Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৪ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৪৭ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / রাজীবপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

রাজীবপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

Rajibpur pictur 22,06,2014রুহুল সরকার.রাজীবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রাজীবপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ইউনুস আলী। তিনি ১০ বছর আগে কলেজে যোগদান করার পর থেকে তার একচ্ছত্র আধিপত্য আর ঘুষ দুর্নীতিতে তিনি পাকা হয়ে উঠেছেন। এর আগে তার পছন্দের লোককে নানা কৌশলে কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য করেন। আর পদাধিকার বলে কলেজের গবর্নিং বডির সভাপতি হন স্থানীয় সংসদ সদস্য। গত ১৪ জুন করেজের তিনটা বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগে পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই তার পছন্দের প্রার্থীদেরকে প্রশ্ন ফাঁস করার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং এলাকাবাসি বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন এক পর্যায় নিয়োগ পরীক্ষা ভন্ডুল করে দেন। এরপরই তার বিরুদ্ধে একের পর এক দুনীতির অভিযোগ উঠতে থাকে।

শিক্ষকদের অভিযোগে জানা গেছে, গত ১০ বছরে শিক্ষক নিয়োগে কোটি টাকার বাণিজ্য করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ। প্রতি শিক্ষকের কাছ থেকে ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা করে ঘুষ গ্রহণ করা হয়েছে যার কোনো হিসাব নেই। বর্তমানে বিএসসি শাখা খোলার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে ও শিক্ষা অধিদপ্তরে খরচের  কথা বলে একদিকে নিয়োগ প্রত্যাশিদের কাছ থেকে আবার কলেজ ফান্ড থেকে টাকা নিচ্ছেন অধ্যক্ষ। অভিযোগ পাওয়া গেছে, যে সব বিষয়ে অনুমোদন আনা হবে সেসব বিষয়ে শিক্ষক নিযোগের কথা বলে আগেই প্রার্থীর কাছ থেকে দুই লাখ টাকা করে ঘুষ নিচ্ছেন তিনি। এই টাকা সংশিষ্ট বিষয়ের অনুমোদনের জন্য ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এরপর নিয়োগ দিতে আরো ৬ লাখ টাকা গ্রহণ করা হবে।

 প্রতিবছর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে ৫শ’ থেকে ৮শ’ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে থাকে। ভর্তির সময়ে শিক্ষার্থী প্রতি ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা করে আদায় করা হয়। এতে দেখা গেছে প্রতি বছর শুধু মাত্র শিক্ষার্থী ভর্তি ফি’ থেকেই ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা আদায় হয়ে থাকে। এসব টাকা সম্পূর্ন অধ্যক্ষের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। প্রতিষ্ঠানের ও সরকারি নিয়মনীতিকে তোয়াক্কা না করে অধ্যক্ষ সব সময়ে নিজের নিয়মে টাকা খরচ করেন এবং ইচ্ছা মতো বিল ভাউচার দেখিয়ে ধামাচাপা দিয়ে থাকেন। ফলে প্রতি বছর শিক্ষার্থী ভর্তি থেকে লাখ লাখ টাকা পকেটে ভরেন ওই অধ্যক্ষ। অনুসন্ধানে এবং কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী সূত্রে ওই সব তথ্য জানা গেছে।

 অপরদিকে কলেজের বিভিন্ন পরীক্ষার সময় ও ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গলা কাটা ফি আদায় করা হয়ে থাকে। কলেজ থেকে সনদপত্র, প্রশংসাপত্র, প্রবেশ পত্র সংগ্রহ করতে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত টাকাা গুনতে হয়। সরকারি নিয়ম বর্হিভূত ভাবে ইচ্ছা মতো টাকা আদায় করা হয় ওই কলেজে। এতে হিসাব করে যে তথ্য পাওয়া গেছে তা খুবই ভয়াবহ। এসব খাত থেকে গত ১০ বছরে আদায় করা প্রায় অর্ধকোটি টাকার হিসাবে গজামিল দিয়ে রাখা হয়েছে। শিক্ষকরা জানিয়েছেন এই বিষয় গুলো তদন্ত করলেই থলের বিড়াল বেরিয়ে আসাবে। ওই সব দুর্নীতি করে কামানো টাকায় গেলবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি (এ) থেকে প্রায় ৭০ লাখ টাকার বিনিময়ে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার আশা পূরন হয়নি।

এ বিষয়ে মতামত জানার জন্য অধ্যক্ষ ইউনুস আলীর সঙ্গে মোবাইল ফোলে কথা বললে তিনি ঘুষ গ্রহণ, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ অকপটে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘সরকারি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিধিমোতাবেক নিয়োগ দেওয়া হয়। টাকার বিনিময়ে প্রশ্ন ফাঁসের কথাটি একেবারেই মিথ্যা।’

 গভর্নিং বডির সভাপতি ও স্থানীয় এমপি রুহুল আমিন বলেন, ‘আমি তো সবে মাত্র সভাপতি হয়েছি। এর আগে কী হয়েছে তা আমি দেখব না। আমার সময়ে কোনো অনিয়ম দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না।’

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful