Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৫৬ অপরাহ্ন
Home / খোলা কলাম / হাসিনা-খালেদা নারী হিসেবে কি আসলেই ব্যর্থ?

হাসিনা-খালেদা নারী হিসেবে কি আসলেই ব্যর্থ?

hasina-khaleda-345দিলারা হোসেন : আমাদের সমাজে সংসার ধর্ম ও পরিবারের প্রতি সকল দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রেও নিজেদের যোগ্যতা ও দক্ষতার প্রমাণ রেখে সম্পূর্ণা হয়ে ওঠা নারীদের দৃষ্টান্ত এখন অজস্র। তার মধ্যে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন দুই নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সকল পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে রাজনীতিবিদ ও দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠার দৃষ্টান্ত আগামী দিনের নারীদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।

অনেকেই হয়তো বা আমার এই মতামতের সঙ্গে একমত হবেন না। কেননা দেশের চলমান পরিস্থিতির কারণে দেশের প্রধান দুই নেত্রী ভূমিকায় অনেকেই নাখোশ। দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতির জন্য দুই নেত্রীকেই মানুষ দায়ী করে আসছেন। আরো কারণ থাকলেও তারাই যে সব ঘটনার কেন্দ্রে আছেন তাতে অনেকেই সংশয় প্রকাশ করেন না। আসলে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে দেখা হয়না।

দুই শীর্ষস্থানীয় নারী নেত্রীর বিরুদ্ধে জনগণের অভিযোগগুলো আসলে কী?  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তিনি বিরোধীদলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করে স্বৈরাচারী আচরণ করছেন। অপরদিকে বিরোধীদলীয় নেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো তিনি নির্বাচন ঠেকাতে গিয়ে সহিংসতা, জ্বালাও, পোড়াও আর ধ্বংসাত্মক পন্থা বেছে নিয়েছিলেন। দুই নেত্রীর দল ও সমর্থকরা এসব অভিযোগ পরস্পরের বিরুদ্ধেই করে থাকেন।

ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বৈরাচারমূলক আচরণ এবং রাজনৈতিক সহিংসতার ভয়াবহ চিত্র, যা আমরা আগেও দেখেছি এবং এখনও দেখে যাচ্ছি। এর জন্য শুধু একক দল বা গোষ্ঠীকেই দায়ী করাটা সঠিক নয়।  এর জন্য দায়ী আমরা সকলেই। শেখ হাসিনা কিংবা বেগম খালেদা জিয়ার দেশ পরিচালনার কাজে সাফল্য বা ব্যর্থতার সমালোচনা  করতে হলে অবশ্যই কিছু অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোকপাত করা প্রয়োজন। নইলে উভয় নেত্রীকে দেশের পরিচালক হিসেবে সঠিকভাবে বিচার করা সম্ভব হবে না ।

কয়েক বছর পিছিয়ে গিয়ে দুই নেত্রীর অতীত জীবনের দিকে তাকালেই আমরা দেখতে পাই, শেখ হাসিনা এবং বেগম জিয়া দুজনেই ছিলেন ঘোরতর সংসারী নারী। কেবলমাত্র একজন আদর্শ স্ত্রী, একজন আদর্শ গৃহবধূ এবং একজন আদর্শ মা হিসেবেই তারা সহজ-সরল জীবন-যাপন করছিলেন। তাদের কারোরই প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে কোনো সংযোগ ছিল না। ছিল না অভিজ্ঞতাও। আপনাদের কি মনে হয়, শেখ হাসিনা কি আগে থেকে  ভেবেছিলেন তার বাবার মৃত্যু হলে তিনি দেশের বা দলের ক্ষমতায় বসবেন। নিশ্চয় না।  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে  সপরিবারে হত্যা করা এবং একই বছরের ৩ নভেম্বর কারাগারে জাতীয় চার নেতার নৃসংশ হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগে নেতৃত্বের সংকট তৈরি হয়। কিছু নেতা দল ছেড়ে যান। দলের দুর্দিনে নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু কন্যাকে বিদেশ থেকে নিয়ে আসেন। শেখ হাসিনা দলের হাল ধরেন। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ আবার একটু একটু করে সাংগঠনিক ক্ষমতা অর্জন করতে থাকে। তারপরের ইতিহাস সকলেরই জানা। শেখ হাসিনা কিন্তু নিজে থেকেই এসে দলের নেতৃত্বের আসনে জেঁকে বসেননি।

অন্যদিকে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা,  প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একটি ব্যর্থ অভূত্থানের মধ্যদিয়ে নৃসংসভাবে নিহত হন। সামরিক বাহিনীর একটি অংশের করা এই অভূত্থানের পর কিছু সময় বিএনপির নেতৃবৃন্দ দল ও সরকার পরিচালনা করলেও তারা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন। ফলে ক্ষমতা হারাতে হয়  বিএনপিকে। শেষ পর্যন্ত দলের প্রয়োজনেই বেগম খালেদা জিয়াকে দলের হাল ধরতে হয়। তবে এটাও ঠিক তিনি জোর করে দলের নেতৃত্ব দখল করেননি। দলের প্রয়োজনেই তাকে এনে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে বসানো হয়।

শেখ হাসিনা বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে আংশিক হলেও পরিচিত ছিলেন। কেননা গৃহবধূ হলেও তার জীবন অবরুদ্ধ ছিল না। তিনি স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। বিদেশে তিনি পড়াশোনার সুযোগও পেয়েছেন।  কিন্তু বেগম খালেদা  জিয়া ছিলেন স্বামী সন্তান নিয়ে পুরোপুরি একজন সংসারী মানুষ। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী হলেও তার জীবন ছিল অতি সাধারণ। যে নারী আর্থিকভাবে সম্পূর্ণরূপে স্বামীর ওপর নির্ভরশীল ছিলেন, স্বামীর মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের  পর দুটি সন্তান নিয়ে আশি দশকের সামাজিক প্রেক্ষাপটে কি ভীষণ আর্থিক বিপর্যয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যেই না তাকে পড়তে হয়েছিল সেটা সকলেই জানেন।

শেখ হাসিনাই বলি আর খালেদা জিয়াই বলি, তাদের পারিবারিক বিপর্যয়ের পেছনে কিন্তু কোনো নারী ছিলেন না, ছিলেন একদল পুরুষ যারা ক্ষমতার লোভে দুটি পরিবারকে নিঃশ্ব করে দিয়েছেন। কেউ এই দায় অস্বীকার করতে পারবেন না। শেখ হাসিনার পুরো পরিবার এবং বেগম জিয়া স্বামী হারানোয় তাদের উভয়েরই ব্যক্তিগত জীবনের যে শোক ছিল তাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সহজে জনগণের মনে সমবেদনা জাগিয়ে জনসমর্থন টেনে নেওয়ার জন্যই তাদের রাজনীতিতে নিয়ে আসা হয়। কারণ এটা সহজে করা তৎকালীন কোনো দলীয় নেতার পক্ষেই সম্ভব ছিল না। দুই নারীকে রাজনীতির সম্মুখ-সমরে দাঁড় করিয়ে দেওয়ার পেছনে এটাও একটা শক্ত কারণ ছিল।
পুরুষেরাই যদি দেশ পরিচালনার জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্য হয়ে থাকবেন তাহলে কেন তখন কোনো পুরুষ নেতৃবৃন্দ  আওয়ামী-লীগ বা বিএনপির মতো বৃহৎ দুটি দল পরিচালনার ভার কাঁধে তুলে নেননি? আর কেনই বা বাংলাদেশকে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধশালী করে তুলতে সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য এগিয়ে এলেন না কেউ ? যে সাহসিকতা বা মানসিক দৃঢ়তা আমাদের সমাজের তৎকালীন পুরুষেরা দেখাতে পারেননি তা দেখিয়েছেন দুজন নারী। যে সকল নেতারা তাদের ওপর প্রভুত্ব করার স্বপ্ন দেখেছিলেন তাদের পরাস্ত করে, তাদের সব পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করে দিয়ে, দুই নেত্রী নিজেদের বুদ্ধিমত্তা ও ব্যক্তিত্বের গুণেই  রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। দেশ ও দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং এখনও দিয়ে যাচ্ছেন।

আমাদের কখনোই একটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না যে রাজনৈতিক জীবনের  শুরুর দিকে শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক শিক্ষা না থাকার ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি বর্তমানের চেয়েও বেশি খারাপ হতে পারতো। তবুও দুই নেত্রীর হাত ধরে আমাদের বাংলাদেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়েছে বহুদূর যা অতীতে এক সময় ছিল প্রায় অকল্পনীয়। বিগত তেইশ বছরে দুই নেত্রীর সম্মিলিত শাসনামলে দেশ উন্নয়নের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূচক অর্জন করেছে। যেমন মাতৃ ও শিশু মৃত্যু হার কমেছে, দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের হার কমানো সম্ভব হয়েছে, নারী শিক্ষার হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে, বিভিন্ন পেশায়  নারীর অংশগ্রহণের হার ক্রমশই বেড়ে চলেছে। কোনো সময়ই বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব বাংলাদেশে পড়েনি আমাদের গার্মেন্টস শিল্পের আশীর্বাদে। বিগত বছরে কৃষি ক্ষেত্রে অর্জিত হয়েছে অভাবনীয় সাফল্য যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে ওঠার এক শুভ ইঙ্গিত দেয়। স্বাধীনতা অর্জনের পর যে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে অবহিত করা হয়েছিল সে দেশ এখন অর্থনৈতিক দিক দিয়ে এতটাই সমৃদ্ধশালী হয়েছে যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখন বাংলাদেশকে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করছে।

শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার সাফল্য যেমন আছে তেমনি ব্যর্থতা থাকাটাও স্বাভাবিক। দেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা, বিচার ব্যবস্থা ও প্রশাসন ব্যবস্থায় যে দুর্নীতি আছে তার দায়ভার শুধুমাত্র দুই নেত্রীর ওপর বর্তায় না, এ ব্যর্থতার জন্য দেশের আমজনতাও দায়ী। আমরা, সাধারণ মানুষেরা কেউই ব্যক্তিগত জীবনে সততা অবলম্বন করি না। অন্যায় হতে দেখলেও রুখে দাঁড়াই না। অন্যের ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে অভিহিত করে কোনো নারী, শিশু বা কিশোরীর ওপর মানসিক-শারীরিক নির্যাতন হতে দেখেও আমরা প্রতিবাদ করি না। এসব ঘটনায় আমরা চুপ করে থাকি তার ওপর আবার নারীকেই দোষারোপ করি। আমাদের দেশের বিচার ও সমাজ ব্যবস্থায় নারীকে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে প্রমাণ করতে হয় যে সে নির্যাতিত। নির্যাতিত, নিপীড়িত নারীকেই সমাজ ধিক্কার দেয় কিন্তু নির্যাতনকারী বহাল তবিয়তে সমাজে মাথা উঁচিয়ে ঘুরে বেড়ায়, সমাজ তাকে কিছুই বলে না, কারণ সে একজন পুরুষ!

আমরা কেউই নারীদের মানুষ হিসেবে তার প্রাপ্য মর্যাদা দেই না। প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি স্তরে নারীর প্রতি করা হয় বৈষম্য। বেআইনি জেনেও বাসা-বাড়িতে, দোকানগুলোতে শিশুশ্রম হতে দেখেও চুপ করে থাকি। বাড়িভাড়া সংক্রান্ত আইন কেউই মানে না, সরকার বাড়িভাড়ার ওপর তেমনভাবে কর না বাড়ালেও বাড়িওয়ালারা অর্থপিপাসু হয়ে প্রতি বছর বাড়িভাড়া বাড়িয়ে থাকেন। শুধুমাত্র রাজনীতিবিদেরাই অর্থের লালসায় অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করেন না, সাধারণ পর্যায়ের মানুষেরাও বিত্তবান হওয়ার লোভে অসৎভাবে ব্যবসাবাণিজ্য করেন, পণ্যে ভেজাল মেশান, কর ফাঁকি দেন। এসবই সমাজের পরিস্কার ছবি। শুধু শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়াকে দোষ দিয়ে লাভ কি?

যেখানে দুর্নীতির বীজ আমাদের প্রত্যকের শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে মিশে রয়েছে, রক্ত স্রোতে অবিরাম বয়ে যাচ্ছে সেখানে কোন অধিকারে আমরা সব দোষ দুই নারী নেত্রীর ওপর চাপিয়ে দিয়েছি? যখন রাষ্ট্রের জনগণই অসৎ, তখন আইনশৃঙ্খলা, বিচার ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সুশাসন কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে? আমি বিশ্বাস করি, যদি আমরা কেউই নিজ উদ্যোগে দেশের যে কোনো সমস্যার কোনো যুক্তিযুক্ত সমাধান করতে না পারি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মতো সাহসিকতার পরিচয় দিতে না পারি, তবে আমাদের কারোরই চার দেওয়ালের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে বসে নিজেদের চিত্তের সস্তা বিনোদনের জন্য দুই নেত্রীর অমার্জিত সমালোচনা বা নিন্দা করা উচিত হবে না। দেশ পরিচালনা করা কিংবা রাজনীতি করা কোনোটাই খুব সহজসাধ্য কাজ নয়। দুই নারী নেত্রীকে সমর্থন করা বা সমর্থন না করা প্রত্যেক নাগরিকের ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু তাদের প্রতি কোনো রকম অসম্মানজনক মন্তব্য করা অবশ্যই অনুচিত। বাস্তবতার বিচারে তাই ঠিক।

অনেকেই এখন বিদ্রুপের সুরে বলে থাকেন যে, নারী নেতৃত্ব দিয়ে নাকি দেশ চলবে না, পুরুষদের নেতৃত্বের দরকার। যারা এমন মন্তব্য করেন, তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, যে দুই নেত্রীর পূর্বে যখন দেশে পুরুষদের শাসন চলছিল তখনো দেশে দুর্নীতি ছিল, অপশাসন ছিল, ক্ষমতার অপব্যবহার ছিল, মানুষের ওপর নির্যাতনও ছিল। সুতরাং নেতৃত্বের বিষয়ে নেতা কোন লিঙ্গের তা মাথা ব্যথার কারণ হওয়া উচিত নয়। দেশকে, জাতিকে, নেতৃত্ব দেবেন যে নেতারা তাদের অবশ্যই সে যোগ্যতা, দক্ষতা, নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা, কঠোর বাস্তব জ্ঞান এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতা থাকাটা বিশেষ জরুরি।

দুই নেত্রীর ব্যক্তিগত জীবনে আলোকপাত করলে দেখা যায় যে রাজনীতি করতে নেমে, দেশ পরিচালনার মতো বিশাল দায়িত্ব পালন করা সত্ত্বেও তারা তাদের মাতৃত্বকে বিসর্জন দেননি। তাদের সন্তানদের অবহেলা করেননি। বেগম জিয়া সন্তানদের পিতার শূন্যস্থানও পূরণ করেছেন। বর্তমানে তার জ্যৈষ্ঠ পুত্র তারেক জিয়া বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। অপরদিকে শেখ হাসিনা তার সন্তানদের সুশিক্ষিত করেছেন। তার ছেলে জয় বর্তমানে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত এবং মেয়ে পুতুল সমাজে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের  অধিকার আদায়ের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আর পাঁচজন মায়ের মতো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাজার ব্যস্ততা সত্ত্বেও ছেলের জন্মদিনে নিজের হাতে রান্না করতেও ভোলেন না। মা হিসেবে দুই নেত্রী নিশ্চয় বাহবা পেতে পারেন।

লেখক : সহকারী বার্তা সম্পাদক, রাইজিংবিডি ডটকম

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful