Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০ :: ১২ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ৩৮ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / বিএনপির এখন দুই পথ

বিএনপির এখন দুই পথ

BNP Logoঅস্তিত্বের লড়াইয়ে বিএনপির সামনে এখন দুই পথ খোলা। দলকে চাঙ্গা ও সরকার পতন আন্দোলনের উপযোগী করতে হলে এর কোনো ব্যত্যয় নেই বলে মনে করছেন দলটির বেশির ভাগ নেতা-কর্মী। তার মধ্যে একটি পথ হলো ‘দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এ মুহূর্তে দেশে ফিরিয়ে এনে দলের দায়িত্ব তুলে দেওয়া’।

অন্যটি হলো ‘সাম্প্রতিক সময়ে আন্দোলনে নেতৃত্বদানে ব্যর্থ ও অদক্ষ ব্যক্তিদের সরিয়ে দিয়ে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, সক্রিয় ও বিশ্বস্তদের নিয়োগ প্রদান’। এ ছাড়া বিএনপির অস্তিত্বের প্রশ্নে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সামনে আর কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন দলের নীতিনির্ধারকসহ নেতা-কর্মী ও সদস্যরা।

দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মতে, তারেক রহমান দেশে ফিরে দায়িত্ব গ্রহণের পর দিন থেকেই সারা দেশে বিএনপি আশাতীত চাঙ্গা হয়ে উঠবে। কিন্তু এতে ঝুঁকি রয়েছে মারাত্দক। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘বিএনপির এ নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ পুঁজি’ তারেক রহমান দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে জেলে যেতে হবে বলে মনে করছেন দেশি-বিদেশি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এমনকি তার জীবনের ওপরও ঝুঁকি আসতে পারে বলে মনে করেন দলটির স্থায়ী ও কেন্দ্রীয় কমিটিসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী। ফলে এ মুহূর্তে তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসাটা সময়োপযোগী হবে না বলেও মনে করছেন অনেকে।

অনেকে মনে করেন, রাজনীতিতে দলীয় সেনাপতির দায়িত্ব নিতে হলে দেশের মাটিতেই তারেক রহমানকে ফিরে এসে মামলা, জেল দণ্ডসহ সব পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। রাজনীতিতে জেল-নির্যাতন তার ইমেজও বাড়াতে পারে। কিন্তু তিনি ঝুঁকি নিতে নারাজ। তবে সাম্প্রতিক আন্দোলনে নির্লজ্জভাবে আত্দগোপনে চলে গিয়ে যেসব শীর্ষস্থানীয় নেতা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে আর বসিয়ে না রেখে সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, সক্রিয় ও বিশ্বস্তদের নিয়োগ প্রদান’। এ ছাড়া বিএনপির অস্তিত্বের প্রশ্নে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সামনে আর কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন দলের নীতিনির্ধারকসহ নেতা-কর্মী ও সদস্যরা। দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মতে, তারেক রহমান দেশে ফিরে দায়িত্ব গ্রহণের পর দিন থেকেই সারা দেশে বিএনপি আশাতীত চাঙ্গা হয়ে উঠবে। কিন্তু এতে ঝুঁকি রয়েছে মারাত্দক। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘বিএনপির এ নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ পুঁজি’ তারেক রহমান দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে জেলে যেতে হবে বলে মনে করছেন দেশি-বিদেশি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এমনকি তার জীবনের ওপরও ঝুঁকি আসতে পারে বলে মনে করেন দলটির স্থায়ী ও কেন্দ্রীয় কমিটিসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী। ফলে এ মুহূর্তে তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসাটা সময়োপযোগী হবে না বলেও মনে করছেন অনেকে। অনেকে মনে করেন, রাজনীতিতে দলীয় সেনাপতির দায়িত্ব নিতে হলে দেশের মাটিতেই তারেক রহমানকে ফিরে এসে মামলা, জেল দণ্ডসহ সব পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে। রাজনীতিতে জেল-নির্যাতন তার ইমেজও বাড়াতে পারে। কিন্তু তিনি ঝুঁকি নিতে নারাজ।

তবে সাম্প্রতিক আন্দোলনে নির্লজ্জভাবে আত্দগোপনে চলে গিয়ে যেসব শীর্ষস্থানীয় নেতা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে আর বসিয়ে না রেখে সাংগঠনিকভাবে দক্ষ, সক্রিয় ও বিশ্বস্তদের নিয়োগ প্রদানের পক্ষে মত দিয়েছেন তারা। দলটির একজন প্রভাবশালী ভাইস চেয়ারম্যান এ প্রসঙ্গে বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবি আদায় করতে হলে দলকে সুসংগঠিত করে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। আর এ জন্য রাজধানীসহ সারা দেশে সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করে তুলতে হবে। সে ক্ষেত্রে যারা সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও যোগ্য তাদেরই বেছে বেছে দায়িত্ব দিতে হবে। অন্যথায় আন্দোলন শুধু মুখে মুখেই থেকে যাবে। এদিকে নেতা-কর্মীদের চাঙ্গা করা ছাড়া আন্দোলনের প্রস্তুতি স্তুতিবাক্য ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মনে করেন দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। তাদের কেউ কেউ বলেন, অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছ, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এখন শুধু অলঙ্কারিক পদে আসীন মাত্র। দল চলছে অন্য কারও নির্দেশনায়। যেখানে বেগম খালেদা জিয়ার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ আছে বলে তারা মনে করেন না। সপ্তাহে ছয় দিন সন্ধ্যার পর গুলশান অফিসে আসেন বেগম খালেদা জিয়া। এসে বসেন তিন থেকে চার ঘণ্টা। এ সময়ের মধ্যে কিছু লোকের সালামের হিসাব কষে আবারও ফিরে যান গুলশানের ৭৯ নম্বর রোডের বাসভবনে। বিএনপিতে এখন তার চেয়ে বেশি কিছু হচ্ছে না বলে মনে করেন তৃণমূল নেতারা। এ অবস্থার পরিবর্তন ও দলকে সারা দেশে চাঙ্গা করতে হলে আর সময় নষ্ট না করে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় দক্ষ, যোগ্য ও সক্রিয় লোকদের নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান তারা।

ইতিমধ্যে তিনি রোজার ঈদের পর কঠোর আন্দোলনের ঘোষণাও দিয়ে দিয়েছেন। দলীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রমতে, আগামী জানুয়ারির মধ্যে মধ্যবতী নির্বাচনের টার্গেটও নিয়েছে বিএনপি। অথচ এখনো আন্দোলনের মতো উপযোগী করে দল গোছানো দূরের কথা, আন্দোলনের মূল জায়গা ঢাকা মহানগরীতেই কমিটি পুনর্গঠন করা সম্ভব হয়নি। কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন তো আকাশকুসুম কল্পনা। বৃহৎ প্রতিবেশী ভারতের নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ঢাকা সফর করে যাওয়ার সময় শুক্রবার বিমানবন্দরে তার মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবর উদ্দিন পরিষ্কার ভাষায় বলে গেছেন, রাজনৈতিকসহ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সব সমস্যার সমাধান দেশটির জনগণকেই করতে হবে। অর্থাৎ জনগণকে নিয়েই তার সমাধান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে নেতা-কর্মীদের প্রশ্ন- বিএনপি কীভাবে জনগণকে নিয়ে তা করবে? দলই তো এখনো সুসংগঠিত নয়। তা ছাড়া সুষমা স্বরাজের সঙ্গে দলীয় চেয়ারপারসনের সাক্ষাৎকালে সোনারগাঁও হোটেলের লবিতে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে খালেদা জিয়ার সঙ্গী নেতাদের হাস্যরস আর কিছু সময়ের আড্ডার দৃশ্য ছাড়া আর কিছুই বিএনপি নেতা-কর্মীদের চোখে পড়েনি বলেও উল্লেখ করেন অনেকে। এ অবস্থায় সারা দেশের জেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মতে- ‘দল ও সারা দেশের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীকে চাঙ্গা ও আন্দোলন উপযোগী করতে হলে বিএনপি চেয়ারপারসনের সামনে এ মুহূর্তে মাত্র দুটি পথ খোলা আছে। একটি হলো সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে তার ওপর সংগঠন পরিচালনার ভার তুলে দেওয়া। আর অন্যটি হলেন ঢাকা মহানগরীসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদলের মাধ্যমে এমন ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়া যারা অভিজ্ঞ, সাংগঠনিকভাবে দল ও দলের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। তা ছাড়া কর্মসূচি ঘোষণা করে সারা দেশের লাখ লাখ নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে কিছুতেই আত্দগোপনে চলে যাবেন না। তৃণমূল নেতাদের এ অভিমতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সম্পূর্ণ একমত পোষণ করেছেন ঢাকায় অবস্থানকারী দলের স্থায়ী কমিটির অত্যন্ত প্রভাবশালী দুজন সদস্য। তবে এ মুহূর্তে তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার ক্ষেত্রে তৃণমূলসহ অধিকাংশ নেতারই তেমন একটা সম্মতি নেই। সম্মতি নেই প্রফেসর ড. এমাজউদ্দীন আহমদ ও ড. মনিরুজ্জামান মিঞাসহ বিএনপি ঘরানার বুদ্ধিজীবীদেরও।

তাদের মতে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন অবস্থায় তারেক রহমান ঢাকায় পদার্পণ করা মাত্রই তাকে গ্রেফতারপূর্বক জেলে পাঠানো হবে। এমনকি তার জীবনে বেঁচে থাকার বিষয়টিও তখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করেন প্রবীণ এই বুদ্ধিজীবীরা। আর তখন অবশিষ্ট কাউকেই মাঠে বা রাজপথে পাওয়া যাবে না।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful