Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০ :: ৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ১৫ অপরাহ্ন
Home / নীলফামারী / কনের বাড়িতে তিনদিন ধরে বরযাত্রী; ঘটছে যাচ্ছে বিয়ে বিচ্ছেদ

কনের বাড়িতে তিনদিন ধরে বরযাত্রী; ঘটছে যাচ্ছে বিয়ে বিচ্ছেদ

ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, নীলফামারী ২৮ জুন॥ বরের মায়ের কনে পছন্দ নয়। আর বরের পিতার কনে পছন্দ। এ অবস্থায় ছেলেকে বরযাত্রী সহ বিয়ে করার জন্য পাঠিয়ে দেন পিতা। গাড়ী নিয়ে বর এসেছে কনের বাড়িতে। বরযাত্রী ৩৫ জন। বিয়ের কাজ সম্পন্ন। ছেলে মেয়ের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বরযাত্রীদের খাওয়া দাওয়া প্রায় শেষ। কনে কে এবার বরের হাতে তুলে দিয়ে বিদায় দেবে কনে পক্ষ। এমন সময় বরের মা ছুটে এলেন কনের বাড়িতে। এসেই তিনি চিৎকার করে বলে উঠলেন এই বিয়ে তিনি মানেননা। এরপর তিনি তার ছেলে(বর) ও বরযাত্রীদের ফিরে যাওয়ার জন্য তাগাদা দিতে থাকেন। এ নিয়ে শুরু হয়ে গেলো হট্টগোল। বিষয়টি নিয়ে কোন সুরাহ হচ্ছেনা। ফলে বর সহ সকল বরযাত্রী তিন দিন ধরে শনিবার (২৮ জুন) রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কনের বাড়িতেই অবস্থান করছিল । একাধিক বৈঠক চলছে। বর কনে নিয়ে সংসার করার ইচ্ছা পোষন করলেও শেষ পর্যন্ত বিয়েটি বিচ্ছেদের দিকেই যাচ্ছে।

গত বুধবার ( ২৫জুন) রাত ১০টার দিকের এই ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। সেই থেকে বর সহ বরযাত্রী কনের বাড়িতে অবস্থায় করছে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়াডের ভবচুর মহব্বতপাড়া গ্রামে। অপর দিকে বরের পিতা এই কনেকে পুত্রবধু হিসাবে গ্রহনে প্রস্তুত রয়েছেন। এদিকে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে বিয়ে বিচ্ছেদের ঘোষনা দিয়েছে বরের মা। কিন্তু বরের পিতা ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। বরের মা কনের সাথে বিয়ে বিচ্ছেদের জেদ ধরে তিনিও আটক অবস্থায় রয়েছে।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশাচাঁপানী ইউনিয়নের কাকিনা ছোটখাতা গ্রামের নজির উদ্দিনের ছেলে (বর) সহিদুল ইসলাম(২৬)। তার সাথে ছেলের পিতা বিয়ে ঠিক করেন নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়াডের ভবচুর মহব্বতপাড়া গ্রামের সফিয়ার রহমানের মেয়ে মনিরা আক্তারের সাথে।

কনের এলাকার ইউপি সদস্য মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন বরের মায়ের জেদে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বরের পিতা কনে গ্রহনে আগ্রহী। বিষয়টি নিয়ে একাধিকার বৈঠক চলছে। কিন্তু বরের মায়ের একই কথা তিনি এ কনে ঘরে তুলবেননা। ফলে বরের পিতা মাতার দ্বন্দ্বে বর সহ ৩৫ জন বরযাত্রী কনেবাড়িতেই অবস্থান করছে। কনে পক্ষ তাদের সাথে কোন খারাপ আঁচড় না করে বরং বর সহ বরযাত্রীদের তিন দিন ধরে খাবার দিচ্ছেন।

কনের চাচা সহিদার রহমান মুঠো ফোনে জানান বরের মায়ের জেদের কারনে বিয়েটি আর টিকছেনা। ফলে বিয়ে বিচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে কথা চলছে।

অপর দিকে বর সহিদুল ইসলাম শনিবার রাত সোয়া ৯টায় মুঠোফোনে জানান তিনি বিয়ে করেছেন এবং এই মেয়েকে নিয়ে ঘরসংসার করতে চান। কিন্তু মায়ের জেদের কারনে সমস্যা দেখা দেয়ায় তিনি সহ বরযাত্রী ৩৫ জন কনের বাড়িতেই অবস্থান করছেন। এক প্রশ্নের জবাবে বর জানায় কনে পক্ষ তাদের জোড় পূর্বক আটক করে রাখেনি। বর আরো জানায় যে অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে তাতে কনে পক্ষ কে দেনমহর ও যৌতুকের আগাম নেয়া অর্থ সহ মোট ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ফেরত দিয়ে বিয়ে বিচ্ছেদ করে এখান থেকে চলে যেতে হবে। এরমধ্যে মেয়ে পক্ষ কে ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। বাকী টাকা ম্যানেজ করা হচ্ছে। ওই টাকা পরিশোধ করে আমরা এখান থেকে বিয়ে বিচ্ছেদ শেষে বাড়ি ফিরে যাবো।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful