Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০ :: ৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ৩২ পুর্বাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / প্রকৌশল অফিসে টাকা ভাগাভাগি: ১ বছরেও কাজের বিল পায়নি ঠিকাদার

প্রকৌশল অফিসে টাকা ভাগাভাগি: ১ বছরেও কাজের বিল পায়নি ঠিকাদার

coroptionতৈয়বুর রহমান, কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামের রাজারহাটে একজন ঠিকাদার কাজ সমাপ্ত করার এক বছর পরেও বিল তুলতে পারেনি। অভিযোগ উঠেছে, ঐ বিলের টাকা সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারি প্রকৌশলী জনৈক এক ব্যক্তির মাধ্যমে উত্তোলন করে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। এদিকে বঞ্চিত ঠিকাদার টাকা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দুই প্রকৌশলীর নামে উকিল নোটিশ পাঠানোয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগে তোলপাড় শুরু হয়।

জানা গেছে, জেলার রাজারহাট উপজেলা প্রকৌশল বিভাগের আওতায় গত ২০১২-১৩ অর্থবছর এডিবি’র বাস্তবায়নাধীন রিংস্লাব তৈরির ১নং গ্রুপের কাজ ঠিকা চুক্তি করেন চিলমারী উপজেলার ঠিকাদার হাসানুজ্জামান বুকুল। চুক্তি অনুযায়ী তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২ শত সেট রিংস্লাব তৈরির কাজ শেষ করেন। এসব স্লাব জুন মাসের মধ্যে ঠিকাদারের (অথোরাইজড প্রাপ্ত) প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান ছক্কু ও সংশ্লিষ্ট উপসহকারি প্রকৌশলী এরফান আলী মিলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এরপর সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে এরফান আলী প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করে নিজের নিয়ন্ত্রনে রাখেন। ঠিকাদারের প্রতিনিধি উপ-সহকারি প্রকৌশলী এরফান আলীকে বিলের তাগাদা দিলে তিনি চুড়ান্ত বিল দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। এরপর ঐ উপ-সহকারি প্রকৌশলী ফাইনাল বিল না দিয়ে চলতি বিল তৈরি করলে ঠিকাদারের প্রতিনিধি বিল না নিয়ে চলে আসেন। পরবর্তীতে একাধিকবার ঠিকাদারের প্রতিনিধি বিল তুলতে গেলে উপসহকারি প্রকৌশলী এরফান আলী তাকে বিল না দিয়ে নানাভাবে হয়রানী করতে থাকেন।

অভিযোগ উঠেছে, ঐ উপসহকারি প্রকৌশলী জনৈক এক ঠিকাদারের মাধ্যমে উল্লেখিত কাজের বিল উত্তোলন পূর্বক উপজেলা প্রকৌশলীসহ ভাগাভাগি করে নেয়ায় বিল প্রদানে টালবাহানা করে আসছেন। ঠিকাদার বিষয়টি নির্বাহী প্রকৌশলী কুড়িগ্রামকে অবহিত করলেও দীর্ঘ এক বছরে কোন প্রতিকার পায়নি। এ অবস্থায় ঠিকাদারের পক্ষে মোঃ মোশাররফ হোসেন মন্জু এডভোকেট (জজ কোর্ট, কুড়িগ্রাম) পাওনা বিল চেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী বরাবর উকিল নোটিশ পাঠান।

এদিকে, উপসহকারি প্রকৌশলীর বিল তুলে আত্মাসাত করার ঘটনা ফাঁস হলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অনুসন্ধানে জানা যায়, ঐ উপসহকারি প্রকৌশলী দীর্ঘদিন ধরে রাজারহাট উপজেলা প্রকৌশল বিভাগে কর্মরত থেকে কতিপয় ঠিকাদারদের নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। এসব ঠিকাদারের মাধ্যমে নামমাত্র কাজ করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তিনি।

জনশ্রুতি রয়েছে, ঐ উপসহকারি প্রকৌশলী কাজের গুনগতমান নিশ্চিত করার পরিবর্তে ঘুষ আদায়ে বেশী আগ্রহী হওয়ায় বাস্তবায়নকৃত প্রকল্পগলোর বেহাল দশা। একারনে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে উপজেলার সাধারণ মানুষদের। রাজারহাট উপজেলা প্রকৌশলী জে কে এম আনোয়ারুল আলম আত্মসাতের ঘটনা অস্বীকার করেন।

নিবার্হী প্রকৌশলী নবিউল ইসলাম জানান, এক ঠিকাদারের বিল অন্য ঠিকাদারকে দেয়ার কোন সুযোগ নেই। এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটে থাকলে আমি বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখবো।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful