Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০ :: ৬ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ০৫ পুর্বাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / ফলোআপ: ভুরুঙ্গামারীতে শিশু হত্যার মুল আসামী কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার

ফলোআপ: ভুরুঙ্গামারীতে শিশু হত্যার মুল আসামী কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার

কুKurigram Manobbondhon Photoড়িগ্রাম প্রতিনিধি: জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় ৫ বছরের শিশু রওনক হত্যার মুল আসামী বর্ষণকে কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে কক্সবাজারের হোটেল সি-গার্ল এর পাশ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে থানা পুলিশ এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করে।

এদিকে,বুধবার রওনক হত্যাকান্ডের দ্রুত বিচারের দাবিতে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা পরিষদ চত্তরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সচেতন মহল মানববন্ধন করেছে।

উল্লেখ্য, গত রোববার ভুরুঙ্গামারী উপজেলা শহরে কামাত-আঙ্গারিয়ায় রোকনুজ্জামানের বাড়ীতে ঢুকে তার ৫ বছরের শিশু রওনককে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তরা শিশুটির মা পারভীনকেও উপর্যুপুরী ছুরিকাঘাত করে। তাকে মুমূর্ষ অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নিহতের পিতা বাদী হয়ে সোমবার রাতে ৩ জনকে আসামী করে ভুরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। এরপর পুলিশ মঙ্গলবার ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে বর্ষণের জ্যাঠা জাওয়াদুল আলম (৬৫) ও মা মাজেদা বেগম (৪৮) কে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। এ নৃসংশ হত্যাকান্ডের দিনই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বর্ষণের পিতা আজাদুল আলমকে। এদিকে, মামলা দায়েরের পর থেকে রোকনুজ্জামানের ২য় স্ত্রী রেহানা বেগম পলাতক রয়েছে। পুলিশের ধারনা, ২য় স্ত্রীর কারনেই দুই পরিবারের মধ্যে শত্রুতার সৃষ্টি এবং এ হত্যাকান্ডের নেপথ্য কারণ হতে পারে।

Marderঅনুসন্ধানে জানা গেছে, রোকনুজ্জামানের সাথে লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জের রোকসানা পারভিনের বিয়ে হয়। তাদের দুই পুত্র রুয়াদ (৭) ও রওনক (৫) । এদের মধ্যে রওনককে হত্যা করা হয়। ২ বছর আগে রোকনুজ্জান প্রেম করে আবারও খালাতো বোন রেহানাকে বিয়ে করে। এ বিয়েতে ১ম স্ত্রী কিংবা পরিবারের অন্য সদস্যদের কোনই মতামত ছিলোনা। ফলে ২য় স্ত্রী তার বাবার বাড়িতেই ছিলো এবং সেখানে নিয়মিত রোকনের যাতায়াতও ছিলো। এই ২য় স্ত্রী মামলায় অভিযুক্ত বর্ষণের ফুফাতো বোন। ইতেসাত নঈম বর্ষণ (২০) ভুরুঙ্গামারী ডিগ্রী কলেজের ছাত্র।

গতবছর একই ক্লাশের এক মেয়ের সাথে প্রেম করে পালিয়ে যায় সে। পরে মেয়েটিকে তার অসম্মতিতেই পরিবারের কাছে ফেরত দেয়া হয়। কয়েকবার এমন ঘটনা ঘটায় সে। পরবর্তীতে বর্ষণ আস্তে আস্তে ড্রাগ এডিকটেড হয়ে পড়ে। অনেকের ধারনা, ড্রাগের টাকা চেয়ে ব্যর্থ হয়ে মাদকাসক্ত বর্ষণ এঘটনা ঘটাতে পারে। অথবা টাকার লোভে সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

পুলিশ সুপার সঞ্জয় কুমার কুন্ডু জানান, বর্ষন কবিরকে কক্সবাজার থেকে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই হত্যাকান্ডের মুল রহস্য জানা যাবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful