Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০ :: ৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৩ : ৪৯ পুর্বাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / নদীতে ১ লাখ ৬০ হাজার ময়দার গুটি ও ৫টি ছাগল কোরবানী করে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ

নদীতে ১ লাখ ৬০ হাজার ময়দার গুটি ও ৫টি ছাগল কোরবানী করে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ

LALMONIRHAT NEWS-2নিয়াজ আহম্মেদ সিপন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ অবিশ্বাস্য হলেও সত্যিই এক ব্যতিক্রমি ঘটনার সত্যতা মিলেছে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলাধীন দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে। সোমবার খবর পেয়ে ওই এলাকার মহিমপাড়া তিস্তা পাড়ে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় অধিবাসীরা ও ভারতীয় হলদিবাড়ী পীর সাহেবের নাতী দাবিদার সৈয়দ শামসুল হক নামের এক হুজুর তিস্তার ডান তীরে প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে ৫ টি স্থানে ৫ টি ছাগল কোরবানী দেয়। ওই ৫ স্থানে ৫ জন কোরআনে হাফেজ কোরআন তেলওয়াত করা শুরু করেন। এরই মধ্যে দহগ্রামের মহিমপাড়া এলাকায় তিস্তার পশ্চিম-উত্তর পাশ থেকে নৌকায় উঠে আড়াই মণ ময়দার তৈরি ১ লাখ ৬০ হাজার মার্বেলের মতো আল্লাহু লেখা সম্বলিত বড়ি দোয়া পড়তে পড়তে তিস্তা নদীর পানিতে দেওয়া শুরু করে একই গ্রামের পশ্চিমবাড়ির ভাটি পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকায় দুই দফায় মোট চারবার করে বড়ি পানিতে ফেলা হয়। আলোচিত ছিটমহল দহগ্রামে নদী ভাঙন ঠেকাতে সকাল সাড়ে ৮টার থেকে দুপুর ৩ টা পর্যন্ত তিস্তায় চলে আল্লাহু লেখা বড়ি ফেলার কাজ। এরপরই দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা মহিমপাড়া পশ্চিমবাড়ী মুর্শিদাবাদী হলদিবাড়ী একরামুল হক (রহ.) খানকা শরিফ ও মক্তবের সামনে কবর জিয়ারত শেষে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। ওই মোনাজাত পরিচালনা করেন, হলদিবাড়ী পীর সাহেবের নাতী দাবিদার বুজুর্গ সৈয়দ শামসুল হক। এ সময় তিস্তার ভাঙন থেকে দহগ্রামবাসীকে রক্ষার জন্য পানির মালিক আল্লাহ তা’লার কাছে ফরিয়াদ জানান। এছাড়াও বাংলাদেশ ও বসবাসকারী সবার জন্য মঙ্গল কামনা করেও মোনাজাত করা হয়।

উপস্থিত মহিমপাড়া এলাকার মতিউল ইসলাম নামের এক যুবক বলেন, ‘সরকার ২শ মিটার নদীর বাঁদ দিয়ে আর কোনো খবর নিচ্ছে না। তিস্তার ভাঙনে দহগ্রাম ছোট হয়ে আসছে। তাই স্থানীয় লোকজনের উদ্যোগে ও হুজুরের মাধ্যমে নদী ভাঙন ঠেকাতে কোরআন তেলাওয়াত, কোরবানী, দোয়া মাহফিল ও আল্লাহু লেখা ১লাখ ৬০ হাজার ময়দার গুটি তিস্তায় ফেলে ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানানো হয়েছে। আল্লাহ চাইলেই সব কিছু করতে পারেন, এজন্যই এই আয়োজন করা হয়েছে।

এ দিকে আমির হোসেন, মোজাফ্ফর আলী, মনসুর হোসেন, আবুল কাশেম, আব্দুল লতিফ, লেবু মিয়া, আঞ্জু আরা, মায়া বেগম, মনিরা বেগম বিউটি, নীনাসহ অনেকের সাথে কথা হলে তারা সবাই এলাকাবাসী ও হুজুরের এই দোয়া মাহফিলকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন বলে দাবি করেন। তারা আরো জানান, আল্লাহ ইচ্ছা করলে যে কোনো কিছুরই সমাধান দিতে পারেন। তাই আমরা সবাই বেঁচে থাকার জন্যই তিস্তার ভাঙন ঠেকাতে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানিয়েছে। দেখি, আল্লাহ কি করেন।

এই ধরনের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চাইলে বুজুর্গ সৈয়দ শামসুল হক বলেন, আমরা আল্লাহ তা’লার কেতাব অনুসরন করে কোরবানী, আল্লাহু লেখা ময়দার গুটি তিস্তায় ফেলে সৃষ্টি কর্তা মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানিয়েছি। আল্লাহ যদি কবুল করেন, তাহলে অবশ্যই নদী ভাঙন বন্ধ বা নদী সরে যেতে পারে। যেহেতু সব LALMONIRHAT NEWS-1কিছুরই সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তা’লা সেহেতু রক্ষারও মালিক তিনি। অতএব, আল্লাহ ইচ্ছা করলেই দহগ্রামের ভাঙন রোধ করতে পারেন।’

সৈয়দ শামসুল হকের বাড়ী রংপুর কেরানী পাড়া। তার দাবী মতে, পূর্ব পুরুষ হলো ভারতের হলদিবাড়ী পীর সৈয়দ একরামুল হক(রহ.)। তিনি তার নাতী।

এ ব্যাপারে দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবীবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি খোঁজখবর নিয়েছি, হুজুর সাহেব এবং স্থানীয় লোকজন নদীর ভাঙন থেকে রক্ষার জন্য কোরবানী ও তিস্তা নদীতে ১ লাখ ৬০ হাজার ময়দার গুটি ফেলে দোয়া মাহফিল করেছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful