Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৪ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ২ : ২০ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / কুড়িগ্রামে স্বাধীনতা বিরোধীদের পিপি-জিপি নিয়োগের পায়তারা

কুড়িগ্রামে স্বাধীনতা বিরোধীদের পিপি-জিপি নিয়োগের পায়তারা

তৈয়বুর রহমান, কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে পিপি-জিপি নিয়োগে একটি মহল স্বাধীনতা বিরোধীদের নিয়োগের জন্য তৎপরতা শুরু করায় সরকারি দলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। অধিক্ষেত্র আইন পেশায় ফৌজদারী কাজে অভিজ্ঞতা না থাকার পরও আওয়ামী পন্থিদের সরিয়ে দিয়ে বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করার জন্য উঠে পরে লেগেছে ওই মহলটি। দেশে স্বাধীনতার শক্তি ক্ষমতায় থাকার পরও গুরুত্বপূর্ণ এসব পদে আওয়ামী বিরোধীদের নিয়োগ প্রদান করা হলে স্বাধীনতা বিরোধীদের উৎসাহিত করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানা যায়, প্রথা অনুযায়ী সরকার বদলের পর পিপি জিপিসহ অন্যান্য আইন কর্মকর্তাগণ নিয়োগ পেয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে আইন পেশায় দক্ষ, সক্রিয় দলীয় রাজনীতির সাথে যুক্ত এবং আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়। সে মোতাবেক জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ এবং জেলা বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ সর্বসম্মতভাবে একটি তালিকা জমা দেয়। এতে পিপি হিসেবে চাঞ্চল্যকর ফেলানী হত্যা মামলার বাংলাদেশ পক্ষের কৌশলী, কুড়িগ্রাম জেলা বারের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ্যডভোকেট এস.এম.আব্রাহাম লিংকন, জিপি হিসেবে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ মুসা মিঞা, নারী শিশু আদালতের বিশেষ পিপি হিসেবে জেলা আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক আ্যডভোকেট আব্দুর রাজ্জাকের নাম প্রস্তাব করা হয়। এই প্রস্তাবিত তালিকা মোতাবেক আইনমন্ত্রী বরাবর ডিও লেটার প্রদান করেন কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য এ.কে.এম. মোস্তাফিজার রহমান (জাপা- এরশাদ), কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ.কে.এম.মাঈদুল ইসলাম মুকুল (জাপা- এরশাদ) ও কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল আমিন ( জাপা-মঞ্জু)। এ অবস্থায় কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য তাজুল ইসলাম চৌধুরী (জাপা-এরশাদ) আলাদাভাবে পিপি-জিপি নিয়োগের জন্য তৎপরতা শুরু করায় সরকার ও সরকার বিরোধীদের মধ্যে টান টান অবস্থা বিরাজ করছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গণহত্যার সাথে সরাসরি জড়িত এবং যুদ্ধাপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত তাজুল ইসলাম চৌধুরী নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য এমন কিছু ব্যক্তির নাম সুপারিশ করেছেন তারা শুধু বিতর্কিতই নন। তারা স্বাধীনতা বিরোধীদের সংশ্রবে আছেন। তার সুপারিশকৃতরা হলেন কুড়িগ্রাম জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের প্যানেলে সহ-সভাপতি প্রার্থী ও আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সান্টু। যাকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (বিশেষ) ট্রাইবুনালের স্পেশাল পিপি পিপি হিসেবে, বর্তমান অর্পিত সম্পদ আদালতের ভি পি জিপি যিনি একইসাথে অতিরিক্ত জিপি অ্যাডভোকেট এরশাদুল হক চৌধুরীকে পিপি হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে বলে একটি সুত্র নিশ্চিত করেছে। উল্লেখ্য এরশাদুল হক চৌধুরীর দাদা এবং তাজুল ইসলাম চৌধুরী ভাই। তাজুল ইসলাম চৌধুরী একই সাথে জেলা জামায়াতর নেতা অ্যডভোকেট ইয়াসিন আলী সরকারের জুনিয়র অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ আকন্দকেও আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করছেন।

বিগত নির্বাচনে কুড়িগ্রামের ৪টি সংসদীয় আসনে জাপা প্রার্থীরা জয়লাভ করে। এরফলে জাপা নিজেদের অতীত কার্যকলাপ ঢেকে রাখার জন্য আওয়ামী ও স্বাধীনতা বিরোধীদের বিভিন্ন জায়গায় বসিয়ে দেওয়ার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। তারই প্রক্রিয়া হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ পিপি জিপি পদে বিতর্কিতদের নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে জেলায় সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে সরকারদলীয় সংগঠনটি। অপরদিকে পুরস্কৃত করা হবে বিরোধী পক্ষকে। এতে জঙ্গী সংগঠনসহ স্বাধীনতা বিরোধীরা আইনের ফাক গলে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে। বিষয়টি সচেতন মহলকে ভাবিয়ে তুলেছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful