Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৪ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ২০ পুর্বাহ্ন
Home / রকমারি / সঙ্গীর সঙ্গে আপনার তর্ক ‘অস্বাভাবিক’ কি? সাতটি লক্ষণে বুঝে নিন

সঙ্গীর সঙ্গে আপনার তর্ক ‘অস্বাভাবিক’ কি? সাতটি লক্ষণে বুঝে নিন

jhograআপনার সঙ্গীর সঙ্গে কি সম্প্রতি কথাকাটাকাটি কিংবা বিরোধ হচ্ছে? এ ধরনের বিষয় দীর্ঘমেয়াদে আপনার সম্পর্কে বাজে প্রভাব ফেলতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রে সীমিত মাত্রায় বিতর্ক উভয়ের কাছে কিছু বিষয় পরিষ্কারভাবে বুঝতে বা বোঝাপড়ায় সহায়তা করে। এ লেখায় দেওয়া সাতটি লক্ষণ থেকে বুঝে নিন আপনার কথাকাটাকাটি কিংবা বিরোধ সুস্থ পর্যায়ে আছে নাকি তা লক্ষ্যচ্যুত হয়েছে।

১. শুধু জিততেই চান
তর্কাতর্কি কখনো স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে। কিন্তু আপনি যদি তা থেকে বিজয়ী হতে চান যেকোনো পরিস্থিতিতে তাহলেই সমস্যার সূত্রপাত। সঙ্গীর সঙ্গে আপনার বিরোধ যে অস্বাভাবিক পর্যায়ে চলে গিয়েছে, তা বোঝার জন্য এটিই যথেষ্ট। আপনি কিংবা আপনার সঙ্গী যদি সব আলোচনাতেই বিজয়ী হতে চান তাহলে তা এক পর্যায়ে অসুস্থতার দিকে চলে যাবে। কারণ একজন সব সময় বিজয়ী হওয়ার চেষ্টা করলেই অন্যজন তা থেকে আত্মরক্ষামূলক পর্যায়ে চলে যাবে। আর দীর্ঘমেয়াদে আপনারা দুজনেই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

২. আপনি শোনেন না
সুস্থ সম্পর্কের ক্ষেত্রে যোগাযোগের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু যদি এমন হয় যে, আপনি শুধু আপনার কথাই তাকে শোনাতে চান, তার কোনো কথা শুনতে চান না, তাহলেই সমস্যার শুরু। এ ক্ষেত্রে বুঝতে হবে, আপনারা সুস্থ সম্পর্কের চর্চা করছেন না।

৩. সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন না
সঙ্গীর সঙ্গে কোনো তর্কাতর্কি কিংবা উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের পর আপনি কি যুক্তিতর্কের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন? এ ক্ষেত্রে উপযুক্ত কারণের ভিত্তিতে আপনার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো বিতর্কে নামার আগে থেকেই যদি আপনি কোনো সিদ্ধান্তে অনড় হয়ে থাকেন তাহলে আলোচনার কোনো মানে হয় না। আর এতে বোঝা যায়, সঙ্গীর মতামতের কোনো মূল্যই দেন না আপনি। এ থেকে সম্পর্কের সুস্থতা নষ্ট হতে পারে।

৪. আলোচনায় রাগারাগি
আপনার সঙ্গীর সঙ্গে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের আলোচনায় রাগারাগি কিংবা আবেগের অতিরিক্ত উপস্থিতি ক্ষতিকর। ঠাণ্ডা মাথায় কোনো বিষয় বিবেচনার সুযোগ নষ্ট হয় এর ফলে। এটি সুস্থ আলোচনায় বাধাস্বরূপ। রাগের মাথায় আপনার সিদ্ধান্ত, আচরণ ও কথাবার্তা সঙ্গীকে আহত করতে পারে। যা পরবর্তীতে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিরুপ প্রভাব ফেলে।

৫. একই বিষয়ে বারবার বিতর্ক করা
দুজনে যদি কোনো একটি বিষয় নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েও যান, তাহলে তা একত্রে সমাধান করে ফেলাই স্বাভাবিক। এরপর এ বিষয়টি নিয়ে আর বিতর্কের অবকাশ নেই। কিন্তু একই বিষয় নিয়ে যদি আবার শুরু থেকে বারবার বিতর্ক হতে থাকে তাহলে তা সত্যিই চিন্তার বিষয়। এভাবে একটি বিষয় নিয়ে বারবার বিতর্ক করা হলে বুঝতে হবে আপনাদের কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং তা মেনে নেওয়ার মতো যোগ্যতা নেই।

৬. আপনার গলা চড়ে যায়
সঙ্গীর সঙ্গে আলোচনার সময় কি আপনার গলার স্বর অনেক চড়ে যায়? আশপাশের মানুষ কি আপনাদের এ আলোচনা শুনতে পায়? এমন ঘটনা ঘটলে বুঝতে হবে যে, আপনার সুস্থ আলোচনার উপায় শিখতে হবে নতুন করে। কোনো বিষয়ে বিতর্ক হতেই পারে। কিন্তু তাতে গলার স্বর চড়ে যাওয়া কিংবা কর্কশ স্বরে কথা বলা ভালো লক্ষণ নয়। আপনার গলার স্বর চড়ে যাওয়া মানে সুস্থ আলোচনায় আগ্রহী নন আপনি।

৭. নিজের অবস্থান থেকে না নড়া
বিতর্ক বা আলোচনা-সমালোচনা হতেই পারে। উভয়ে কোনো সিদ্ধান্তে একমত নাও হতে পারেন। কিন্তু তা থেকে নিজের অবস্থান যদি একটুও না বদলায় তাহলে সমস্যা সৃষ্টি হয়। উভয়ে মিলে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে নিজের অবস্থান থেকে কিছুটা সরে আসতে হতেই পারে। কিন্তু তাতে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে আপনার তর্ক-বিতর্ক অস্বাভাবিক দিকে চলে যাচ্ছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful