Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০ :: ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ২৩ অপরাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / পৃথিবীর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কয়লা খনি হচ্ছে বড়পুকুরিয়া

পৃথিবীর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কয়লা খনি হচ্ছে বড়পুকুরিয়া

Fulbari Koyla khoniস্টাফ রিপোর্টার: দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরের দেশের একমাত্র বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ১৯৯৪ সালে ২৭ জুন খনির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু হয়। ২০০৩ সালের ২৩ এপ্রিল কয়লা উত্তোলনের উদ্বোধন হয়। কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কয়লাখনি হচ্ছে বড়পুকুরিয়া।

পানি প্রবাহের কারণে গত প্রায় দুই মাস ধরে খনির কয়লা উত্তোলন বন্ধ রয়েছে। শ্রমিকরা পানি প্রবাহের কারণে যে রাস্তাটি দিয়ে যাতায়াত করবে সেটিও বন্ধ হয়েছে। ১৯৯৮ সালের ৫ এপ্রিল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ভূ-গর্ভের নীচে খনির ভিতরে কাজ করার সময় ভুল বশতঃ ফাঁটল ধরে পানি প্রবাহ বাড়লে একটি বিপর্যয় ঘটে যাওয়ায় তখন প্রকল্পের পুরো কাজ স্থগিত হয়ে যায়। ওই সময় খনির ভূ-গর্ভের সম্পূর্ণ ডিজাইন পরিবর্তন করে নতুন ডিজাইন তৈরী করে কাজ শুরু করতে হয়। এতে ওই সময় প্রকল্প ব্যয় ৫০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে প্রায় ১৪৩১ কোটি টাকা দাড়ায়।

২০০০ সালে আবার কয়লা খনি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ১৯৯৮ সালের ৫ এপ্রিল ভূ-গর্ভে ৬ষ্ঠ সীমের কয়লা পুরুত্ব ৩৬ মিটার থেকে কারীগরিভাবে ঞযরপশংপধস হিসাবে সম্মিলিত করা হয়। ৬ষ্ঠ সীমের অবস্থান কোথাও কোথাও ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩৩৬ মিটার আবার কোথাও ১০০ মিটার থেকে ১৫০ মিটার নীচে কয়লা উত্তোলন কালে কারিগরিভাবে নানামূখী চ্যালেঞ্জ/প্রতিকুলতার সম্মুখীন হতে হচ্ছে শ্রমিক ও প্রকৌশলীদের। কখনও রুপফন্ট, উচ্চ তাপমাত্রা, উচ্চ আদ্রতা, উচ্চ পরিমাণে পানি প্রবাহ, কোল সীমের অবস্থান ঢালুত্ব এবং কয়লার স্ফুর্ত প্রজ্জ্বলন সহ নানামূখী সমস্যার মোকাবিলা করে কয়লা তুলতে হচ্ছে।

খনিতে ৫টি বিষয়ে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হচ্ছে- উচ্চ তাপমাত্রা, পানি প্রবাহ, রুপফন্ট (ছাঁদে ফাঁটল), আদ্রতা ও কয়লার স্ফুর্ত প্রজ্জ্বলন। বিশ্বের আর কোনও কয়লা খনিতে ৫টি ঝুঁকি নিয়ে কোন কাজ করে না। কিন্তু বড়পুকুরিয়া বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কয়লাখনি হিসাবে চিহিৃত। এই খনিতে তাপমাত্রা ২৭-৩২ ডিগ্রী বা তারও অধিক সেলসিয়াস হলেও খনির অভ্যন্তরে তাপমাত্রা রয়েছে ৪৯ ডিগ্রী সেলসিয়াস। পানির উষ্ণতা রয়েছে ৫-৬ ডিগ্রী। এই খনিতে পানি প্রবাহ রয়েছে ১০০ থেকে ৮০০ মিটার কিউবিক। কিন্তু মাঝে মধ্যে পানির প্রবাহ অনেকাংশে আরও বেড়ে যায়। চলতি বছরের ২৪ মার্চ ১২০৬ নং ফেসে কয়লা তুলতে গিয়ে পানির প্রবাহ এত বৃদ্ধি পায় যা বন্ধ করা সম্ভব নয় কিন্তু চায়নার ডগঈ ও ঈগঈ কনসালটেন্টরা পানির প্রবাহ বন্ধ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে ভূ- গর্ভ থেকে পানি উত্তলনের কাজ চলছে। পানি প্রবাহ বন্ধ না করা পর্যন্ত কয়লা তুলতে পারবে না। ২০০২ সালে কয়লা উৎপাদনে যাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ০৮/১০ জন শ্রমিক দূর্ঘটনার শিকার হন ও ১ জন ব্রিটিশ কনসালটেন্ট দূর্ঘটনায় মারা যান। এই অবস্থায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ভূ- গর্ভ থেকে আন্ডার গ্রাউন্ড মাইনিং পদ্ধতিতে কয়লা তুলতে বিশেষজ্ঞ ও শ্রমিকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়লা তুলতে হচ্ছে।

কয়লা কবে থেকে উত্তোলন আবার শুরু হবে- এ ব্যাপারে খনির কয়েক জনের সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, পানি প্রবাহ বন্ধ হলে কয়লা উত্তোলন শুরু হবে।

এ ব্যাপারে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আমিনুজ্জামান এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমাদের আনুসাঙ্গিক কিছু ডাটাবেজ তৈরী করা হচ্ছে। এ সব করার পর কি অবস্থা দাড়ায় সে দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা খনির কাজে এগিয়ে যাব।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful