Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৩ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ২৭ পুর্বাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / কুড়িগ্রামে বিদ্যালয়ে দুই দিন ধরে তালা; শিক্ষার্থী অভিভাবকদের বিক্ষোভ

কুড়িগ্রামে বিদ্যালয়ে দুই দিন ধরে তালা; শিক্ষার্থী অভিভাবকদের বিক্ষোভ

তৈয়বুর রহমান, কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে উলিপুরে একজন প্রধান শিক্ষিকার বদলীর দাবিতে এলাকাবাসি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। এলাকাবাসি তাদের শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে দু’দিন ধরে বিদ্যালয়ে তালা দিয়ে রাখলে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। গতকাল মঙ্গলবার পরিস্থিতি সামাল দিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষা অফিসার হরেকৃষ্ণ রায় ঐ বিদ্যালয়ে গেলে অভিভাবকদের রোষানলে পড়েন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার যমুনা ব্যাপারী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

জানা গেছে, ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শরিফা বেগম বিদ্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহনের পর থেকে সীমাহীন দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে। তার নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এলাকাবাসি যথাযথ কর্তৃপক্ষ বরাবর অভিযোগ করলেও তাতে কোন কাজ হয়নি। উল্টো শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা আর্থিক সুবিধাসহ নানা কারণে ঐ শিক্ষিকার পক্ষ অবলম্বন করেন। এ অবস্থায় পরিস্থিতি আরও নাজুক আকার ধারণ করে।

গত সোমবার আকর্ষিকভাবে বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটিসহ এলাকাবাসি শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়। তারা ঐ শিক্ষিকাকে বদলী না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয়। এ অবস্থায় গতকাল মঙ্গলবার ঐ বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি ক্লাস রুমে তালা ঝুলছে। শত শত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী মাঠে সমাবেশ করছেন। প্রধান শিক্ষিকার বদলীর দাবিতে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হচ্ছে স্কুল ক্যাম্পাস। একটা রুমে শিক্ষা কর্মকর্তা, পুলিশ ও স্কুল ব্যাবস্থাপনা কমিটির রুদ্ধদার বৈঠক চলছিল । বেলা ২টার দিকে কোন সমঝোতা ছাড়াই বৈঠক ভেঙ্গে যায়।

বিদ্যালয়টির ব্যাবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী জানান, প্রধান শিক্ষক শরিফা বেগমের অপসারণের দাবিতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। মনে হচ্ছে, কর্মকর্তারা আজ চাপের মুখে তদন্ত করেছেন। কর্মকর্তারা এখন লিখিত সাক্ষ্য গ্রহন করেছেন। কমিটির সহ-সভাপতি নুর রহমান জানান, শরিফা বেগম অধিকাংশ দিন দুপুর ১২টার মধ্যেই বাড়ি চলে যান। স্কুলের কেনা কাটা সব একা করেন। ইউনিসেফের দেয়া ৮২ হাজার টাকার কোন হদিস নেই। এছাড়া তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত পরীক্ষা ফি, বই প্রদানে উৎকোচ, প্রশংসা পত্র, নম্বর পত্র এবং সনদ পত্র প্রদানেও অর্থ নেন। এ সংক্রান্ত অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভাগে দিলেও প্রতিকার না হওয়ায় এ আন্দোলনের কর্মসুচি দিয়েছি।

অভিভাবক মাহবুবুর রহমান, বেলাল হোসেন, আলতাফ হোসেনসহ অনেকেই সাংবাদিকদের জানান, অভিভাবকরা তাদের ছেলে-মেয়েদের খোজ নিতে আসলে ঐ প্রধান শিক্ষক তাদের সাথে সাথে সব সময় অশোভন আচরণ করেন। শিক্ষার্থী শাহীন, নাজমুল, মুরছালিন, সাবরিমা অভিযোগ করে বলেন, প্রধান শিক্ষক আমাদেরকে দিয়ে তাদের ক্লাস চলাকালিন সময়ে ফুলের বাগানে পানি দেয়া ও পরিচর্যার কাজ করতে বাধ্য করেন। তার কথামত পানি না দিলে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করতেন। এদিকে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক শরিফা বেগম গত সোমবার থেকে বিদ্যালয়ে আসছেন না। তার সাথে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধোত্বন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাদের ঘটনার কথা স্বীকার করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful