Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০ :: ৮ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ৩০ পুর্বাহ্ন
Home / বিনোদন / পুরুষ শিকারে মেতে ওঠা ভীনগ্রহের নারী!

পুরুষ শিকারে মেতে ওঠা ভীনগ্রহের নারী!

বিনোদন ডেস্ক :  কী বলিউড, কী হলিউড- সর্বত্র এখন শুধু এলিয়েনের গল্প। সিনেমা জগতের বড় একটা অংশই দখল করে নিয়েছে ভিনগ্রহের এ কল্পিত প্রাণী। কিন্তু মানুষের মস্তিস্কে এলিয়েনের রাজত্ব আজ থেকে নয়। নিকোলাস রোয়েগ ১৯৭৬ সালে ‘দ্য ম্যান হু ফেল টু আর্থ’ নামে একটি ছবি বানান৷ ভিনগ্রহের এক প্রাণী নিজেদের গ্রহে জল ফুরিয়ে যাওয়ায়, জলের খোঁজে পৃথিবীতে হাজির হয়েছে৷

মানুষের শরীরের মধ্যে বসবাস করতে করতে সে প্রেমে পড়ে যাচ্ছে এক মানবীরই৷ রকস্টার ডেভিজ বাওয়ি অভিনীত এই ছবির গল্প নিয়ে এবার এগুলেন ‘সেক্সি বিস্ট’ খ্যাত পরিচালক জোনাথন গ্ল্যাজার। তবে তার পরিচালিত ‘আন্ডার দ্য স্কিন’ ছবিটি গল্পের দিক থেকে মোটামুটি এক হলেও বাদবাকি সবখানেই ট্যুইস্ট করেছেন পরিচালক। আর ট্যুইস্টের রহস্য পুরোটাই লুকিয়ে আছে ত্বকের নিচে।

আসুন হালকা করে দেখে নেওয়ার চেষ্টা করি ত্বকের নিচে কী লুকিয়ে রেখেছেন গ্লাজার। ছবির প্রধান চরিত্র (স্কারলেট জোহানসন), যার কোনও নাম ছবিতে নেই, এক এলিয়েন৷ মানবীর শরীর ধারণ করে সে এক গাড়ি নিয়ে স্কটল্যান্ডের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়৷ একা পুরুষকে সিডিউস করার চেষ্টা করে৷ সফল হলে তাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে পৌঁছায় নিজের আস্তানায়৷ সেখানে কালো রঙের, দিগন্ত পর্যন্ত বিস্তৃত মেঝের ওপর দিয়ে সে হেঁটে যায়৷ তাকে অনুসরণ করে শিকার পুরুষটি৷ হাঁটতে হাঁটতে নিজের একটির পর একটি পোশাক খুলে ফেলতে থাকে রমণী৷

নির্দিষ্ট দূরত্বে হাঁটতে হাঁটতে একে একে পোশাক খুলতে থাকে পুরুষও৷ শেষ পর্যন্ত সেই নারী পর্যন্ত পৌঁছানো হয় না তার৷ তার আগেই তরল মেঝেতে একটু একটু করে তলিয়ে যায় সে৷ জানতেই পারে না৷ আর মেয়েটি? সে হেঁটেই যায়৷ একই গতিতে৷ পুরুষ সম্পূর্ণ তলিয়ে গেলে সে থামে৷ ফিরে আসে৷ জামা পরে নেয়৷ বেরিয়ে পড়ে নতুন শিকারের খোঁজে৷

‘আন্ডার দ্য স্কিন’ কি শুধুই এক সায়েন্স ফিকশন নাকি এলিয়েন সিডাকট্রেস-এর গল্প? নাকি নারীকে নিয়ে পুরুষের যে আদি ভয়, তাকেই মেটাফরিক্যালি প্রতিষ্ঠিত করা? পিচ-কালো অন্ধকার মেঝের মধ্যে নিজের অজান্তে প্রবিষ্ট হয়ে যাওয়া যে শুধুমাত্র সায়েন্স ফিকশনের দ্যোতনা নয়, তা সহজেই অনুমেয়৷ তবে ভয় যে একা পুরুষের, তাও নয়৷ ছবির শেষে মানুষের ত্বক ধারণ করে থাকতে থাকতে মানবিক সত্ত্বা জন্ম নেয় ভিনগ্রহের প্রাণীর মধ্যেও৷ আর তখনই গোল বাঁধে৷ হোক না ভিনগ্রহের, তাকেই ভোগ করতে চায় পুরুষ৷ বল প্রয়োগ করেই৷

ছবির শেষে ত্বকের ভিতরে থাকা ভিনগ্রহের নারী নিজের মানবী মুখোশের মুখোমুখি বসে৷ মুখোশের চোখ থেকে জল পড়ে৷ ধর্ষিত হওয়ার আতঙ্ক, আর মানুষ হিসাবে ব্যর্থতার গ্লানি থেকেই৷ সম্প্রতি এক সমালোচক ‘আন্ডার দ্য স্কিন’-এব রিভিউ করতে গিয়ে বলেছেন, মিকেলাঞ্জেলো আন্তোনিওনি যদি ‘স্পিসিস’ বানাতেন, তাহলে তা কেমন হত, সেটাই তিনি টের পেয়েছেন ‘আন্ডার দ্য স্কিন’ দেখতে বসে৷ যারা এই ছবি ইতিমধ্যেই দেখে ফেলেছেন, তারা জানেন, মোটেই অত্যুক্তি হবে না তার বক্তব্যটি৷

সব মিলিয়ে ‘আন্ডার দ্য স্কিন’ এক প্রান্তিক নারীর কাহিনি৷ কোথা থেকে সে এসেছেন, কী-ই বা সে পেতে চায়, নিকষ কালো মেঝের তলায় পুরুষদের চালান করে দিয়ে… তাদের অস্থি-মজ্জা অন্ধকারে বিলীন করে দিয়ে… তাদের শুধু অন্ধকারে ভেসে থাকা ত্বকে… ছালে… রূপান্তরতি করেই বা তার কী লাভ, বাইক নিয়ে ঘুরে বেড়ানো পুরুষটি– যে এই মহিলার একমাত্র সঙ্গী– তার সঙ্গেই বা এর সম্পর্ক কী, তার উত্তর এই ছবিতে পাওয়া যায় না৷ উত্তর দেওয়ার কোনও দায়ও নেই৷ কারণ এর দায় থাকে সায়েন্সের৷ ফিকশনের নয়৷

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful