Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৩ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ০৮ পুর্বাহ্ন
Home / দিনাজপুর / বিরোধিতা নয়, এবার কয়লাখনির দাবিতে সমাবেশ

বিরোধিতা নয়, এবার কয়লাখনির দাবিতে সমাবেশ

DSC02831মোরশেদ মানিক, বিরামপুর, প্রতিনিধি : দিনাজপুরের ফুলবাড়ী কয়লা খনি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে এবার প্রকাশ্য সমাবেশ করলো ফুলবাড়ি এলাকাবাসী।

ফুলবাড়ি বাসস্ট্যান্ড হাসপাতাল মোড়ে এ সমাবেশ ২৭ জুন শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটায় অনুষ্ঠিত হয়। বৃষ্টি ও খারাপ আবহ্ওায়া উপেক্ষা করে কয়েকশ’ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন। দ্রুত ফুলবাড়ি কয়লাখনির বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক সমাবেশে বক্তারা বেকার সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে দ্রুত খনি বাস্তবায়নে সরকারের কাছে জোর দাবি জানান। অন্যথায় কয়লাখনির দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা দেন।

২০০৬ সালে খনি বিরোধিতার নামে গড়ে ওঠা আন্দোলনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে ৩ জন নিহত হওয়ার তদন্ত ও বিচার এখনও পায়নি ফুলবাড়িবাসী। উন্মুক্ত খনি নিয়ে বিভ্রান্ত ও অপপ্রচারের কারণে এলাকাবাসী খনি ও এলাকার উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। যুবসম্প্রদায় হয়ে পড়েছে বেকার। এ অবস্থায় খনি বিরোধীদের মধ্যেই উন্নয়নের উপলব্ধি ফিরে আসায় তারা এখন আগের অবস্থান বদল করে খনির পক্ষে সভা সমাবেশ শুরু করেছে। গত সপ্তাহে ঢাকা মোড়ে সমাবেশের পর শুক্রবারের সভা ছিল খনির দাবিতে আরও বৃহত্তর সমাবেশ। এতে সভাপতিত্ব করেন হামিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য জাবেদ আলী। ফুলবাড়ীর সবস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে আয়োজিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন, মীর্জা গ্র“প অফ ইন্ডাষ্ট্রিজ এর ম্যানেজার মশিউর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ারুল হক, শিবনগর ইউপি সদস্য মোঃ বাবলু, ইউপি সদস্য মোঃ নুরুল ইসলাম, সেকেন্দার আলী জিন্নাহ, ফুলবাড়ী কোল্ড ষ্টোরেজের ম্যানেজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ডালিম, আলাদীপুর ইউপি সদস্য মোঃ সেরাজুল ইসলাম, মোঃ নবাব আলী, মোঃ ছালাম, মোঃ মাসুদ রানা, মোঃ বাদশা, মোঃ হুমায়ুন, মোঃ রুবেল, মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম, মোঃ সবুজ, মোঃ ফারুখ প্রমুখ। ফুলবাড়ী কয়লা খনি দ্রুত বাস্তবায়ন চাই- শীর্ষক সমাবেশ পরিচালনা করেন মোঃ মোশারফ হোসেন। সমাবেশে ফুলবাড়ী এলাকার কয়েকশ’ মানুষ উপস্থিত হন।

সমাবেশে মশিউর রহমান তার বক্তব্যে বলেন দলমত নির্বিশেষে আমরা এক কাতারে দাড়িয়ে আজকে শপথ করি এই এলাকার মানুষের ভাগ্যের উন্নয়েনে ও বেকার সমস্যা দূরীকরণে এই কয়লা খনি বাস্তবায়ন চাই। আপনারা জানেন ২০০৬ সালে একটি অরাজনৈতিক দল হটকারিতায় আমাদেরকে আন্দোলনে ঠেলে দিয়ে অনেক ক্ষতি সাধন করেছে। ঐ সময় আন্দোলন করতে গিয়ে ৩জনের মৃত্যু হয়। অনেকে আহত হয়। আমরা সেই দিকে যাবনা। আজ যারা কয়লা খনি বিরোধী আন্দোলন করছে তারা বিদেশি দালাল, তারা চায়না এই এলাকার উন্নয়ন হোক। বেকার সমস্যা দূর হোক। তারা নিজেরা জাতিকে কিছু দেবে না, নিতেও দেবে না। আগামী দিনে তারা যেন ভূল পথে মানুষকে পরিচালনা করতে না পারে সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি, মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে, সেখানে বহু লোকের কর্মসংস্থান গড়ে উঠছে। সেখানে আমাদের এলাকার লোক জনের চাকরি নাই। এই কয়লা খনি বাস্তবায়ন হলে আপনার আমার ভাইয়ের কর্মসংস্থান হবে । বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আনোয়ারুল হক বলেন খনি বাস্তবায়নে এখনই মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে পদক্ষেপ নিতে হবে। এই খনি থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হলে সরকার একদিকে যেমন জ্বালানী সংকট থেকে রক্ষা পাবেন অন্যদিকে উত্তরাঞ্চলসহ সারা দেশে কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করে শিল্প কলকারখানাসহ অন্যান্য খাতে সরবরাহ করা যাবে।
হামিদ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ জাবেদ আলী বলেন, বর্তমান দেশে তীব্র জ্বালানী সংকটের কারনে দেশে নতুন শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠছে না। সরকার শিল্প কলকারখানায় গ্যাস বিদ্যুৎ দিতে পারছে না। শিল্প মালিকেরা অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হচ্ছে, কৃষি খাতও মুখ থুবরে পড়েছে। এ প্রেক্ষিতে ফুলবাড়ী কয়লা খনি বাস্তবাায়ন হলে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে তা কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে সরকার লাভবান হতো। অন্যদিকে এই এলাকার ৩৫ হাজার শিক্ষিত অশিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হতো। তাই আমাদের দাবি মেনে নিয়ে বর্তমান সরকারকে দ্রুত ফুলবাড়ির কয়লা উত্তোলনে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় এই এলাকার মানুষ আগামীতে কয়লা খনি বাস্তবায়নে বড় ধরনের আন্দোলন গড়ে তুলবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful