনের আন্দোলন করছি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোন নজরে আনছে না। এতে করে আমাদের কর্মচারি, কর্মকর্তারদের পরিবার আর্থিক সংকটের কারণে দূভোর্গে রয়েছে।

ডায়াবেটিক সমিতি ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এই হাসপাতালের ১২৬ জন চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী গত ১০ মাস ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ঠাকুরগাঁওয়ে ২০০৬ সালে স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু হয়। এ প্রকল্পের অধীনে ঠাকুরগাঁও স্বাস্থ্যসেবা হাসপাতাল ও রানীশংকৈল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ১২৬ জন চিকিত্সক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কাজ করছেন। কিন্তু ১০ মাস ধরে তারা বেতন পাচ্ছেন না। এরই প্রতিবাদে এবং বেতনের দাবিতে ৩১ মে থেকে কর্মবিরতি শুরু করেছে তারা।

নির্বাহী পরিচালক এ কে এম একরামুল হোসেন জানান, হাসপাতালের যাবতীয় আয় নিয়মানুযায়ী প্রকল্পের নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাব নম্বরে পাঠিয়ে দিতে হয়। মাসিক চাহিদার ভিত্তিতে হাসপাতাল থেকে পরিচালনার খরচ ফেরত আসে। কিন্তু বছর খানেক ধরে মাসিক চাহিদা অনুযায়ী টাকা না পাওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাকি পড়েছে। তিনি জানান, কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিজেদের আয় থেকেই হাসপাতালের ব্যয় চালাতে হবে। হাসপাতাল পরিচালনায় মাসে বেতন-ভাতাসহ গড়ে খরচ হয় ২২-২৩ লাখ টাকা । কিন্তু আয় হয় ১৫-১৬ লাখ টাকা। তাই ভর্তুকি না পেলে প্রকল্প পরিচালনা অসম্ভব।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful